প্রকাশ্যে পুরুষ দ্বারা নারীকে উত্ত্যক্ত এবং নির্যাতন করাকে ইভটিজিংবলে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দুর্নীতিবিরোধী প্রচারণার মাধ্যমে দুর্নীতি রোধ করে।
দুর্নীতি দমনে গণমাধ্যম কার্যকর ভূমিকা রাখে। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অপরিহার্য। গণমাধ্যম দুর্নীতিবিরোধী প্রচারণা, সংবাদপত্রে বিশেষ ক্রোড়পত্র ইত্যাদি প্রচার করে জনগণের মধ্যে দুর্নীতির বিরূপ প্রভাব উপস্থাপন করে দুর্নীতির প্রতিকার করে। আর এসব সম্ভব হয় তখনই যখন গণমাধ্যম স্বাধীনতা ভোগ করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ে বর্ণিত বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মিল রয়েছে।
আমরা জানি, সাংবিধানিক বিধিবিধানের আওতায় গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানসমূহই হলো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানসমূহ রাষ্ট্রের সংহতি অক্ষুণ্ণ রাখার লক্ষ্যে নির্বিঘ্নে, ন্যায়ানুগ এবং স্বাধীনভাবে কাজ করে। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, যা উদ্দীপকে লক্ষণীয়।উদ্দীপকে দেখা যায়, মিরার বাবা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধন তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন। তার প্রতিষ্ঠান প্রজাতন্ত্রের ১ম ও ২য় শ্রেণির কর্মের নিয়োগের জন্য প্র বাছাই করে। এ প্রতিষ্ঠানের সদস্যবৃন্দ সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতিনের ন্যায় সমমর্যাদার অধিকারী। ঠিক একইভাবে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এ কমিশনের চেয়ারম্যান সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির ন্যায় সমান মর্যাদার অধিকারী। বাংলাদে সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা বাছাই, নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ও সংশ্লিষ্ট কাজের দায়িত্ব এ প্রতিষ্ঠানের উপর ন্যস্ত। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন এক ও অভিন্ন।
দক্ষ ও সৎ প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য উক্ত প্রতিষ্ঠানের অর্থাৎ বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের গুরুত্ব অপরিসীম- উক্তিটি যথার্থ।
আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার কাঠামোয় দক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারীর গুরুত্ব সর্বজনস্বীকৃত। এজন্য বিশ্বের প্রায় সকল রাষ্ট্রে মেধার ভিত্তিতে কর্মকর্তা বাছাইয়ের প্রক্রিয়া লক্ষ করা যায়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনও অন্যান্য রাষ্ট্রের মতো মেধাসম্পন্ন যোগ্য ও দক্ষ কর্মকর্তা বাছাইয়ে অসামান্য ভূমিকা রাখে।
তীক্ষ্ণ ধীশক্তি ও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন এবং নিরপেক্ষ ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন। দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করা এ কমিশনের মূল কাজ। এ কমিশনের নিকট কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাই মুখ্য এবং অন্য সবকিছু গৌণ। কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য বাছাইয়ের কাজ সহজ নয়। একজন ব্যক্তির লব্ধজ্ঞান যাচাই করা অত্যন্ত কঠিন। একজন দক্ষ ব্যক্তিই পারেন অন্যজনের জ্ঞান যাচাই করতে। এ কমিশন অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এ কাজ সম্পাদন করেন। দক্ষতার কোনো বিকল্প নেই। কারণ, কমিশনের দক্ষতার হানি ঘটলে কর্মকর্তা নিয়োগের কাজটি দুর্বলভাবে সম্পাদিত হবে। আর এজন্য রাষ্ট্র অদক্ষতার শিকারে পরিণত হবে। এমনকি যদি সততার অভাব ঘটে তাহলে জাতির অগ্রগতির পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে। এসকল বিষয় বিবেচনা করে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন দক্ষ ও সৎ প্রশাসন গড়ে তোলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। এ কমিশনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দক্ষ ও সৎ প্রশাসন গড়ে উঠে বাংলাদেশ সরকারব্যবস্থাকে কর্মক্ষম ও সচল করতে সক্ষম হয়।
উপরের আলোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, দক্ষ ও সৎ প্রশাসন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের অবদান তাৎপর্যপূর্ণ।
Related Question
View Allনির্বাচন হলো ভোটদানের মাধ্যমে প্রতিনিধি বাছাইয়ের প্রক্রিয়া।
সর্বজনীন ভোটাধিকার বলতে ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-গরিব নির্বিশেষে প্রাপ্তবয়স্ক সকল নাগরিকের ভোটদানের অধিকারকে বোঝায়।
ভোটদানের অধিকার নাগরিকদের রাজনৈতিক অধিকার। রাষ্ট্রের সংবিধান এবং সরকারি বিধিবিধানের মাধ্যমে স্বীকৃত পন্থায় নাগরিকদের প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষমতাকে ভোটাধিকার বলা হয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটদানের অধিকার সর্বত্র স্বীকৃত এবং সংরক্ষিত।
উদ্দীপকের উল্লিখিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটির সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের সাদৃশ্য আছে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন একটি সাংবিধানিক সংস্থা। এ প্রতিষ্ঠানটি প্রজাতন্ত্রের বেসামরিক কাজের জন্য মেধাবী ও যোগ্য নাগরিকদের বাছাইয়ের কাজ করে। এজন্য সংস্থাটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কর্মকমিশন বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন সার্ভিস বা পদে নিয়োগকৃতদের পদোন্নতি এবং বদলি সংক্রান্ত বিষয়েও নীতিমালা প্রণয়নের পরামর্শ প্রদান করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, বিধান সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত আছেন। উক্ত প্রতিষ্ঠান প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন, মেধাবী ও দক্ষ লোক বাছাইয়ের কাজ করে। বাংলাদেশে এরূপ কাজ করে এমন একটি প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন।
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের ভূমিকার উপর রাষ্ট্রের উন্নয়ন অনেকাংশে নির্ভরশীল।
আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার কাঠামোয় মেধাবী ও দক্ষ কর্মকতা-কর্মচারীর গুরুত্ব অপরিসীম। এজন্য বিশ্বের প্রায় সকল রাষ্ট্রে মেধার ভিত্তিতে কর্মকর্তা বাছাইয়ের প্রক্রিয়া লক্ষ করা যায়। মেধা যাচাইয়ের ভিত্তিতে যোগ্যতাসম্পন্ন লোক বাছাইয়ের জন্য একটি নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন রয়েছে। বাংলাদেশের এমন একটি প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন।
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্মকমশিন গঠনের কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও সংবিধানে কর্মকমিশনের কার্যাবলি সম্পর্কে বিধানাবলি সন্নিবেশিত আছে। এ বিধানাবলি অনুসারে কমিশন প্রজাতন্ত্রের কাজে দক্ষ ও উপযুক্ত কর্মচারী নিয়োগের উদ্দেশ্যে প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা, ডাক্তারি পরীক্ষা, পুলিশি তদন্ত প্রভৃতি কার্যক্রম পরিচালনা করে। সততা ও নিরপেক্ষতার সাথে তারা প্রজাতন্ত্রের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাছাই করে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেন। কর্মকমিশন যেহেতু নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীর যোগ্যতাকে প্রাধান্য দেয়, তাই প্রকৃত মেধাবীরাই নিয়োগ পেয়ে থাকেন। আর সৎ, যোগ্য ও মেধাবীদের নিয়ে গড়ে ওঠা প্রশাসন সুষ্ঠু রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এর ফলে সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়।
উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সুষ্ঠুভাবে, রাষ্ট্র পরিচালনা এবং এর সার্বিক উন্নয়নে উদ্দীপকে বর্ণিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের ভূমিকা অনেক।
বাংলাদেশের সংবিধানের অভিভাবক হলো- জাতীয় সংসদ।
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলতে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সংবিধান কর্তৃক সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়।
প্রত্যেকটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র তার কাজের গতিশীলতার জন্য কতগুলো প্রতিষ্ঠান তৈরি করে। যার ক্ষমতা ও কার্যাবলি সংবিধান অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট ও সুনিয়ন্ত্রিত। এগুলোই হলো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারে। বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন, নির্বাচন কমিশন, অ্যাটর্নি জেনারেল, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক ইত্যাদি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!