মানসিক ক্লান্তির কেন্দ্রস্থল হলো মানুষের স্নায়ুতন্ত্র।
গৃহসজ্জায় আসবাব বিন্যাসে ছন্দ মেনে চলা দরকার। গৃহের প্রত্যেকটি বস্তু এমনভাবে সাজাতে হবে যেন কোনো এক স্থানে দৃষ্টি আবদ্ধ হতে না পারে। এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে দৃষ্টি ওঠানামা করে। গাতি এবং পুনরাবৃত্তি হলো ছন্দের প্রাণ।
জমিসেস শায়লা কাজের ক্ষেত্রে কাজ সহজকরণ পদ্ধতি অবলম্বন করেনl
বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে কাজ করার নাম কাজ সহজকরণ পদ্ধতি। এক্ষেত্রে কাজের সময় মিসেস শায়লা দুই হাত ব্যবহার করেন। দেহভঙ্গি সঠিক রেখে কাজ করেন। ভারি কাজের পর হালকা কাজ করেন। সঠিক স্থানে তৈজসপত্র রাখেন যাতে সহজেই সেগুলো হাতের কাছে পান।
শাকসবজি একবারে ধুয়ে কাটবার পরে পাত্রে রাখেন। এর ফলে অন্য পাত্রে রাখার প্রয়োজন পড়ে না। এতে সময় কম লাগে। উৎপাদিত দ্রব্যে পরিবর্তন করে মিসেস শায়লা সময় ও শক্তির সদ্ব্যবহার করেন। যেমন-খাদ্য প্রস্তুত করার সময় সংক্ষেপ করে সময় ও শক্তি বাঁচান। বর্তমানে গৃহস্থালির কাজকর্ম সহজ ও সংক্ষেপ করার জন্য অনেক নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার হচ্ছে। বাজারে সহজে প্রাপ্য এমন সব জিনিস ব্যবহার মিসেস শায়লা সময় ও শক্তির সদ্ব্যবহার করেন। যেমন-রুমালের পরিবর্তে টিস্যু পেপার ব্যবহার, মাটির পরিবর্তে প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহার ইত্যাদি এভাবেই মিসেস শায়লা তার গৃহস্থালির কাজ করেন।
সঠিক আসবাব বিন্যাসের কারণেই মিসেস শায়লা শোবার ঘরে ঢুকে প্রশান্তি অনুভব করেন-আমি এ বক্তব্যটির সাথে একমত।
সারাদিন পরিশ্রমের পরে মানুষ স্বভাবতই বিশ্রাম নেয়। তাই শোবার ঘর হবে নির্জন, শান্ত ও স্নিগ্ধ। এর ফলে মানুষ শান্তিতে বিশ্রাম নিয়ে আগামী দিনের কাজের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবে।শোবার ঘরের আসবাব নির্বাচন ও বিন্যাসে মিসেস শায়লা বুদ্ধি, জ্ঞান, দক্ষতা এবং নিজস্ব পছন্দ প্রয়োগ করেছেন। শোবার ঘরের দেয়ালে তিনি হালকা রং ব্যবহার করেছেন। ঘরে যাতে তীব্র আলো না আসে সেজন্য দরজা ও জানালায় পর্দা ব্যবহার করেন। শোবার ঘরে খাটের পাশে বই, টেবিল ল্যাম্প রাখার জন্য ছোট টেবিল রেখেছেন। আলমারি প্রশস্ত দেয়ালে সমান্তরালভাবে রেখেছেন। ঘরের ড্রেসিং টেবিলটি তিনি জানালার পাশে রেখেছেন। মিসেস শায়লা শোবার ঘরে কোন আসবাব জানালা ঢেকে রাখেননি। এর ফলে তার ঘরে আলো বাতাস ভালোভাবে চলাচল করতে পারে। ঘরের দরজার সামনে তিনি কোন আসবাব রাখেননি। এর ফলে চলাচলের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা হয় না। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন ছবি এবং দেয়াল সজ্জার বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে তার শোবার ঘরটি সাজিয়েছেন। একারণেই সারাদিন পরিশ্রমের পর ঘরে ঢুকে তিনি প্রশান্তি অনুভব করেন।
Related Question
View Allসূর্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয় তাই সৌর বিদ্যুৎ
দৈনিক কোন কাজের পর কোন কাজ করা হবে তার সময় উল্লেখ করে যে তালিকা প্রণয়ন করা হয় তাকে সময় তালিকা বলে।
সময় তালিকার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। এটি অনুসরণ করলে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করা যায় এবং সঠিক সময়ে কাজ করার সুঅভ্যাস গড়ে ওঠে। কাজের মধ্যে তাড়াহুড়ো লাগে না এবং কাজ এলোমেলো হয় না। সময় তালিকা ব্যক্তিকে সচেতন করে গড়ে তোলে। তাই প্রত্যেককেই সময় তালিকা অনুসরণ করা উচিত।
আসবাবের যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণের ওপরই আসবাবের স্থায়িত্ব ও সৌন্দর্য নির্ভর করে।
নানা উপাদানে তৈরি আসবাবের যত্ন নেওয়ার পদ্ধতি ভিন্ন ভিন্ন। তাই আসবাবের ধরন জেনে সেগুলো পরিষ্কার করলে স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায়। আসবাবের স্থায়িত্ব বাড়াতে রিফাতকে কিছু বিষয়ে সর্তক হতে হবে।
i. উদ্দীপকের কাঠের আসবাবপত্রকে শুকনো কাপড়, তোয়ালে অথবা পালকপত্র দিয়ে ঝেড়ে ধুলা ফেলে দিতে হবে।
ii. যেখানে কাঠের খোদাই করা নকশা আছে, সেসব জায়গাগুলোতে বেশি করে পাতলা কাপড় ছোট ছোট কাঠির মাথায় বেঁধে নকশার ভেতরের ধুলা ময়লা বের করে আনতে হবে।
iii. কোথাও ভেঙে গেলে সেখানে উপযুক্ত এবং সঠিক কাঠ নির্বাচন করে মেরামত করতে হবে। কোনো জোড়া ফাঁকা হলে অথবা খুলে গেলে সেগুলো ভালোভাবে মেরামত করে নিতে হবে।
iv. কাঠের আসবাবপত্রে কোনো দাগ লাগলে সেটা উঠিয়ে দ্রুত রং করিয়ে নিতে হবে।
V. মেরামতের পরই কাঠের আসবাবপত্রকে বার্নিশ করতে হবে।
vi. বছরে দু'বার না পারলেও একবার কাঠের আসবাবপত্র রং করতে হবে।
vii. কাঠের আসবাবপত্রের যত্ন ব্যবহারের ওপরও অনেকাংশে নির্ভর করে। তাই ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকতে হবে।
এসব বিষয়ে গুরুত্ব দিলেই রিফাত তার আসবাবের যত্ন যথার্থভাবে নিতে পারবেন।
গৃহের অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য আসবাবের ওপর নির্ভর করে- আমি এ বক্তব্যটির সাথে একমত।
গৃহে বসবাস করার জন্য প্রয়োজন হয় বিভিন্ন আসবাবপত্র। আসবাবপত্রের সঠিক বিন্যাস গৃহকে আকর্ষণীয় ও মনোরম করে তোলে।
নিজের গৃহ সবার কাছেই শান্তির আশ্রয়স্থল। এ গৃহকে মনের মতো সাজিয়ে রাখার বাসনা সবারই জাগে। আরাম আয়েশে বসবাসের জন্য এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী গুছিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজন হয় বিভিন্ন আসবাবের।
আসবাবপত্র বলতে টেবিল, চেয়ার, সোফাসেট, খাট, ওয়ারড্রোব, আলমারি, বুকসেলফ ইত্যাদি গৃহসজ্জা সামগ্রীকে বোঝায়। পরিকল্পিত উপায়ে উপযোগী আসবাবপত্র নির্বাচন, ক্রয়, বিন্যাস ও যত্নের মাধ্যমে গৃহকে আকর্ষণীয় করা যায়। এসবের জন্য টাকা পয়সাই যথেষ্ট নয়। এর জন্য চাই শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গি, বাস্তবজ্ঞান, জীবনধর্মী চাহিদা ও কল্পনার সাথে সমন্বয় সাধন। আসবাবপত্র বিন্যাসের সময় শিল্পনীতির প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। আসবাবের বর্ণ, আকার, পর্দা, কক্ষের রং ইত্যাদির সমন্বয়ে এমনভাবে আসবাবপত্র বিন্যাস করতে হবে যাতে ছন্দের সৃষ্টি হয়।
তাই বলা যায়, সুনির্বাচিত আসবাবপত্র পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি গৃহের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
কক্ষের দেয়াল সজ্জিত করার জন্য যেসব সামগ্রী ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে দেয়াল সজ্জা বলে।
জাপানিদের পুষ্পবিন্যাস পদ্ধতিকে ইকেবানা বলে।
জাপানি পদ্ধতিতে পুষ্পবিন্যাস তিনটি ধাপের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তারা পুষ্পবিন্যাসের সময় সৃষ্টিকর্তা, মাটি ও মানুষকে স্মরণ করে। এপুষ্পসজ্জায় সর্বোচ্চ ডালটি স্বর্গের, দ্বিতীয় ধাপটি মানুষের আর তৃতীয় ধাপটি পৃথিবীর প্রতীক। এই পুষ্পবিন্যাসে শুধু যে তিনটি শাখা থাকে তা নয়। তিনের অধিক শাখা থাকলেও সেগুলোকে এমনভাবে সাজাতে হয় যেন তিনটি মূল শাখা স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!