মি. আনিস সিদ্দিকী একটি উন্নয়নশীল দেশের নাগরিক। সেখানে আইনের শাসনের অনুপস্থিতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মানসম্মত শিক্ষার অভাব প্রভৃতি সমস্যাগুলো বিদ্যমান। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলো এসব সমস্যার সমাধানে বেশ তৎপর। এমনকি সচেতন জনগোষ্ঠীর মাঝেও এ ব্যাপারে ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

শাসন প্রক্রিয়ায় সুশৃঙ্খল, কাঠামোবদ্ধ ও আদর্শ এমন রূপকে সুশাসন বলা হয় যেখানে আইনের শাসন, নিরপেক্ষ, সংবেদনশীল, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং কার্যকর শাসন পদ্ধতি চালু থাকবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

সুশাসনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো আইনের শাসন। আইনের
শাসন বলতে মূলত বোঝানো হয় রাষ্ট্রীয় জীবনে নিরপেক্ষভাবে আইন
প্রয়োগের মাধ্যমে মানবাধিকারের সংরক্ষণকে। সংখ্যালঘু ও
রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এর শর্ত। স্বাধীন

নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। এটি জনগণের অধিকার রক্ষার রক্ষাকবচ। 

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

মি. আনিস সাহেবের দেশটিতে আইনের শাসনের অনুপস্থিতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মানসম্পন্ন শিক্ষার অভাব ইত্যাদি সমস্যা বিদ্যমান। এসবই সুশাসনের পথে পাহাড়সম বাধা সৃষ্টি করে থাকে। এসব সমস্যা অতিক্রম করতে না পারলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
আইনের শাসন সুশাসনের প্রথম শর্ত। এটি না থাকলে দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। মানবাধিকার রক্ষিত হয় না।
রাজনৈতিক অস্থিরতা গণতান্ত্রিক পরিবেশকে বিঘ্নিত করে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়। পরমতসহিষ্ণুতা সৃষ্টি হতে বাধা দেয়। দুর্নীতি ও সন্ত্রাস সমাজের প্রতিটি স্তরকে ক্ষতবিক্ষত করে।। মানুষের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে।এ কাজে যদি সরকারকে অধিক সময় দিতে হয় তবে জনকল্যাণমূলক কাজ করার মতো পর্যাপ্ত সুযোগ সরকার পায় না। আর মানসম্পন্ন শিক্ষার অভাব জনগণের মধ্যে সচেতনতার সৃষ্টি করে না এবং অংশগ্রহণমূলক ক্ষমতার বৃদ্ধি ঘটায় না। যথাযথ শিক্ষা ব্যতীত জনগণ তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হতে পারে না বিধায় গণতান্ত্রিক পরিবেশকে কার্যকরী ও ফলপ্রসূ করতে পারে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা কেবল সরকারের একার দায়িত্ব নয়।। সমাজের নানাবিধ সমস্যা সমাধানে সচেতন নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক দলের ভূমিকাও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

জনগণের জন্য সরকার সুশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিলে জনগণ যদি। এটি গ্রহণ করার উপযুক্ত না হয় এবং সহযোগিতা না করে, তবে এ উদ্যোগ সফল হতে পারে না। কেননা এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থা। উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যাগুলোর সমাধানে জনগণ ও। রাজনৈতিক দলসমূহের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা প্রয়োজন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে রক্ষা পেতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার সুষ্ঠু রাজনীতি চর্চার কোনো বিকল্প নেই। রাজনৈতিক দলগুলোই সরকার গঠন করে দেশ পরিচালনা করে থাকে এবং বিরোধী দলে থেকে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে। এজন্য আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা এবং সন্ত্রাস দুর্নীতি দমন করার প্রধান দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর।
আবার দেশের জনগণ যদি সচেতন না হয়, তাদের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে যদি সজাগ না থাকে তবেও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। সুশাসন যেহেতু অংশগ্রহণমূলক এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা সেহেতু এতে জনগণের সচেতনতাও অপরিহার্য। সরকার তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করা যেমন সচেতন নাগরিকদের কাজ, তেমনি সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা এবং ভালো কাজে সহযোগিতা করাও কর্তব্য। এভাবে অংশগ্রহণমূলক পরিবেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
136
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
228
উত্তরঃ

সাধারণভাবে রাজনৈতিক অঙ্গনের অস্থিতিশীল পরিবেশকে রাজনৈতিক অস্থিরতা বলা হয়। একটু ব্যাপকভাবে বলতে গেলে ভঙ্গুর গণতান্ত্রিক পরিবেশে যখন রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে সুষ্ঠু রাজনীতি চর্চার অভাবহেতু পারস্পরিক অবিশ্বাস, সন্দেহ, কোন্দল এবং হানাহানি ও সহিংসতা দেখা দেয়, সেই পরিবেশকে রাজনৈতিক অস্থিরতা বলে। অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশে দেশে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়। এর ফলে গণতন্ত্র ব্যাহত হয়, নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে না। অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ সুশাসনের অন্তরায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
744
উত্তরঃ

ক' দেশটির উল্লিখিত সমস্যাগুলো সামাজিক সমস্যা। কোনো দেশের আর্থসামাজিক বিপর্যয়ের ওপর নির্ভর করে এ ধরনের সামাজিক সমস্যার জন্ম হয়। এরূপ সামাজিক সমস্যা অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে থাকে। যেমন অধিক জনসংখ্যা একটি সামাজিক সমস্যা, কিন্তু এটি অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করে, পরিবেশ বিপন্ন করে, সামাজিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে, রাজনৈতিক পরিবেশকে প্রভাবিত করে থাকে। অধিক জনসংখ্যা শিক্ষা বিস্তারে বাধার কারণ হয়। একই সাথে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়, অপরাধপ্রবণতা বাড়ে অর্থাৎ একটি সমস্যা থেকে একাধিক সমস্যার উৎপত্তি হয়। উদ্দীপকের সমস্যাগুলোর ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য। এসব মূলত সামাজিক সমস্যা হলেও রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমস্যারও সৃষ্টি করে থাকে। যেকোনো দেশের জন্য এসব সমস্যা সুশাসনের অন্তরায়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পথে এসব সমস্যা যখন বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তখন তা সুশাসনের অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। আর সুশাসনের অন্তরায় দুঃশাসনকে টেনে আনে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
180
উত্তরঃ

সুনাগরিকগণ একটি দেশের সর্বোত্তম সম্পদ। একটি দেশের অগ্রগতি, উন্নতি নির্ভর করে সুনাগরিকদের কাজের ওপর। 

কোনোদেশের সরকারের একার পক্ষে দেশের সার্বিক উন্নয়ন এবং সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। জনগণ ও সরকার সম্মিলিতভাবে এসব সমস্যার সমাধান করতে পারে। উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' দেশটির সমস্যা সমাধানেও নাগরিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কোনো দেশের জনসংখ্যা সমস্যা সমাধান সরকার যত কার্যক্রমই গ্রহণ করুক না কেন, জনগণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছাড়া তা সম্ভব নয়। জনসংখ্য পরিকল্পনায় প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে।
জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সচেতনতা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য আবশ্যক। শিক্ষা বিস্তারে দেশের জনগণ সরকারকে সহযোগিতা করতে পারে। শিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত প্রতিটি নাগরিককে এক্ষেত্রে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। যারা শিক্ষার আলো থেকে দূরে, তাদেরকে শিক্ষা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সম্ভব নয়। শিক্ষাই উন্নতির সোপান, কথাগুলো শিক্ষা বঞ্চিতদেরকে বোঝাতে হবে।

সন্ত্রাস ও দুর্নীতি একটি দেশের জন্য অভিশাপস্বরূপ। সন্ত্রাস ও দুর্নীতির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সমাজেরই অংশ। নাগরিকদের একটি অংশই এ কাজে যুক্ত থাকে। সন্ত্রাস ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সাধারণ জনগণকেই সজাগ থাকতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে হবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যাতে দুর্নীতি থেকে মুক্ত থাকে, সেজন্য নাগরিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। দুর্নীতিবাজদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি দূর করা খুবই সহজ কাজ। এ ব্যাপারে নাগরিকদেরকে এগিয়ে আসতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
182
উত্তরঃ

শাসন প্রক্রিয়ায় সুশৃঙ্খল, কাঠামোবদ্ধ ও আদর্শ এমন রূপকে সুশাসন বলা হয় যেখানে আইনের শাসন, নিরপেক্ষ, সংবেদনশীল, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং কার্যকর শাসন পদ্ধতি চালু থাকবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
519
উত্তরঃ

সুশাসনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো আইনের শাসন। আইনের
শাসন বলতে মূলত বোঝানো হয় রাষ্ট্রীয় জীবনে নিরপেক্ষভাবে আইন
প্রয়োগের মাধ্যমে মানবাধিকারের সংরক্ষণকে। সংখ্যালঘু ও
রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এর শর্ত। স্বাধীন

নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। এটি জনগণের অধিকার রক্ষার রক্ষাকবচ। 

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
290
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews