একই জিনের অসংখ্য নকল তৈরি করাই হলো জিন ক্লোনিং।
একটি DNA অণুর কাঙ্খিত অংশ কেটে আলাদা করে অন্য একটি DNA অণুতে প্রতিস্থাপনের ফলে যে নতুন DNA অণুর সৃষ্টি হয়, তাকে রিকম্বিনেন্ট DNA বলে। রিকম্বিনেট DNA তৈরির প্রক্রিয়াকে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি বা জিন ক্লোনিং বলে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্য থেকে বলা যায় ছেলেটি ক্লিনিফেলটার'স সিনড্রোম রোগে আক্রান্ত। নিচে এই রোগটি সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো-
জেনেটিক বিশৃংখলার কারণে মানুষের যে বংশগত রোগগুলি সৃষ্টি হয় তার মধ্যে ক্লিনিফেলটার'স সিনড্রম রোগটি অন্যতম। এ রোগটি পুরুষ মানুষের সেক্স ক্রোমোজোমের ডিসজাংশন এর কারণে সৃষ্টি হয়। এর ফলে পুরুষটির কোষে XY ক্রোমোজোম ছাড়াও অতিরিক্ত আরও একটি X ক্রোমোজোম সংযুক্ত হয় এবং পুরুষটি হয় XXY ক্রোমোজোম বিশিষ্ট। একজন স্বাভাবিক পুরুষের মধ্যে যে বৈশিষ্ট্য থাকা দরকার এ রোগে আক্রান্ত পুরুষদের মধ্যে তা থাকে না। যেমন- এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির কণ্ঠস্বর কর্কশ হয় এবং স্তনদুটি বড় আকারের হয়। এদের বৃদ্ধি কম এবং এরা বন্ধ্যা হয়।
সুতরাং দৃশ্যকল্পে বর্ণিত ছেলেটি ক্লিনিফেলটার'স সিনড্রোম রোগে আক্রান্ত।
উদ্দীপকে বর্ণিত মেয়েটি টার্নার'স সিনড্রম রোগে আক্রান্ত। এ রোগটি | প্রজাতি রক্ষায় কীভাবে হুমকিস্বরূপ তা নিচে মূল্যায়ন করা হলো-এ রোগে আক্রান্ত স্ত্রীলোকটি XX এর পরিবর্তে X ক্রোমোজোম বিশিষ্ট হয়। সেক্স ক্রোমোজোমের নন-ডিসজাংশন এর কারণে এমন হয়। এ রোগে আক্রান্ত স্ত্রীলোক পূর্ণবয়স্ক হওয়া সত্ত্বেও এদের জননাঙ্গের বিকাশ ঘটে না এবং এরা বন্ধ্যা হয়।
আমরা জানি, প্রজাতি রক্ষায় নারীর ভূমিকা প্রধান। নারীরা প্রজননের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দিয়ে থাকে। কোনো কারণে কোনো প্রজাতির যদি সকল নারী বন্ধ্যা হয় অর্থাৎ সন্তান জন্মদানে অক্ষম হয় তবে সেই প্রজাতির বংশবিস্তার বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে সেই প্রজাতি ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। টার্নার'স সিনড্রম রোগে আক্রান্ত স্ত্রীলোক বন্ধ্যা হয়। কাজেই রোগটি প্রজাতি রক্ষায় হুমকি
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!