মিসেস রুনা প্রথমবার মা হতে যাচ্ছেন। তার পরিবারের সকল সদস্য তার যত্নের ব্যাপারে খুবই সতর্ক। কিন্তু তার কী ধরনের খাবার খাওয়া উচিত সে সম্পর্কে তাদের সঠিক ধারণা নেই। এ ব্যাপারে মিসেস রুনা ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

গর্ভধারণের ২৬ থেকে ৩২ সপ্তাহের মধ্যে ভ্রূণের মস্তিষ্ক সর্বোচ্চ বৃদ্ধি লাভ করে।

উত্তরঃ

ভ্রূণের ওপর গর্ভের পরিবেশের প্রভাব অপরিসীম। গর্ভ পরিবেশ যদি শিশুর অনুকূলে হয়, তাহলে ভূণ নির্ধারিত সময়ে জন্মগ্রহণ করে। ফলে জন্ম পরবর্তী পরিবেশের সাথে সহজেই খাপ খাওয়াতে পারে। আর গর্ভ পরিবেশ যদি প্রতিকূল থাকে তবে ভ্রূণের বিকাশ ব্যাহত হয়। ভ্রূণ নির্ধারিত সময়ের আগে জন্মগ্রহণ করলে অপরিপক্ক শিশুর জন্ম হয়, শারীরিক ত্রুটি নিয়ে শিশু জন্মগ্রহণ করে বা জন্মগ্রহণের কিছুদিন পর মারা যায়।

উত্তরঃ

মিসেস রুনা গর্ভবতী হওয়ায় তার জন্য সুষম খাদ্য আবশ্যক। সুষম খাদ্যে সবকয়টি খাদ্য উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে এবং পরিবেশনের পরিমাণও ঠিক থাকে। মিসেস রুনা গর্ভবতী হওয়ায় ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী একদিনের মেনু পরিকল্পনা নিচে দেওয়া হলো-

সকালের নাশতা (৭-৭.৩০টা): পাউরুটি ৩ পিস (মাঝারি), সবজি ১ কাপ (১৫০ মি.লি.), ডিম পোচ ১টি, দুধ ১ কাপ।
মধ্য দুপুর (১০-১১টা): বিস্কুট ২-৪টি, মৌসুমি ফল ১টি (১৫০ গ্রাম)
দুপুরের খাবার (১-১.৩০টা): ভাত ২ কাপ, কলিজা ভুনা/মাছের কারি/মাংসের কারি ২ পিস (৬০ গ্রাম), শাক ভাজি ১/২ কাপ, সবজি ১ কাপ, লেবু ১ টুকরো, ফল ১টি।
বিকেলের নাশতা (৪-৫টা): দুধ/হরলিক্স ১ কাপ, বিস্কুট ৪ পিস/নুডুলস ১ কাপ/সুজি ১ কাপ।
রাতের খাবার (৭.৩০-৮টা): ভাত ২ কাপ, কলিজা/মাছ/মাংস ২ পিস (৬০ গ্রাম), ডাল ১ কাপ, সবজি ১ কাপ, লেবু ১ পিস।
ঘুমানের সময় (১০-১০.৩০টা): দুধ ১ কাপ।
উত্তরঃ

খাদ্য ছাড়াও মিসেস রুনার শারীরিক ও মানসিক যত্ন, শ্রম ও বিশ্রাম এবং স্বাস্থ্যবিধি পালনের ক্ষেত্রে বিশেষ পরিচর্যা প্রয়োজন। গর্ভাবস্থার শারীরিক যত্ন বলতে মায়ের পুষ্টি, পোশাক, ভ্রমণ, গোসল, কোষ্ঠ পরিষ্কার, ব্যায়াম ও বিশ্রাম এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাকে বোঝায়।

মিসেস রুনার শারীরিক যত্নের সাথে সাথে মানসিক যত্ন নেওয়া আবশ্যক। তিনি যাতে আনন্দ ও প্রফুল্লচিত্তে থাকেন সেদিকে সকলের দৃষ্টি রাখতে হবে। এজন্য তাকে পরিবারের সকলের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক রাখতে হবে। তাকে ভালো ভালো বই পড়তে হবে, ছবি দেখতে হবে। সবসময় ভালো চিন্তা করতে হবে। গর্ভাবস্থায় শ্রম ও বিশ্রামের মধ্যে সমতার প্রয়োজন রয়েছে। রক্ত চলাচল ও কোষ্ঠ নিয়মিত রাখার জন্য ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যক্ষমতা সুষ্ঠু রাখার জন্য নিয়মিত শ্রমের প্রয়োজন। কাজের পাশাপাশি তাকে বিশ্রামও নিতে হবে। তবে গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস কোনো রকম ভারি কাজ হতে বিরত থাকা উচিত। এছাড়া তাকে স্বাস্থ্যবিধি পালন করা যেমন- নিয়মিত গোসল করা, কোষ্ঠ পরিষ্কার করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং তিন মাস অন্তর অন্তর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে।

তাই বলা যায়, খাদ্য পরিকল্পনার পাশাপাশি মিসেস রুনার অন্যান্য ক্ষেত্রেও বিশেষ পরিচর্যার প্রয়োজন আছে।

120
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ফিটাসের সুস্থতা, সংখ্যা, ওজন, বয়স, পজিশন এবং অ্যামনিউটিক ফ্লুইডের পরিমাণ পরীক্ষা করার পদ্ধতি হলো আলট্রাসনোগ্রাম।

230
উত্তরঃ

২০ বছরের নিচে গর্ভধারণকারী মা-কে ঝুঁকিপূর্ণ মা বলার কারণ হলো এদের মা হওয়ার মতো মানসিক পরিপক্কতা ও শারীরিক পূর্ণতা থাকে না।

অপরিণত বয়সে যেসব মেয়ে মা হয়, তারা নানা রকম শারীরিক ও মানসিক জটিলতায় ভোগে। এছাড়াও এ বয়সে একটি মেয়ের সন্তান ধারণ করা, জন্ম দেওয়া ও পালন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকে না। ফলে সে নিজে ও তার গর্ভের সন্তান ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

258
উত্তরঃ

রহিমা ৩ মাসের গর্ভবর্তী। গর্ভবতীর ১ম তিন মাস হলো গর্ভসঞ্চারের পর থেকে ১২ সপ্তাহ।

গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের বৃদ্ধি-সামান্য হয় বলে পুষ্টির চাহিদা খুব একটা বৃদ্ধি পায় না। তাই রহিমার দেহকে সুস্থ রাখার জন্য, দেহের প্রয়োজনীয় গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সুষম খাদ্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়গুলো প্রাধান্য দিতে হবে। এ সময় তার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যে বিষয়গুলো জরুরি সেগুলো হলো-

১. মূত্র পরীক্ষা: গর্ভসঞ্চার নির্ধারণের জন্য করা হয়। 

২. রক্তের নিয়মিত পরীক্ষা: রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা, হিমোগ্লোবিন, হেপাটাইটিস ভাইরাস, যৌনবাহিত রোগ সংক্রান্ত পরীক্ষা এবং ডায়াবেটিস পরীক্ষা। 

৩. আলট্রাসনোগ্রাম: ফিটাসের সুস্থতা, সংখ্যা, ওজন ইত্যাদি নির্ণয় করা।

250
উত্তরঃ

রহিমার মানসিক বিপর্যয় তার গর্ভের শিশুর উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

রহিমার আশেপাশের পরিবেশে ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কলহ ও অশান্তি লেগেই রয়েছে। ফলে সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।

রহিমা গর্ভবতী, এই অবস্থায় শারীরিক যত্নের সাথে সাথে মানসিক যত্ন নেওয়া আবশ্যক। কারণ শরীর ও মন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। জন্মের পূর্বে মায়ের অনুভূতি, আবেগ, ক্রোধের সাথে ভ্রূণ শিশুর কোনো রকম যোগাযোগ থাকে না। তবুও মায়ের মনের তীব্র ক্ষোভ, উত্তেজনা, মায়ের দেহে রাসায়নিক পরিবর্তন সৃষ্টি করে, যার প্রভাবে ভ্রূণ শিশুর ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মায়ের হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়াসহ দেহের বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। এতে ভ্রূণ শিশুর অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়। রহিমার পারিবারিক ক্লেশ, ক্লান্তি ও অতিরিক্ত উদ্বেগ ভ্রূণের গঠনে অস্বাভাবিকতা আনতে পারে এবং গর্ভাবস্থার শেষের দিকে এ ধরনের মানসিক ক্লান্তি ও ক্লেশ শিশুর মধ্যে অস্থিরতা বৃদ্ধি করে। মায়ের মনের মানসিক অশান্তির কারণে সন্তানেরা পরিবেশের সাথে সহজে খাপ খাওয়াতে পারে না।

তাই রহিমার উচিত গর্ভাবস্থায় পরিবারের সকলের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক রাখা। সবসময় ইতিবাচক পরিবেশে অবস্থান করা। রহিমা যাতে আনন্দ ও প্রফুল্লচিত্তে থাকেন, সেদিকে সকলের সচেষ্ট থাকা উচিত।

242
উত্তরঃ

গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ দেখা যায়। 

গর্ভাবস্থায় রুবেলা (German measels), সিফিলিস, ম্যালেরিয়া এবং ধনুষ্টংকার প্রভৃতি রোগ হতে পারে। এ জাতীয় রোগ ভ্রূণের ক্ষতিসাধন করে। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত।

232
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews