মি. করিম একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা শেষে গ্রামে ফিরে নিজ চেষ্টায় একটি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের ভার তার হাতেই। ব্যবসায়িক দায়-দায়িত্ব নিজেই বহন করেন। অন্যদিকে মি. রহিমের প্রতিষ্ঠানের সদস্য সংখ্যা ২০ জন। তারা যৌথভাবে মূলধনের যোগান দেয় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। তবে যে কোনো একজন সদস্যের মৃত্যুতে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায়। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যে সকল প্রতিষ্ঠান দেশের আইন পরিষদের বিশেষ আইনের মাধ্যমে সরকারি নীতি ও আদর্শের আওতায় একটি স্বতন্ত্র ও স্বাধীন পরিচালনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পরিচালিত হয়, তাকে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বলে।

উত্তরঃ

উৎপাদন কাজ থেকে শুরু করে সংগঠনের যাবতীয় কাজ সংগঠক পরিচালনা করেন বলে তাকে শিল্পের চালক বলা হয়।
কোনো কিছু উৎপাদনের উদ্দেশ্যে সংগঠক উৎপাদন পরিকল্পনা গ্রহণপূর্বক উৎপাদনের প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ একত্রিত করেন। তারপর এগুলোর মধ্যে সমন্বয়সাধন করে যাবতীয় ঝুঁকি বহনসহ উৎপাদন কাজ পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান করেন। কারবার প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে উৎপাদিত দ্রব্য বাজারজাত করা পর্যন্ত সকল কাজের দায়িত্ব ও ঝুঁকি সংগঠকই বহন
করেন। এজন্য তাকে শিল্পের চালক বলা হয়। জাত্রামীন

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মি. রহিমের প্রতিষ্ঠানটি হলো একটি অংশীদারি কারবার।
সাধারণত লিখিত ও মৌখিক চুক্তির ভিত্তিতে দুই বা ততোধিক অংশীদার নিয়ে গঠিত কারবার বা সংগঠনকে অংশীদারি কারবার বলে। এ ধরনের কারবারে অংশীদারগণ চুক্তি অনুযায়ী লাভ-লোকসান বহন করে থাকে। তবে, মতবিরোধ দেখা দিলে কিংবা কোনো সদস্য মারা গেলে বা দেউলিয়া হলে এ কারবার আইনগতভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, মি. রহিম ও তার পরিচিত কয়েকজন মিলে চুক্তির ভিত্তিতে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। যেখানে তারা চুক্তি অনুযায়ী যৌথভাবে মূলধন সরবরাহ করেন। আবার, যে কোনো একজনের মৃত্যুতে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায়। তাই বলা যায়, মি. রহিমের প্রতিষ্ঠানটি একটি অংশীদারি কারবার।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মি. করিম এবং মি. রহিমের প্রতিষ্ঠানটি হলো যথাক্রমে একমালিকানা এবং অংশীদারি কারবার।
একমালিকানা কারবারে উদ্যোক্তা বা সংগঠক নিজেই এককভাবে ব্যবসায় পরিচালনা করেন। এজন্য এর সদস্য সংখ্যা একজনের বেশি হয় না। পক্ষান্তরে অংশীদারি কারবারে সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন ২ জন এবং সর্বাধিক ২০ জন হতে পারে। আবার ব্যাংকিং অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ জন, সদস্য হয়।
একমালিকানা কারবারে তথা মি. করিমের প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় মূলধন নিজের তহবিল থেকে সংগ্রহ করেন। তবে প্রয়োজনে ঋণের মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ করতে পারে। অন্যদিকে, অংশীদারি কারবার বা মি, রহিমের প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় মূলধন অংশীদারিগণের চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহকৃত অর্থ হতে সংগৃহীত হয়। তবে চুক্তিতে কিছু উল্লেখ না থাকলে অংশীদারিগণ সমান অনুপাতে মূলধন সরবরাহ করেন।
একমালিকানা কারবারে মালিক এককভাবে যাবতীয় ঝুঁকি বহন করেন এবং এককভাবে প্রয়োজনীয় সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। তাই এ কারবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ দ্রুত হয়। অন্যদিকে, অংশীদারি কারবারে সদস্যগণ পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তাই এক্ষেত্রে তুলনামূলক নির্ভুল সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

110
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর সুষ্ঠু সমন্বয় সাধনের কাজকে সংগঠন বলে।

209
উত্তরঃ

উৎপাদনের উপকরণগুলোকে সংগঠনের মাধ্যমে সমন্বয় করে উৎপাদন কাজটি সঠিকভাবে পরিচালনা করেন একজন সফল উদ্যোক্তা।
সংগঠন হলো এক কর্মনৈপুণ্য; বস্তুগত নয়। উদ্যোক্তাকেই এ কর্মনৈপুণ্য কাজে লাগানোর জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হয়। এছাড়া তিনি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো সংগ্রহ, তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন, মূলধন সংগ্রহ ও উৎপাদনক্ষেত্রে শ্রমবিভাগের মাত্রা নির্ধারণ করেন। আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থা ক্রমান্বয়ে বড় ও জটিল হয়ে পড়ায় সেখানে জনবল ও প্রযুক্তির ব্যবহার, বিনিয়োগ সমস্যার সমাধান এবং শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয়ে ব্যবস্থাপনার জন্য একটি স্বতন্ত্র ও অপরিহার্য উপাদান হিসেবে উদ্যোক্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এজন্যই আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থায় উদ্যোক্তাকেই সংগঠনের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

393
উত্তরঃ

বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ হওয়ায় ব্যক্তি পর্যায়ে মূলধন স্বল্পতার কারণে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকারি খাতের ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। নিচে তা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করা হলো-
বাংলাদেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান থাকায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগও পরিলক্ষিত হয়। তবে বেসরকারি খাতের পরিসর খুবই সীমিত। বেসরকারি উদ্যোগে ভারী শিল্প স্থাপন এখনও এদেশে ব্যাপক প্রসার ঘটেনি। কিন্তু মূলধন নিবিড় শিল্প বা ভারী শিল্প স্থাপন একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই এ ধরনের শিল্প স্থাপনে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। আবার, বেসরকারি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো মুনাফা অর্জন। এজন্য দেশে ধনী-গরিবের বৈষম্য দেখা দেয়। এছাড়া তাদের উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন হওয়ায় যে মুদ্রাস্ফীতির সৃষ্টি হয় তা নিয়ন্ত্রণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, বাংলাদেশে NGO-গুলোর কার্যক্রম খুবই সীমিত। এদের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম দ্বারা মুনাফা অর্জন করা। কিন্তু একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শুধু ক্ষুদ্র পরিসরে চিন্তা করলে চলবে না। আবার, সমবায়সহ অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অনিয়ম ও উচ্চ মুনাফা আকাঙ্ক্ষার কারণে কিছু ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বার্থ অর্জিত হলেও জাতীয় স্বার্থ বিঘ্নিত হয়। তাই বাংলাদেশে খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা প্রভৃতিসহ অর্থনৈতিক অবকাঠামো নির্মাণে সরকারকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হয়।

659
উত্তরঃ

বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ উদ্যোগে কীভাবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ এগিয়ে যেতে পারে, তা নিচে উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করা হলো:
একটি দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সরকারি ও বেসরকারি উভয় উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে বেসরকারি উদ্যোগ সীমিত হলেও দেশের (বিশেষত গ্রামীণ) অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বাংলাদেশে এনজিওগুলো দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিতে পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক জ্ঞান দান, বিভিন্ন পেশার জন্য কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা, আত্মকর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম ইত্যাদি। এছাড়াও এনজিওগুলো গ্রামের বেকার যুবক-যুবতীদেরকে মাছ চাষ, ফল ও ফুলের বাগান তৈরি, হাঁস-মুরগি পালন ও তার প্রশিক্ষণ, স্থানীয় সম্পদ ব্যবহার করে কুটিরশিল্প স্থাপন, পানের বরজ তৈরি, মৌমাছি চাষ ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাতে-কলমে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। অন্যদিকে, সমবায় প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যক্তি স্বার্থের পরিবর্তে সমষ্টিগত স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে বৃহদায়তনে উৎপাদন পরিচালনা করতে পারে। এতে দেশীয় সম্পদের সুষম বণ্টন হবে, মধ্যস্থ ব্যবসায়ীর দৌরাত্ম্য হ্রাস পাবে এবং সর্বোপরি সামাজিক উন্নয়ন দ্বারা দেশ এগিয়ে যাবে। পাশাপাশি। উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি হ্রাস করতে পারলে সরকারি খাতের অবদান আরও বৃদ্ধি পাবে।
এভাবে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগ আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

218
উত্তরঃ

একজন সংগঠক উৎপাদনের সকল উপাদানকে সংগ্রহ ও সমন্বিত করে উৎপাদনকে সফল করে।
উৎপাদন ক্ষেত্রে কোনো কিছু উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ, সমন্বয়-সাধন, পরিকল্পনা প্রণয়ন, মৌলিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো একজন সংগঠককে পরিচালনা করতে হয়। আর এগুলো দক্ষতার সাথে না করতে পারলে উৎপাদন ব্যাহত হবে। তাই বলা হয়, সংগঠকের দক্ষতার ওপর একটি সংগঠনের সাফল্য নির্ভর করে।

353
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews