'One stop service' বলতে একজন ব্যাংক কর্মকর্তার কাছ থেকে গ্রাহকের প্রয়োজনীয় সার্ভিস লাভকে বোঝায়।
হুকুম চেকে বৈধ অনুমোদনের দরকার হয়।
কারও কাছে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে চেকের পিঠে স্বাক্ষর করাকে সাধারণভাবে চেকের অনুমোদন বলে। এর উদ্দেশ্য হলো নির্দিষ্ট ব্যক্তি যেন অর্থ পেতে পারে এবং জালিয়াতির সম্ভাবনা না থাকে তা নিশ্চিত করা। এক্ষেত্রে প্রাপক যদি অনুমোদন স্বাক্ষর যথাযথভাবে না দিয়ে হস্তান্তর করে তবে অর্থ প্রদানে ঝুঁকি বাড়ে। সে কারণে হুকুম চেকে অনুমোদন অপরিহার্য।
উদ্দীপকে উল্লেখিত বিনিময় হার নির্ধারণে ক্রয় ক্ষমতার সমতা তত্ত্বটি অনুসরণ করা হয়েছিল।
দুটি দেশের মুদ্রার ক্রয় ক্ষমতার ভিত্তিতে মুদ্রার বিনিময় হার নির্ধারণ সংক্রান্ত তত্ত্বই ক্রয়ক্ষমতার সমতা তত্ত্ব।
উদ্দীপকে মি. মিশাল একজন আমদানিকারক। তিনি বিভিন্ন দেশ থেকে খাদ্য সামগ্রী আমদানি করেন। সম্প্রতি আমদানিকৃত পণ্যের সাথে পাঁচ কার্টন চকলেট আসে। যার মূল্য ২০০ ডলার। পরবর্তীতে মি. মিশাল চকলেট কার্টনটি বিশ হাজার টাকায় দেশীয় বাজারে বিক্রি করেন। এক্ষেত্রে মুদ্রার অভ্যন্তরীণ ক্রয় ক্ষমতা দ্রব্যমূল্য দ্বারা নির্ণয় করা হয়েছে। সুতরাং ২০০ ডলারে চকলেটের কার্টনটি যুক্তরাষ্ট্রে কেনা যায়, যা আমাদের দেশে কিনতে বিশ হাজার টাকা প্রয়োজন। এমতাবস্থায় টাকার এবং ডলারের বিনিময় হার ২০০ ডলার সমান বিশ হাজার টাকা। এক্ষেত্রে পণ্যের ক্রয় ক্ষমতার সমতা তত্ত্বটিই বিনিময় হার নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ডলারের মূল্য বৃদ্ধি বিনিময় হার নির্ধারণের চাহিদা ও যোগান তত্ত্ব অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত হয়েছে।
চাহিদা ও যোগান তত্ত্ব অনুযায়ী মুদ্রার চাহিদা ও যোগানের ভিত্তিতে বিনিময় হার নির্ধারিত হয়। এক্ষেত্রে চাহিদা ও যোগান যে ভারসাম্য বিন্দুতে অবস্থান করবে সে বিন্দুতেই বিনিময় হার নির্ধারিত হয়।
উদ্দীপকে মি. মিশাল পণ্য আমদানির জন্য প্রত্যয়পত্র সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ব্যাংকে গেলেন। তবে ব্যাংকে গিয়ে জানতে পারেন আগের তুলনায় বেশি টাকা জমা দিয়ে তাকে প্রত্যয়পত্র ইস্যু করতে হবে। এর কারণ জানতে চাইলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিগত ৩ দিন হরতাল থাকায় ডলারের মূল্য বেড়েছে বলে জানায়। সুতরাং এক্ষেত্রে ডলার ও টাকার পূর্ব নির্ধারিত বিনিময় হারে কমেছে। ডলারের চাহিদা ও যোগানের ওপর ভিত্তি করে মূলত টাকায় এর বিনিময় হার নির্ধারিত হয়। চাহিদা ও যোগান রেখা যে বিন্দুতে মিলিত হয় সে বিন্দুর বিনিময় হার দ্বারা টাকার বিনিময়ে ডলার গ্রহণ করা যায়। তবে উদ্দীপকের সংঘটিত পরিস্থিতিতে বিনিময় হার পরিবর্তিত হয়েছে। কারণ হরতালের কারণে ডলারের যোগান থাকলেও চাহিদা ছিল না। আর বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা যখন কমে তখন দেশের অভ্যন্তরে বৈদেশিক মুদ্রার দাম বাড়ে। এজন্য ডলার কিনতে বেশি টাকা পরিশোধ করতে হয়। এটি নতুন বিনিময় হার নির্ধারণ করে। তাই উদ্দীপকের পরিস্থিতি বিচারে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি যৌক্তিক হয়েছে।
Related Question
View Allবিদেশে কর্মরত শ্রমিক-কর্মী বিদেশ থেকে দেশে যে অর্থ পাঠায় তাকে রেমিটেন্স বলে।
কোনো প্রত্যয়পত্র জামানত হিসেবে জমা রেখে ব্যাংক যে নতুন প্রত্যয়পত্র ইস্যু করে তাকে ব্যাক টু ব্যাক প্রত্যয়পত্র বলা হয়।
এটি একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল। এ ধরনের প্রত্যয়পত্রে গ্রহীতা জামানত হিসেবে আরেকটি প্রত্যয়পত্র জমা রাখে। তবে কোনো নগদ টাকা জমা রাখতে হয় না। এ ধরনের প্রত্যয়পত্র বেশি জনপ্রিয়।
উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যাংক দলিলযুক্ত প্রত্যয়পত্র ইস্যু করে।
যে প্রত্যয়পত্রে রপ্তানিকারককে মালের চালানি রসিদ, বহনপত্র, বিমাপত্র ইত্যাদি সংযুক্ত করে বিল উপস্থাপন করা হয় তা-ই দলিলযুক্ত প্রত্যয়পত্র। এসব দলিল যুক্ত না থাকলে বিলে স্বীকৃতি দেওয়া হয় না। এটি আমদানিকারকের পক্ষে এবং রপ্তানিকারকের অনুকূলে ব্যাংক ইস্যু করে থাকে।
উদ্দীপকে জনাব মামুন একজন রপ্তানিকারক। তিনি আমেরিকার একজন আমদানিকারকের কাছ থেকে ১,০০০ পিস শার্টের অর্ডার পেয়েছেন। ব্যাংক ক্রেতার পক্ষে ও মামুনের অনুকূলে একটি দলিল ইস্যু করে। দলিলের শর্ত ছিল বিল উপস্থাপনের সময় মালের চালানি রসিদ, বহনপত্র ও বিমাপত্র সংযুক্ত করতে হবে। উদ্দীপকে বর্ণিত দলিলটির সাথে 'দলিলযুক্ত প্রত্যয়পত্রের' বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ মিলে যায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের দলিলটি একটি দলিলযুক্ত প্রত্যয়পত্র ছিল।
পণ্যের মূল্য গ্রহণে জনাব মামুনের ক্রয়ক্ষমতার সমতা তত্ত্ব থেকে চাহিদা ও যোগান তত্ত্ব সমর্থন করা সম্পূর্ণ যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।
বিনিময়ের হার নির্ধারণের জন্য বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি রয়েছে। ক্রয়ক্ষমতার সমতা তত্ত্বে পণ্যের ক্রয়ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়। আবার চাহিদা ও যোগান তত্ত্বে দুটি দেশের বিনিময় হার তাদের মুদ্রার পারস্পরিক চাহিদা ও যোগানের ওপর নির্ভর করে।
উদ্দীপকে জনাব মামুন আমেরিকার একজন ক্রেতার কাছ থেকে শার্টের ক্রয়াদেশ পান। তিনি ডলারের সাথে টাকার ক্রয়ক্ষমতার হ্রাস-বৃদ্ধির মাধ্যমে পণ্যের মূল্য পরিশোধকে পছন্দ করেন না। বরং মূল্য পরিশোধে মুদ্রার চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ হিসাবের মাধ্যমে পণ্যের মূল্য গ্রহণে আগ্রহী। এক্ষেত্রে জনাব মামুন ক্রয়ক্ষমতা তত্ত্ব থেকে চাহিদা ও যোগান তত্ত্বকে বেশি প্রাধান্য দেন।
চাহিদা ও যোগান তত্ত্ব মুদ্রার বিনিময় হার নির্ধারণের সবচেয়ে আধুনিক তত্ত্ব। এ পদ্ধতিতে দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান পণ্যের আমদানি-রপ্তানিকে বিবেচনা করা হয়। ফলে লেনদেনে ভারসাম্য থাকে। তাছাড়া সারা বিশ্বে এটি বিনিময় হার নির্ধারণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত। তাই বলা যায়, পণ্যের মূল্য গ্রহণে জনাব মামুনের সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ সঠিক।
যে পত্রের মাধ্যমে ব্যাংক আমদানিকারকের পক্ষে রপ্তানিকারকের অনুকূলে আমদানি করা পণ্যের মূল্য পরিশোধের নিশ্চয়তা দেয় তাকে প্রত্যয়পত্র বলে।
বিশ্বায়নের ফলে ব্যবসায় বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসার হওয়ায় বৈদেশিক বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বৈদেশিক বিনিময় বলতে এক দেশের সাথে অন্য দেশের অর্থ ও পণ্যের বিনিময়কে বোঝায়। বিশ্বায়নের ফলে পুরো পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয় এসে পড়েছে। ফলে দেশগুলোর মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের অনেক প্রসার ঘটেছে। আর ব্যবসায় বাণিজ্যের এসব লেনদেন নিষ্পত্তিতে বৈদেশিক বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!