প্রতি একক উৎপাদনের সাথে সাথে যে ব্যয় সমান হারে বৃদ্ধি পায় তাকে পরিবর্তনশীল ব্যয় বলে।
বৃহদায়তন এন্টারপ্রাইজে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব হয়।
উৎপাদনকারী শিল্পের ক্ষেত্রে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি ও কারখানা ভরন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ২৫০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে তাকে বৃহদায়তন এন্টারপ্রাইজ বলে। সেবামূলক বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মূলধনের পরিমাণ ১৫ কোটি টাকার অধিক বা শ্রমিক সংখ্যা ১০০ জনের অধিক হয়ে থাকে। এরূপ প্রতিষ্ঠানে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য পরিচালকমণ্ডলী এমনকি ব্যবসায় সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে হয়। ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত মি. নজরুলের প্রতিষ্ঠানটি উৎপাদন মাত্রা ! বিবেচনায় ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান।
উৎপাদনকারী শিল্পের বেলায় কোনো শিল্পের ভূমি ও কারখানা দালান বাদে স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য ন্যূনপক্ষে ৫০ লাখ থেকে ১০ কোটি টাকা অথবা শ্রমিকের সংখ্যা ২৫ থেকে ৯৯ জনের মধ্যে সীমিত থাকে তাকে ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান বলে।
উদ্দীপকের মি. নজরুল ২ কোটি টাকা ও ৫০ জন শ্রমিক নিয়ে একটি | সাবান কারখানা স্থাপন করেন। বিদ্যমান জনবল ও যন্ত্রপাতির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে তিনি প্রতিদিন সর্বাধিক সাবান উৎপাদন করতে পারেন। এখানে লক্ষণীয় যে, মি. নজরুলের প্রতিষ্ঠানটির মূলধনের পরিমাণ ৫০ লাখ থেকে ১০ কোটি টাকার মধ্যে এবং শ্রমিক সংখ্যা ২৫ থেকে ৯৯ জনের মধ্যে, যা ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানের বৈশিষ্ট্যের সাথে | সাদৃশ্যপূর্ণ। সুতরাং মি. নজরুলের প্রতিষ্ঠানটি একটি ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান।
বর্ধিত চাহিদা পূরণ করতে মি. নজরুলের সম্ভাব্য পদক্ষেপ হিসেবে সংগঠন কাঠামো পরিবর্তন করে মাঝারি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে।
২০১০ সালের শিল্পনীতি অনুযায়ী, কোনো শিল্পের স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (ভূমি ও কারখানা ভবন বাদে) ন্যূনপক্ষে ১০ কোটি থেকে ৩০ কোটি টাকা অথবা শ্রমিকের সংখ্যা ১০০ জন থেকে ২৫০ জন থাকলে তাকে মাঝারি প্রতিষ্ঠান বলে।
উদ্দীপকে মি. নজরুলের সাবান কারখানাটি একটি ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান। উক্ত প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান জনবল ও যন্ত্রপাতির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে তিনি প্রতিদিন সর্বাধিক সাবান উৎপাদন করতে পারেন। ফলে ক্রেতাগণ
উন্নতমানের সাবান সর্বনিম্ন মূল্যে ক্রয় করতে পারে। বর্তমানে চাহিদা ব্যাপক হওয়ায় বর্ধিত চাহিদা পূরণের জন্য মি. নজরুল উৎপাদন বৃদ্ধির চিন্তা করছেন। এক্ষেত্রে তিনি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য তার ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানে আরও অতিরিক্ত মূলধন বিনিয়োগ করে এবং শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে মাঝারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পারেন। এতে আগের তুলনায়
বেশি সাবান উৎপাদন অম্ভব হবে।
সুতরাং বলা যায়, বর্ধিত চাহিদা পুরণে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সাবান কারখানাটির কাঠামো পরিবর্তন করে ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান থেকে মাঝারি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে।
Related Question
View Allউৎপাদনের বিভিন্ন কলাকৌশল প্রয়োগ করে মোট যে পরিমাণ পণ্য উৎপাদন করা হয় তাকে উৎপাদনমাত্রা বলে।
কাম্যমাত্রায় উৎপাদন করা প্রতিষ্ঠানের জন্য লাভজনক।
কাম্য উৎপাদনমাত্রা হলো উৎপাদনের এমন একটি স্তর যেখানে সর্বনিম্ন ব্যয়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ পণ্য উৎপাদিত হয়। এই উৎপাদনযাত্রায় শুধু উৎপাদন ব্যয়ই সর্বনিম্ন হয় না; বরং উৎপাদনের অন্যান্য উপকরণেরও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয়। ফলে কাম্য উৎপাদনমাত্রায় প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি গড় উৎপাদন ব্যয় এককপ্রতি সর্বনিম্ন হয়, এতে প্রতিষ্ঠানের এককপ্রতি মুনাফা বেশি হয়ে সামগ্রিক মুনাফা বৃদ্ধি পায়। তাই বলা যায়, কাম্য উৎপাদনমাত্রা প্রতিষ্ঠানের জন্য লাভজনক।
উৎপাদনযাত্রার ধরণ অনুযায়ী 'বোমা ফেব্রিক্স বর্তমানে বৃহদায়তন শিল্প শিল্পনীতি ২০১০ অনুযায়ী।
উৎপাদন শিল্পের ক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠানের জমি ও কারখানা ভবন ব্যাতীত স্বারী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক এবং শ্রমিকের সংখ্যা ১৫০ জনের অধিক তাকে বৃহদায়তর শিল্প বলে। এ ধরনের শিল্পে পর্যান্ত মূলধন, ব্যাপক কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সামর্থ্য এবং প্রচুর জনবল বিদ্যমান থাকে।
উদ্দীপকে 'সোমা ফেব্রিক্স' একটি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠানটিতে ২০১৬ সালে মোট স্বারী সম্পদের মূল্য ছিল ২৭ কোটি টাকা এবং শ্রমিকসংখ্যা ছিল ২১৫ জন। সম্প্রতি বাজাবে তাদের উৎপাদিত পোশাকের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংক থেকে ১০ কোটি টাকার ঋণ সংগ্রহ করে এবং আরও ৫৫ জন নতুন শ্রমিক নিয়োগ করে। এতে তাদের মোট সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ৩৭ কোটি টাকা এবং শ্রমিকসংখ্যার পরিমাণ ২৭০ জন। উপ্ত সম্পদ ও শ্রমিকসংখ্যার পরিমাণের সাথে বৃহদায়তন শিল্পের ফিল রয়েছে। তাই বলা যায়, উৎপাদনযাত্রার ধরন অনুযায়ী 'সোমা ফেব্রিক্স' বর্তমানে বৃহদায়তন
উদ্দীপকে সোমা ফেব্রিক্স হলো বৃহদায়তন শিল্প এবং রিতা ফেরিঙ্গ হলো ক্ষুদ্র শিল্প শিল্পনীতি ২০১০ অনুযায়ী। এ দুটি শিল্পের মধ্যে সোনা ফেব্রিক্স দেশের কর্মসংস্থানে বেশি অবদান রাখতে।
উৎপাদন শিল্পের ক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠানের জনি ও কারখানা ভবন বারীত স্বায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক এবং শ্রমিকের সংখ্যা ২৫০ জনের অধিক তাকে বৃহদায়তর শিল্প বলে। উৎপাদন শিল্পের ক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠানের জমি ও কারখানা ভরণ ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৫০ লক্ষ থেকে ১০ কোটি টাকা এবং শ্রমিকের সংখ্যা ২৫-৯৯ জনের মধ্যে থাকে তাঁকে স্কুল শিল্প বলে।
উদ্দীপকে 'সোমা ফেব্রিক্স' একটি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমানে মোট সম্পদের মূল্য হলো ৩৭ কোটি টাকা এবং শ্রমিকসংখ্যার পরিমাণ ২৭০ জন। তাদের প্রতিষ্ঠানটির সাবে বৃহদায়তন শিল্পের মিল থাকায় তাদের প্রতিষ্ঠানটি একটি বৃষনায়তন
উৎপাদনের বিভিন্ন কলাকৌশল প্রয়োগ করে মোট যে পরিমাণ পণ্য উৎপাদন করা হয় তাকে উৎপাদনমাত্রা বলে।
উৎপাদন শিল্পের ক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠানের জমি ও কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৫০ লক্ষ থেকে ১০ কোটি টাকা এবং শ্রমিকের সংখ্যা ২৫-৯৯ জনের মধ্যে থাকে তাকে ক্ষুদ্র শিল্প বলে (শিল্পনীতি ২০১০ অনুযায়ী)।
উদ্যোক্তা নিজেই সাধারণত এ ধরনের ব্যবসায় পরিচালনা করে। তাই যেকোনো পরিস্থিতিতে উদ্যোক্তা খুব সহজে ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। অন্য পক্ষের কাছে কোনো ধরনের জবাবদিহিতা না থাকায় উদ্যোক্তা নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এতে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারায় প্রতিষ্ঠানের সফলতা অর্জন করা সহজ হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!