মাতৃগর্ভে শিশুর অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো সুচারুরূপে গঠিত হতে থাকে। কতিপয় বিষয় শিশুর মাতৃগর্ভের বিকাশকে ক্ষতিগ্রস্থ করে। এর মধ্যে মায়ের খাদ্য গ্রহণের ধরন অন্যতম। কেননা মায়ের অপুষ্টি শিশুর বর্ধন ও বিকাশে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
উদ্দীপকের মিনা তার খাদ্যের ব্যাপারে বেশ সচেতন। এজন্য তিনি নিজেদের ক্ষেতের টাটকা সবজি, ফলমূল, পুকুরের মাছ, ভাত, রুটি, ডিম ইত্যাদি নিয়মিত পরিমিত মাত্রায় গ্রহণ করে এবং নিজের প্রতি যত্ন নেয়। অপর দিকে রিনা কাজের চাপে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ বা নিজের যত্ন যেমন নিতে পারে না তেমনি কেউ তাকে সাহায্যও করে না।
যেহেতু গর্ভকালীন সময়ে মায়ের পুষ্টি শিশুর বিকাশে সহায়তা করে সেহেতু মিনার সন্তান পরিপূর্ণভাবে পুষ্টি উপাদানগুলো মায়ের শরীর থেকে পাবে। অন্যদিকে রিনার সন্তান তা থেকে বঞ্চিত হবে। এ সময় মায়ের ক্যালরি, প্রোটিন, লৌহ, ক্যালসিয়াম, আয়োডিন ইত্যাদি উপাদানের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। মিনার এ চাহিদাগুলো পূরণ হলেও রিনার ক্ষেত্রে হয় না। তাই মিনার সন্তানের মস্তিষ্কের বিকাশ, স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, শারীরিক বর্ধন, মানসিক বর্ধন সঠিক মাত্রায় হবে। অন্যদিকে রিনার সন্তানের ক্ষীণকায়, রুগ্ন, অপুষ্ট ও অপরিনত হয়ে জন্মানের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে ও তার শারীরিক বিকাশের পাশাপাশি মানসিক বিকাশও বাধাগ্রস্থ হবে। এমনকি তার রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতাও ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Related Question
View Allমেলানিন তৈরি হয় টাইরোসিন হতে।
হাইড্রোসেফালি এক ধরনের জিনগত অস্বাভাবিকতা। হাইড্রোসেলফালি হলে মাথার মধ্যে তরল পদার্থ সেরেব্রো-স্পাইনাল রস নিঃসরণ না হয়ে জমা থাকে। ফলে মাথা অস্বাভাবিক বড় হয়। শিশু প্রতিবন্ধী হয়।
রহিম মিয়ার বড় সন্তানটির মধ্যে থাইরয়েড গ্রন্থি হতে নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোনের ঘাটতি রয়েছে।
থাইরয়েড হরমোনের অভাবে শিশু বামনত্ব লাভ করে। এ ধরনের জিনগত অস্বাভাবিকতাকে ক্রেটিনিজম বলে। এর অপর নাম হাইপোথাইরয়েডিজম।
বংশগত বা অন্য কোনো কারণে গর্ভাবস্থায় আয়োডিন এর অভাব হলে থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা কমে যায়। ফলে বামনত্ব দেখা দেয়। এছাড়া মাথায় চুল অল্প থাকে। কপাল ছোট, নাক চ্যাপ্টা হয়। এদের জিহবা বেশ মোটা থাকে। অনেকের গলগণ্ড হয় ও বিপাক ক্রিয়া হ্রাস পায়। এ রোগে হজমজনিত গোলযোগ থাকে এবং যৌনাঙ্গের বিকাশ ঠিকমতো হয় না।
রহিম মিয়ার ছোট সন্তানটির মধ্যে হিমোফিলিয়া নামক জিনগত অস্বাভাবিকতা রয়েছে।
হিমোফিলিয়া রোগে শরীরের কোথাও কেটে গেল তার রক্ত জমাট বাঁধতে চায় না। মায়ের রক্ত থেকে পুত্রসন্তানদের দেহে বিস্তার লাভ করে এই রোগ।
ছেলেদের এই রোগ দেখা যায়। মেয়েরা বাহক হিসেবে কাজ করে। এই রোগে কোনো স্থান কেটে গেলে রক্তক্ষরণ সহজে বন্ধ হয় না। আঘাত পেলে চামড়ার নিচে বা জোড়ার অভ্যন্তরে রক্তপাত হতে থাকে। একে রক্তক্ষরণীয় রোগ বলা হয়, মহিলাদের চেয়ে পুরুষের sex chromosome কে এর জন্য দায়ী করা হয়।
হিমোফিলিয়ায় কোনো cloting factor থাকে না। এই রোগে রোগীর রক্তে রক্ত বন্ধনকারী অ্যান্টি হিমোফিলিক ফ্যাক্টর VIII থাকে না। ফলে রক্ত জমাট হতে অনেক সময় লাগে। রহিম মিয়ার ছোট সন্তানের মধ্যে এ ধরনের জিনগত অস্বাভাবিকতাই পরিলক্ষিত হয়।
স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের প্রধান অঙ্গের নাম ডিম্বাশয়।
ভালভা স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের একটি অংশ বা অঙ্গাণু। ভালভা বলতে যোনি যে ছিদ্রপথে বাইরে উন্মুক্ত থাকে তাকে বোঝায়। লেবিয়া মেজরা, লেবিয়া মাইনরা, ক্লাইটোরিস এবং ভেন্টিবুলার গ্রন্থিকে একত্রে ভালভা বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!