মিলনের অমায়িক ব্যবহারে সকল মানুষ মুগ্ধ। সে ধনী-গরিব, ছোট-বড় সবার সাথে সুন্দর ব্যবহার করে। শ্রমজীবীদের সঙ্গে সুন্দর ব্যবহার করতে দেখে তার বন্ধু শিপন বলে, 'ছোটলোকদের এত আস্কারা দিতে নেই।' কিন্তু মিলন শিপনকে বলে, 'সকল শ্রেণির মানুষের সাথে সুন্দর ব্যবহার করলে সম্মান কমে না, বরং বাড়ে।'

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

হৃদয়ে বুদবুদের মতো শুভ্র চিন্তা ওঠে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একটি স্নেহের কথায় মানুষের মন আপ্লুত হয় এবং মনের মধ্যে জমে থাকা সব দুঃখ-বেদনা দূর হয়ে যায়।

মানুষের মন সংবেদনশীল। সে কটুকথায় কষ্ট পায় আর স্নেহের কথায় সুখ অনুভব করে। মানুষের মনে যদি কোনো গভীর কষ্ট জমে থাকে, এ অবস্থায় কেউ তাকে কোনো স্নেহের কথা বললে তার সেই কষ্ট অনেকটা লাঘব হয়ে যায়। এই প্রসঙ্গেই কবি বলেছেন-

"একটি স্নেহের কথা

প্রশমিতে পারে ব্যথা।"

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শিপনের মধ্যে 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতায় প্রকাশিত ভালো কাজের সমালোচনা করার প্রবণতার দিকটি ফুটে উঠেছে।

নিন্দুকেরা মানুষের ভালো কাজ হোক আর মন্দ কাজ হোক সমালোচনা তারা করবেই। এতেই যেন তাদের সব শান্তি। যারা দুর্বল চিত্তের তারা সমালোচকদের ভয়ে ভালো কাজ করা থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়।

উদ্দীপকের শিপন একজন নিচ মানসিকতার অধিকারী। সে তার বন্ধু মিলনের মহৎ কাজেরও সমালোচনা করে। শ্রমজীবীদের সঙ্গে সুন্দর ব্যবহার করতে দেখে বন্ধুকে বলে ছোটলোকদের এত আস্করা দিতে নেই। 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতায়ও সমালোচকদের এমন বৈশিষ্ট্যের কথা বলা হয়েছে। তারা ভালো-মন্দ সব কাজেরই সমালোচনা করে। কোনো মানুষ ভালো কাজ করতে গেলেও তারী পিছন থেকে কথা বলবে। তাকে হতোদ্যমের চেস্টা করবে। শিপনের মধ্যে কবিতায় প্রকাশিত পিছনে সমালোচনা করার দিকটি ফুটে উঠেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

"উদ্দীপকের মিলনের মানসিকতা ও 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার কবি কামিনী রায়ের মানসিকতা একই সূত্রে গাঁথা”- মন্তব্যটি যথার্থ।

তারুণ্যের অপার শক্তি ও সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও যারা সমালোচনার ভয় করে তারা পিছিয়ে যায়। আর তা যদি না করে তবে তারা কোনো কিছুকে পরোয়া না করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়। সমালোচনাকে পেছনে ফেলেই মানুষের মনে উচিত হওয়া কল্যাণ চিন্তার বাস্তবায়ন করা যায়।

'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতায় কবি সমালোচনাকে উপেক্ষা করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। আলোচ্য কবিতায় কবি কোনো কাজ করার সময় দ্বিধাগ্রস্ত হতে নিষেধ করেছেন। কারণ সমাজে অবদান রাখতে হলে মনের দ্বিধা, সংশয়, লোকলজ্জা ও সমালোচনাকে উপেক্ষা করে চলতে হবে। উদ্দীপকেও মিলনের মানসিকতায় সমালোচনার ভয়কে পেছনে ফেলে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়। শামীম সব শ্রেণির মানুষের সাথে আন্তরিক ব্যবহার করে। এতে বন্ধুদের কেউ কেউ সমালোচনা করলে সে সমালোচানাকে উপেক্ষা করে মহৎ উদ্দেশ্যে সামনে এগিয়ে যায়।

মানবকল্যাণে কাজ করতে দ্বিধা, সংকোচ, সমালোচনার ভয় এড়িয়ে চলতে হবে। এটি 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার কবির মানসিকতায় প্রকাশ পেয়েছে। উদ্দীপকের মিলনের মাঝেও এমন মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, যা উদ্দীপকের শামীম ও কবি কামিনী রায়ের মানসিকতাকে একসূত্রে গেঁথেছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
77

 

করিতে পারি না কাজ, 

সদা ভয়, সদা লাজ, 

সংশয়ে সংকল্প সদা টলে, 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

আড়ালে আড়ালে থাকি, 

নীরবে আপনা ঢাকি, 

সম্মুখে চরণ নাহি চলে, 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

হৃদয়ে বুদবুদ মতো 

উঠে শুভ্র চিন্তা কত, 

মিশে যায় হৃদয়ের তলে 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

কাঁদে প্রাণ যবে, আঁখি 

সযতনে শুষ্ক রাখি 

নির্মল নয়নের জলে, 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

একটি স্নেহের কথা 

প্রশমিতে পারে ব্যথা 

চলে যাই উপেক্ষার ছলে 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

মহৎ উদ্দেশ্যে যবে 

এক সাথে মিলে সবে, 

পারি না মিলিতে সেই দলে, 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

বিধাতা দিছেন প্রাণ

থাকি সদা ম্রিয়মাণ;

শক্তি মরে ভীতির কবলে,

পাছে লোকে কিছু বলে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

"সংশয়ে সংকল্প সদা টলে" বলতে কবি বুঝিয়েছেন কোনো কাজ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে সেই কাজের সংকল্প বা ইচ্ছা নষ্ট হয়।

মনের ভেতরে সংশয় কাজ করলে কোনো ইচ্ছা বা স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করা যায় না। কাজ করতে গিয়ে লজ্জার মুখে পড়তে হয় কিনা এ চিন্তা করলে মনের মধ্যে সংশয় দানা বাঁধে। তখন আর কাজটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। মন স্থির না থাকায় সব সময় দ্বিধা কাজ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
436
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম অংশের বক্তব্য 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার চতুর্থ স্তবকের বিপরীত ভাব ধারণ করেছে।

ভালো কাজ করতে আগ্রহী মানুষের কাজ কীভাবে প্রতিহত করা যায় নিন্দুকেরা সে চেস্টায় নিয়োজিত থাকে। তারা মানুষের হৃদয়ের শুভচিন্তা ও কল্যাণধর্মী কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে এবং কৌশলে সেগুলো নষ্ট করে দেয়।

উদ্দীপকের প্রথম স্তবকে কবি পরোপকারী মনোভাবসম্পন্ন নিঃস্বার্থ ব্যক্তির কথা বলেছেন। যে লোকটির মানসিকতা 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার চতুর্থ স্তবকের বিপরীত চেতনা প্রকাশ করে। কারণ আলোচ্য রচনার চতুর্থ স্তবকে মানব কল্যাণে কাজ করতে ইচ্ছা পোষণকারীদের সমালোচনার ভয়ে কাজ না করে নিজেদের গুটিয়ে রাখার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। প্রকাশ পেয়েছে, এক শ্রেণির মানুষ মানুষের দুঃখে প্রাণ কাঁদলেও তারা চোখ শুকনো রাখে। ভাবে সহানুভূতি প্রকাশ করলে লোকে কী বলবে। অন্যদিকে উদ্দীপকের প্রথম অংশে বলা হয়েছে পৃথিবীতে কেউ নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে আসেনি। সকলে সকলের জন্য। মানব কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার মধ্যেই জীবনের প্রকৃত মর্যাদা, প্রাপ্তি ও সার্থকতা নিহিত আছে বলে কবি মনে করেছেন। কারণ পৃথিবীতে একে অন্যের কল্যাণ সাধনের মধ্যেই প্রকৃত আনন্দ লাভ হয়; শুধু নিজেকে নিয়ে বিব্রত থাকায় কোনো আনন্দ নেই।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
208
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশের নিন্দুক ও 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার নিন্দুকের প্রভাব এক নয়।

জগতের বহু কল্যাণকর শুভচিন্তা আমাদের হৃদয়ে উদয় হয়। অথচ পেছনে কে কী বলে সেই দিক বিবেচনায় আমরা তা ফলপ্রসূ করতে পারি না। ফলে মনের সেই শুভ চিন্তাগুলো সমালোচনার ভয়ে মনেই মরে যায়। বাস্তব জগতে প্রকাশ করে কাজে লাগিয়ে জগতের কল্যাণ সাধন করা আর হয়ে ওঠে না।

উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশে এবং 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতা উভয় জায়গায় নিন্দুকের কথা প্রকাশ পেয়েছে। তবে উভয় জায়গার নিন্দুক ভিন্ন ভিন্ন প্রভাব বিস্তার করেছে। উদ্দীপকের নিন্দুক নিন্দা করে ভুল ধরিয়ে দেয়। আর কবিতার যে নিন্দুকের কথা বলা হয়েছে সে সৎচিন্তা, সংকল্প ও মানব কল্যাণের সমস্ত চেষ্টা ও কাজের অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। তাদের ভয়ে মানুষ মনের ভাব-ভাবনা ও ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটিয়ে জগতের কল্যাণ সাধনে ব্রতী হতে পারি না।

উদ্দীপকের নিন্দুককে কবি ভালোবাসতে বলেছেন। কারণ তারা জগতের অহিতকর চিন্তাকে সমালোচনা করে হিতকল্পের উপযোগী করতে সহায়তা করে। তাদের সমালোচনায় একজন তাঁর ভুল সংশোধন করে পরিপূর্ণতা অর্জন করতে পারে। আর 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার নিন্দুক ভুল সংশোধন নয়, মানুষের শুভবোধ ও বুদ্ধির বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে জগতে কল্যাণ সাধনকে ব্যাহত করে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশের নিন্দুক ও আলোচ্য কবিতার নিন্দুকের প্রভাব এক নয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
130
উত্তরঃ

'শক্তি মরে ভীতির কবলে, পাছে লোকে কিছু বলে'- বলতে কবি কোনো কাজ করার জন্য উদ্যোগী হয়েও অন্যের সমালোচনার ভয়ে সেই ইচ্ছাশক্তির বিনষ্ট হওয়াকে বুঝিয়েছেন।

অনেক আছে যারা অকারণে ভয় পায়। অন্যের সমালোচনার ভয়ে বিভিন্ন কাজ থেকে পিছিয়ে আসে। সেই ভয় পাওয়ার ফলে তারা অনেক সহজ ও কল্যাণকর কাজও করতে পারে না। কারণ কাজ করার আগ্রহ তাতে কমে যায়। ফলে তার ইচ্ছাশক্তি ও সামর্থ্যও বিনষ্ট হয়। এ কথা ভেবেই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
165
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews