যিনি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনাকার্য পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করেন তিনিই ব্যবস্থাপক।
ব্যবস্থাপনার সর্বজনীনতা বলতে সকল ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার আবশ্যকতা বা ব্যবস্থাপনা জ্ঞানের প্রয়োগযোগ্যতাকে বোঝানো হয়ে থাকে।
ব্যবস্থাপনার কাজের ধরন ও প্রকৃতি অবস্থাভেদে কিছুটা ভিন্ন হলেও মৌলিকত্বের বিচারে তেমন কোনো ভিন্নতা নেই। পরিবার, রাষ্ট্র এমনকি বিশ্বের সকল দেশের সকল প্রতিষ্ঠানে, সকল সাংগঠনিক স্তর, সংগঠনের সকল কাজের ক্ষেত্রে, ক্ষুদ্রায়তন-বৃহদায়তন সকল প্রতিষ্ঠানে উদ্দেশ্য অর্জনের প্রধান হাতিয়ার হলো ব্যবস্থাপনা। ব্যবস্থাপনার সর্বজনীনতা বলতে মূলত বিশ্বজুড়ে সর্বক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার প্রয়োগযোগ্যতা ও কার্যকারিতাকে বোঝানো হয়। তাই বলা যায় ব্যবস্থাপনা একটি সর্বজনীন বিষয়।
মি. জুনায়েদ কর্তৃক কর্মীদের প্রদত্ত অপর্যাপ্ত পারিশ্রমিক দানের সাথে ব্যবস্থাপনার প্রেষণা কাজের মিল রয়েছে।
প্রেষণা হলো প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্যার্জনের জন্য প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মীদের কার্যক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহারের লক্ষ্যে অনুপ্রাণিত, উৎসাহিত ও প্ররোচিত করার প্রক্রিয়া। পারিশ্রমিক হলো একটি আর্থিক প্রেষণা। কর্মীদের কাজের বিনিময়ে যে সম্মানী দেওয়া হয় তাকে পারিশ্রমিক বলে। ন্যায্য পারিশ্রমিকের পরিমাণ বেশি হলে কর্মীরা কাজে উৎসাহ পায়।
উদ্দীপকে মি. জুনায়েদ কর্মীদের পর্যাপ্ত পারিশ্রমিক প্রদান করেন না। ফলে কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এর ফলে কর্মীদের কর্মদক্ষতা হ্রাস পায় এবং সেই সাথে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনের পরিমাণ ও মান হ্রাস পায়। তাই বলা যায়, মি. জুনায়েদ কর্তৃক কর্মীদের প্রদত্ত অপর্যাপ্ত পারিশ্রমিক দানের সাথে ব্যবস্থাপনার প্রেষণা কাজের মিল রয়েছে।
উদ্দীপকে উৎপাদনের পরিমাণ ও মান বৃদ্ধিতে মি. জুনায়েদের কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধির সিদ্ধান্তটি যথার্থ।
প্রেষণা হলো একটি মানসিক প্রক্রিয়া। মানসিক উৎসাহ বৃদ্ধির মাধ্যমে কার্য আদায়ে প্রেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এজন্য মি. জুনায়েদ প্রতিষ্ঠানের সকল আর্থিক অনার্থিক উপাদান নিশ্চিত করে সুষ্ঠু উৎপাদন পরিবেশ সৃষ্টি করবেন। কর্মীদের প্রেষণা অর্থাৎ আর্থিক- অনার্থিক উপাদান নিশ্চিত করলে তারা মনোযোগের সাথে কাজ করবে, যা তাদের মনোবল বৃদ্ধি করবে। ফলে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।
কর্মীরা মনোযোগের সাথে কাজ করলে জনশক্তিসহ অন্যান্য সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার সম্ভব হবে। কর্মীরা তাদের সর্বশক্তি দিয়ে উৎপাদনের পরিমাণ ও মান বাড়াতে চেষ্টা করবে। কর্মীদের মনোবল উন্নত থাকলে তারা ব্যাপক গবেষণাকার্যে নিয়োজিত হয়ে নতুন নতুন উদ্ভাবনে সক্ষম হবে। জুনায়েদের প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনের পরিমাণ ও মান বৃদ্ধিতে কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি করতে হবে।
তাই বলা যায়, মি. জুনায়েদের কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত যথার্থ হয়েছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!