মি. করিম একটি ক্ষুদ্র ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মালিক। নিজের ও আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে কিছু ঋণ নিয়ে তিনি মূলধনের সংস্থান করেছেন। তার প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্যের মান ভালো হওয়ায় কিছু দিনের মধ্যেই চারদিকে সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। ব্যবসায়টির সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকায় মি. করিম তা সম্প্রসারণ করতে পারছেন না। তার এক বন্ধুর পরামর্শ নিয়ে জনতা ব্যাংক থেকে তিনি ঋণ নেওয়ার কথা ভাবছেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ব্যবসায়ের জন্য অর্থ সংগ্রহের প্রধান উৎস হলো বাণিজ্যিক ব্যাংক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যে উৎস থেকে ব্যবসায়ের প্রয়োজনে স্বল্পমেয়াদে মূলধন সংগ্রহ করা হয়, তাকে স্বল্পমেয়াদি অর্থায়নের উৎস বলে।

কাঁচামাল ক্রয়, কর্মচারীর বেতন দেওয়া ও অন্যান্য ব্যবসায়িক কাজ পরিচালনার মূলধন সংগ্রহের জন্য স্বল্পমেয়াদি অর্থায়ন প্রয়োজন হয়। আত্মীয়-স্বজন, বাণিজ্যিক ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক, সমবায় ব্যাংক প্রভৃতি স্বল্পমেয়াদি অর্থায়নের উৎস হিসেবে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মি. করিমের মূলধন সংগ্রহের কাজটিকে অর্থায়ন বলা যায়।

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্য অর্থ বা মূলধনের প্রয়োজন হয়। কারণ, অর্থ ছাড়া ব্যবসায় শুরু করা যায় না। এছাড়া, ব্যবসায়ের কাজ চালু রাখা ও এর পরিধি বাড়াতেও অর্থের প্রয়োজন। নিজস্ব তহবিল, আত্মীয়-স্বজন, বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রভৃতি উৎস থেকে এ অর্থ সংগ্রহ করা যায়।

উদ্দীপকের মি. করিম একটি ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক। তিনি আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসায় শুরু করেছিলেন। বর্তমানে তিনি ব্যবসায়ের পরিধি বাড়াতে চান। কিন্তু তার কাছে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় তিনি ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সংগৃহীত অর্থের মাধ্যমে তিনি ব্যবসায়টি সম্প্রসারণ করতে পারবেন। তার এ কাজের সাথে ব্যবসায় অর্থায়নের মিল আছে। তাই বলা যায়, মি. করিম মূলধন সংগ্রহ করার মাধ্যমে ব্যবসায়ের অর্থায়ন কাজটিই করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মি. করিমের ব্যবসায়ের জন্য জনতা' ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া সম্পূর্ণ যৌক্তিক হবে বলে আমি মনে করি।

ব্যবসায় শুরু করার জন্য উদ্যোক্তার মূলধনের প্রয়োজন হয়। আবার, ব্যবসায় সম্প্রসারণের জন্যও মূলধন প্রয়োজন। অনেক সময় উদ্যোক্তার একার পক্ষে এ মূলধন সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না। তাই তিনি আত্মীয়- স্বজন, বাণিজ্যিক ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক প্রভৃতি উৎস থেকে সহায়তা নেন। এক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো উদ্যোক্তার প্রয়োজন অনুযায়ী (স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি) ঋণ দিয়ে থাকে।

উদ্দীপকের মি. করিম ব্যবসায় শুরু করার জন্য আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ঋণ নেন। বর্তমানে তার ব্যবসায়ের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। তাই তিনি ব্যবসায় সম্প্রসারণের কথা ভাবছেন। কিন্তু তার কাছে পর্যাপ্ত অর্থ নেই। তাই তিনি জনতা ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক (বাণিজ্যিক, সমবায়, গ্রামীণ, বিডিবিএল প্রভৃতি) ব্যবসায়ীদের ঋণ দিয়ে থাকে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প স্থাপনের জন্য এই ব্যাংকগুলো সহজ শর্তে ঋণ দেয়। এতে নতুন উদ্যোক্তারা ব্যবসায় স্থাপনে উৎসাহিত হয়। মি. করিমও একটি ক্ষুদ্র শিল্পের মালিক। তাই ব্যাংক থেকে তিনি সহজেই প্রয়োজনীয় অর্থের সহায়তা পাবেন। তাই বলা যায়, ব্যবসায়ের পরিধি বাড়ানোর জন্য মি. করিমের জনতা ব্যাংক থেকেই ঋণ নেওয়া উচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
126

মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশের সাথে ব্যবস্থাপনার উৎপত্তির সহ-সম্পর্ক রয়েছে। শুরুতে ব্যবস্থাপনা ছিল পরিবার ও দলভিত্তিক। সভ্যতার বিকাশের সাথে সাথে সকল ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার ধারণা ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবস্থাপনার ধারণাটি ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে ব্যবসায়ী সমাজের ব্যবসা পরিচালনা পদ্ধতি থেকে। সাধারণভাবে বলতে গেলে, কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে অন্যদের দ্বারা প্রয়োজনীয় কাজ করিয়ে নেওয়ার কৌশলকে ব্যবস্থাপনা বলে। আলোচ্য অধ্যায়ে আমরা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার ধারণা, কার্যাবলি, এবং ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন উপাদান সম্পর্কে জানতে পারব।


এ অধ্যায়টি পাঠ শেষে আমরা-

  • ব্যবস্থাপনার ধারণা ও কার্যাবলি ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পরিকল্পনার ধারণা ও প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা করতে পারব।
  • সংগঠিতকরণের ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • নেতৃত্বের ধারণা ও প্রকারভেদগুলো বর্ণনা করতে পারব।
  • ভালো নেতার গুণাবলি চিহ্নিত করতে পারব।
  • ব্যবসায় অর্থায়নের ধারণা ও উৎসগুলো বর্ণনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

অধীনস্থ কর্মীদের পূর্ণ কার্যক্ষমতা ব্যবহারের লক্ষ্যে তাদেরকে কাজের প্রতি অনুপ্রাণিত বা উৎসাহিত করার প্রক্রিয়া হলো প্রেষণা।

মানুষের ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষাকে প্রভাবিত করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করার আগ্রহ তৈরি করা প্রেষণার উদ্দেশ্য। এটি কর্মীদের মানসিক অবস্থাকে প্রতিষ্ঠান ও কাজের প্রতি ইতিবাচক করে তোলে। এতে কাজের প্রতি কর্মীর মনোবল বাড়ে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
300
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব মাহিনের কাজটি হলো ব্যবস্থাপনা।

এর মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়া হয়। একজন ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ, যোগ্য কর্মী নিয়োগ, কর্মীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং দক্ষতা বাড়াতে কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। তাছাড়া তিনি কর্মীদের কাজের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য প্রেষণা দেন।

উদ্দীপকের জনাব মাহিন 'হাসি-খুশি নকশি ঘর'-এর মালিক। তিনি প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করেন। এরপর তিনি কর্মীদের কাজের জন্য দিক-নিদের্শনা ও পরামর্শ দেন। প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন বিবেচনা করে তিনি দক্ষ কর্মী নিয়োগ ও যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। এভাবে তিনি কর্মীদের দিয়ে কাজ করিয়ে প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জনের চেষ্টা করেন। এসব কাজ ব্যবস্থাপনার কার্যাবলির সাথে সম্পৃক্ত। তাই জনাব মাহিনের কাজটিকে ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত বলা যায়

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
324
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মাহিনের দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে 'হাসি-খুশি নকশি ঘর' স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের উপকরণ ও সম্পদসমূকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে প্রত্যাশিত ফল অর্জন করা যায়। একজন ব্যবস্থাপক দক্ষতার সাথে কাজ পরিচালনা করতে পারলেই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জন সহজ হয়। বর্তমানে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেই দক্ষ ব্যবস্থাপনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়।

উদ্দীপকের জনাব মাহিন অনেক ভেবে-চিন্তে প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করেন। আবার উকরণাদির যাতে সুষ্ঠু ব্যবহার হয় সেজন্য কর্মীদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেন। পণ্যের মান বাড়ানোর লক্ষ্যে তিনি দক্ষ কর্মী নিয়োগ দেন। প্রয়োজনে তিনি কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করেন।

জনাব মাহিনের কার্যকর দিক-নির্দেশনা ও পরিচালনায় প্রতিষ্ঠানটি সহজেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায়। তার দক্ষতার কারণেই মানবীয় (শ্রমিক-কর্মী) ও অমানবীয় (কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি) উপাদানের সদ্ব্যবহার হয়। এভাবেই 'হাসি-খুশি নকশি ঘর' স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
343
উত্তরঃ

নারী-পুরুষের ভিন্ন-ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে সচেতন থাকাকে 'জেন্ডার সচেতনতা' বলে।

একজন কর্মী নারী বা পুরুষ যাই হোক না কেন উভয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহানুভূতিশীল হতে হবে। এতে প্রতিষ্ঠানে নারী-পুরুষ পক্ষপাতহীন আচরণ বজায় রাখতে হবে। কারও প্রতি কোনো পক্ষপাতিত্ব না করাই জেন্ডার সচেতনতার মূল বিষয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews