কার্ডিং এবং কম্বিং দ্বারা প্রাপ্ত পাতলা আস্তরণ আকৃতি ধারণ করা তত্ত্বই হলো স্লাইভার।
মেলামাইনের থালাবাসন মেলামাইন রেজিন নামক পলিমার দ্বারা তৈরি। ■ মেলামাইন রেজিন তৈরি হয় মেলামাইন ও ফরমালডিহাইড নামক দুটি মনোমার থেকে। মেলামাইন ও ফরমালডিহাইড এর অনেকগুলো অণু পর পর যুক্ত হয়ে মেলামাইন রেজিন উৎপন্ন করে। এভাবে মনোমারের সমন্বয়ে মেলামাইন গঠিত হয় বলে একে পলিমার বলা হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত বস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত তত্ত্বটি হলো রেশম। রেশমের প্রধান গুণ হলো এর সৌন্দর্য। এটি মূলত ফাইব্রেয়ন নামক এক প্রকার প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি। প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশম সবচেয়ে শক্ত ও দীর্ঘ। সূর্যালোকে রেশম দীর্ঘক্ষণ রাখলে এটি তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়। এটি হালকা কিন্তু অধিকতর উষ্ণ এবং খুবই কম পরিসরে রাখা যায়। রেশম তন্তুর তৈরি রেশমি কাপড় গ্রীষ্মকালে কিংবা গ্রীষ্ম ও শীত ঋতুর মাঝামাঝি সময়ে ব্যবহার উপযোগী।
উদ্দীপকের তৃতীয় পলিমারটি হলো রেশম কাপড়। কারণ, রেশমের কাপড়কে দীর্ঘক্ষণ সূর্যালোকে রাখলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়। তত্ত্ব থেকে রেশম সুতা তৈরির প্রক্রিয়াটি নিচে দেয়া হলো-
রেশম পোকা থেকে তৈরি হয় একধরনের গুটি। একে কোকুন (Cocoon) বলে। পরিণত কোকুন বা গুটি সাবান পানিতে লোহার কড়াইয়ে সেদ্ধ করা হয়। এতে কোকুনের ভেতরকার রেশম পোকা মরে যায় এবং গুটি কেটে বের হয়ে রেশমের গুটি নষ্ট করতে পারে না। সিদ্ধ করার কারণে কোকুন নরম হয়ে যায় এবং ওপর থেকে খোসা খুব সহজেই আলাদা হয়ে যায়। খোসা উঠে গেলে রেশমি তত্ত্বর প্রান্ত বা নাল পাওয়া যায়। এই নাল ধরে আস্তে আস্তে টানলে লম্বা সুতা বের হয়ে
আসে। চিকন বা মিহি সুতার জন্য ৫-৭টি কোকুনের নাল আর মোটা সুতার জন্য ১৫-২০টি কোকুনের নাল একত্রে করে টানা হয়। এ কাজে চরকা ব্যবহার করা হয়। চরকার সাহায্যে কোকুন থেকে সুতা তৈরি করা হয়। নালগুলো একত্রিত করলে এদের গায়ে লেগে থাকা আঠার কারণে একটি আরেকটির সাথে লেগে গিয়ে সুতার গোছা তৈরি হয়।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!