মি. আরমান আলী 'ক' নামক একটি দেশে গিয়ে দেখতে পান, সেদেশের বেশির ভাগ লোক কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কৃষির উৎপাদন ব্যবস্থা সনাতন এবং খাতটির উৎপাদনশীলতাও বেশ কম।তিনি আরও লক্ষ করেন, দেশটিতে বেকার সমস্যা প্রকট, মাথাপিছু আয় খুবই কম। দেশটি শিল্পক্ষেত্রে যথেষ্ট পশ্চাৎপদ।

 

 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যেসব দেশের অর্থনীতি একেবারেই স্থবির এবং কোনো প্রকার উন্নয়নের প্রচেষ্টাও লক্ষ করা যায় না সে সব দেশকে অনুন্নত দেশ বলা হয়।

উত্তরঃ

অনুন্নত দেশের অর্থনীতিতে কৃষি খাতের প্রাধান্য থাকে এবং জীবিকা অর্জনের জন্য এসব দেশের বেশির ভাগ লোক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল হয়।

প্রকৃতপক্ষে অনুন্নত দেশে মাথাপিছু আয় ও সঞ্চয় খুব কম। এজন্য এখানে পুঁজি গঠনের হারও খুব কম হয়। তাই মূলধনের স্বল্পতা লক্ষণীয়ভাবে বিদ্যমান থাকে। এ অবস্থায় দেশে শিল্পোন্নয়ন ঘটে না। এ কারণে জনসাধারণকে বাধ্য হয়েই জীবিকা অর্জনের জন্য কৃষির ওপর নির্ভরশীল হতে হয়।

উত্তরঃ

মি. আরমান আলীর অভিজ্ঞতার আলোকে 'ক' দেশটিকে একটি অনুন্নত দেশ বলা যায়।

অনুন্নত দেশের অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। জীবিকা অর্জনের জন্য এসব দেশের সিংহভাগ লোক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল।
অনুন্নত দেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর হলেও এর কৃষিব্যবস্থা অনুন্নত ও প্রাচীন এবং কৃষির উৎপাদনশীলতাও অনেক কম। এছাড়া অনুন্নত দেশে বিনিয়োগের স্বল্পতার কারণে শিল্প ও সেবা খাত থাকে অনুন্নত ও অসম্প্রসারিত। ফলে এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগের অভাবে বেকার সমস্যা হয় প্রকট।

উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, মি. আরমানের দেখা 'ক' দেশটিতে বেকার সমস্যা - লক্ষণীয়ভাবে বিদ্যমান। তাছাড়া, কৃষি ও শিল্পের নিম্ন উৎপাদনশীলতার জন্য উক্ত দেশে মাথাপিছু আয় খুব কম। ফলে সেখানে জীবনযাত্রার মান অতি নিম্ন। এসব বিবেচনায় বলা যায়, মি. আরমানের দেখা 'ক' দেশটি অনুন্নত ■ দেশের পর্যায়ভুক্ত।

উত্তরঃ

মি. আরমান আলী যে দেশে গিয়েছে সে দেশটি হলো একটি অনুন্নত দেশ। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য 'ক' নামক দেশটি কৃষিতে উন্নত পদ্ধতিতে চাষাবাদ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও মানবসম্পদের যথাযথ ব্যবহারসহ পরিকল্পিত কর্মসূচির মাধ্যমে শিল্প উন্নয়ন ও মূলধন গঠনে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।

একটি অনুন্নত দেশকে উন্নত দেশে উন্নীত করা তথা অনুন্নত অর্থনৈতিক অবস্থাকে উন্নত করতে হলে মূলধন গঠন খুবই অপরিহার্য। আর অনুন্নত দেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর হওয়ায় কৃষিতে বৈজ্ঞানিক ও উন্নত পদ্ধতিতে চাষাবাদ করলে মূলধন গঠন দ্রুত ত্বরান্বিত হয়, যা কর্মসংস্থানের মাধ্যমে অধিক জনসংখ্যা মানবসম্পদে পরিণত করে।

উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, 'ক' দেশটির অর্থনীতি কৃষিনির্ভর ও কৃষিতে নিযুক্ত শ্রমিকের উৎপাদনশীলতাও কম। আবার, অধিক জনসংখ্যা হওয়ায় বেকার সমস্যা প্রকট ও মাথাপিছু আয় খুবই কম। এ অবস্থায় কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নত পদ্ধতিতে চাষাবাদ করলে কৃষির উৎপাদন বাড়বে। আবার, কৃষিতে নিযুক্ত অতিরিক্ত শ্রমিক শিল্প খাতে স্থানান্তর করলে আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে মূলধন গঠিত হবে।
তাছাড়া, অধিক জনসংখ্যাকে যদি উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা প্রদানের - মাধ্যমে দক্ষ মানব শক্তিতে পরিণত করা যায়, তবে দেশটির উৎপাদন ■ বৃদ্ধি পাবে। সুতরাং, বলা যায়, উপর্যুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে 'ক' দেশটি ■ তার বর্তমান অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে সক্ষম হবে।

135

বাংলাদেশ বর্তমানে নিম্নমধ্যম আয়ের উন্নয়নশীল একটি দেশ। এ দেশের উন্নয়নের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। উচ্চতর প্রবৃদ্ধির হার, দারিদ্র্য দূরীকরণ, সুষম বণ্টন, মানবসম্পদের উন্নয়ন এবং সুশাসনের মাধ্যমে এই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে একটি অনুন্নত দেশের অনুন্নয়নের জন্য দায়ী কারণগুলো চক্রাকারে আবর্তিত হতে থাকে। অনুন্নত দেশে উৎপাদন কম হয় বলে জনগণের মাথাপিছু আয় কম। ফলে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা তথা চাহিদা কমে যায়। এতে বিনিয়োগ প্রবণতা হ্রাস পায়, যার কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে মূলধন গঠন সম্ভব হয় না। এরূপ মূলধন স্বল্পতার কারণে উৎপাদনও কম হয়। এভাবে এ কারণগুলো পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হতে থাকে, যা দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র নামে পরিচিত। এটি একটি দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করে।

2.1k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদত্ত লেখচিত্রে মাথাপিছু আয়ের ক্রমবৃদ্ধি দেখানো হয়েছে, যা একটি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।

যেসব দেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে উন্নয়নের পথে ক্রমশ অগ্রসর হচ্ছে এবং কিছু মাত্রায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জন করেছে সেসব দেশই সাধারণভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে পরিচিত। এসব দেশে উন্নয়নের সুযোগ-সুবিধা ও জাতীয় সম্পদকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়নের জন্য আর্থ-সামাজিক ভিত্তি রচনা করা হয়। এসব দেশে প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান, উত্তোলন ও তার সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে জনসাধারণের দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের অব্যাহত প্রচেষ্টা লক্ষ করা যায়। ফলে উৎপাদনের প্রায় সকল ক্ষেত্রে ক্রমোন্নতি পরিলক্ষিত হয়।

ফলে উৎপাদনের প্রায় সকল ক্ষেত্রে ক্রমোন্নতি পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত লেখচিত্রে লক্ষ করা যায়, ২০০৬-০৭ থেকে ২০০৭- ০৮ অর্থবছরে জনগণের মাথাপিছু আয় যথাক্রমে ৫৫০ থেকে ৬৫০ ডলারে উন্নীত হয়েছে। একইভাবে ২০০৮-০৯ ও ২০১১-১২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় বেড়ে যথাক্রমে ৭০০ ডলার ও ৯০০ ডলার হয়েছে। যা উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, লেখচিত্রে উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে।

278
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত লেখচিত্রটি বাংলাদেশের তথা একটি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির চিত্র প্রকাশ করেছে। এ ধরনের অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য কৃষি সবচেয়ে বড় নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে।

উন্নয়নশীল দেশে জিডিপির প্রধান খাত হচ্ছে কৃষি। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। তবে এদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নয়নশীল হলেও এখনও কৃষির ওপর নির্ভরশীলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। এখনো এদেশের অধিকাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই বলা যায়, এদেশের প্রধান নিয়ামক শক্তি হলো কৃষি।

কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের দেশের জিডিপিতে কৃষি খাত (শস্য, বন, প্রাণিসম্পদ এবং মৎস্য) এর অবদান ১৩.৬০ শতাংশ। আবার বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামালের যোগান দিয়ে থাকে কৃষি খাত। বর্তমানে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় আধুনিকায়নের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাছাড়া উৎপাদকগণ কৃষির গুরুত্ব অনুভব করে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখাতে অধিক উৎপাদনে মনোনিবেশ করছে। ফলে দেশটিতে ক্রমে উন্নতি পরিলক্ষিত হয়েছে

তাই, আমি মনে করি, উদ্দীপকে পরিলক্ষিত ক্রমোন্নতির সবচেয়ে বড় নিয়ামক হলো কৃষি।

325
উত্তরঃ

একজন কর্মক্ষম শ্রমিক প্রচলিত মজুরিতে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ চেয়েও কাজ না পাওয়ার পরিস্থিতিকে বেকারত্ব বলে।

206
উত্তরঃ

অতি দরিদ্র, ভূমিহীন ও বেকার মানুষদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি চালু করেছে।

১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দেয়। বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলায় মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হয়। তখন সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে। এ কর্মসূচির তাৎক্ষণিক লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ শ্রমিকদের মজুরি নগদ অর্থে না দিয়ে খাদ্যশস্যের মাধ্যমে পরিশোধ করা।

681
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews