ভোক্তাদের নিকট থেকে তাৎক্ষণিক সাড়া পাওয়ার প্রত্যাশায় ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি যোগাযোগ করে দীর্ঘমেয়াদি ক্রেতা সম্পর্ক | গড়ে তোলার কার্যক্রমকে প্রত্যক্ষ বিপণন বলে।
ক্রেতাদের সাথে টেলিফোনের মাধ্যমে সরাসরি যোগাযোগ করে পণ্য বিক্রয়ের প্রচেষ্টাকে টেলিমার্কেটিং বলে।
সাধারণত টেলিফোন ডাইরেক্টরি অথবা নির্ভরযোগ্য ক্রেতা অথবা টার্গেট মার্কেট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এরূপ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। টেলিমার্কেটিং কার্যক্রমে ই-মেইল সংযোগ সুবিধা গ্রহণ করা হলেও যোগাযোগ কার্যক্রমের উভয় প্রান্তে ব্যক্তির উপস্থিতি আবশ্যক । অর্থাৎ এক্ষেত্রে Person to person যোগাযোগ রক্ষা করা হয়।
উদ্দীপকের 'কানন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর' খুচরা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান।
যে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান পাইকার বা অন্য কোনো উৎস হতে পণ্য ক্রয় করে বা সংগ্রহ করে চূড়ান্ত ভোক্তাদের নিকট বিক্রি করে তাকে খুচরা ব্যবসায় বলে।
উদ্দীপকে মি. রউফ 'কানন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর' নামে বড় আকারের একটি বিপণি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বিভিন্ন উৎপাদকের নিকট থেকে | অধিক পরিমাণে পণ্যদ্রব্য ক্রয় করে গুদামজাতকরণের মাধ্যমে তার বিপণিতে চূড়ান্ত ক্রেতাদের নিকট পর্যায়ক্রমে বিক্রয় করেন। অর্থাৎ তিনি ভোক্তাদের অতি নিকটে অবস্থান করেন এবং ভোক্তাদের পছন্দ, রুচি ও ইচ্ছা অনুযায়ী পণ্য ও সেবা সরবরাহ করেন। এ লক্ষে তিনি তিনজন বিক্রয়কর্মী নিয়োগ করেন এবং চূড়ান্ত ক্রেতা বা ভোক্তাদের সাথে সর্বদা সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করেন। এ অর্থে 'কানন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর'কে একটি খুচরা ব্যবসায় হিসেবে গণ্য করা যায়।
বর্তমানে 'কানন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর'-এর Online-এ অর্ডার নেওয়ার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত বলে আমি মনে করি
বর্তমানে অনলাইন বিপণনের ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। পারস্পরিক ক্রিয়াশীল অনলাইন কম্পিউটার পদ্ধতির মাধ্যমে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে ইলেক্ট্রনিক উপায়ে যোগাযোগের প্রক্রিয়াকে অনলাইন বিপণন বলে।
উদ্দীপকের 'কানন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর' বিভিন্ন উৎপাদকের কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করে সংশ্লিষ্ট পণ্য গুদামজাত করে পর্যায়ক্রমে বিক্রি করে। স্টোরটি গোপন ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় শুধু ৩ জন বিক্রয়কর্মী দোকান চালায়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ভোক্তাদের চাহিদা ও সময়ের কথা বিবেচনা করে Kanan.com নামে ওয়েবসাইট খুলে Online-এ পণ্যের অর্ডার গ্রহণ ও সরবরাহ করে। তাদের ওয়েবসাইটে তারা প্রতিষ্ঠান ও পণ্য সম্পর্কে নানান তথ্য সংরক্ষণ করে। ক্রেতারা উক্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার পছন্দের পণ্য ক্রয়ের ফরমায়েশ প্রদান করে। পরবর্তীতে বিক্রেতা । অনলাইনে মূল্য প্রাপ্তির পর উক্ত পণ্য নিজ দায়িত্বে ক্রেতার ঠিকানায় পৌছিয়ে দেয়। এতে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই লাভবান হয়।
সুতরাং, 'কানন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর'-এর Online-এ অর্ডার নেওয়ার ৭। সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী এবং যৌক্তিক।
Related Question
View Allআন্তঃক্রিয়াশীল অনলাইন কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে ইলেকট্রনিক উপায়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে যে যোগাযোগ স্থাপিত হয় তাকে অনলাইন মার্কেটিং বলে।
যে বিপণন মতবাদে পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় তাকে গ্রিন মার্কেটিং বলে।
গ্রিন মার্কেটিং পরিবেশবান্ধব পণ্য বিপণনকে উৎসাহিত করে। এটি এমন একটি ধারণা বা মতবাদ যেখানে পণ্য বিপণনের ক্ষেত্রে পরিবেশের নিরাপত্তার বিষয়টিকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়। এই মতবাদে পণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়াটি এমন হতে হবে যেন তা পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে। আবার পণ্যের মোড়কীকরণ এমন হবে যেন তা পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে। অন্যদিকে পরিবেশের কোনো ক্ষতি না হয় এ দিকটিকে লক্ষ রেখে পণ্যের বণ্টনকার্য পরিচালনা করতে হয় বলে বলা যায় গ্রিন মার্কেটিং পরিবেশবান্ধব বিপণনকে উৎসাহিত করে।
উদ্দীপকের 'জিপান' একটি চেইন স্টোর।
একই মালিকানা ও পরিচালনায় দেশের বা শহরের বিভিন্ন স্থানে শাখা খুলে উৎপাদনকারীর উৎপাদিত পণ্য ভোক্তাদের নিকট বিক্রয়কারী
প্রতিষ্ঠানকে চেইন স্টোর বা বিপণিমালা বলে। যেমন- স্বপ্ন, আগোরা, মীনা বাজার ইত্যাদি।
উদ্দীপকের মি. জিতু বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর বাণিজ্যিক কেন্দ্রে 'জিপান' নামে ২৫টি বিপণি প্রতিষ্ঠা করেন; যার পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান তিনি নিজেই করেন। তিনি 'জিপান' বিপণিতে বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন ব্র্যান্ডের উন্নতমানের পণ্যসামগ্রী একই নীতি অনুসরণ করে বিক্রয় করেন। অর্থাৎ 'জিপান' বিপণির সকল কর্মকান্তই চেইন স্টোরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই 'জিপান' বিপণি একটি চেইন স্টোর।
উদ্দীপকের মি. জিতুর বিভাগীয় বিপণি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ব্যবসায় সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত সঠিক ও বাস্তবসম্মত।
একই দালানে অবস্থিত ও একই মালিকানায় পরিচালিত বিভিন্ন পণ্য পৃথক পৃথক বিভাগের মাধ্যমে কোনো বৃহদায়তন খুচরা বিপণির মাধ্যমে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা হলে তাকে বিভাগীয় বিপণি বলে। যেমন- বাংলাদেশের আড়ং একটি বিভাগীয় বিপণি।
উদ্দীপকের মি. জিতু জাপান থেকে এসে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে 'জিপান' নামে ২৫টি চেইন স্টোর প্রতিষ্ঠা করেন। তার দক্ষ পরিচালনার ফলে 'জিপান' অল্পদিনের মধ্যেই বেশ লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। পরবর্তীতে তিনি ব্যবসায় সম্প্রসারণের চিন্তা করেন এবং ঢাকা শহরে নতুন একটি বিল্ডিং ভাড়া নিয়ে পৃথক পৃথক বিভাগের মাধ্যমে পণ্যসামগ্রী বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অর্থাৎ তিনি চেইন স্টোরের মাধ্যমে সফলতা অর্জনের পর একটি আধুনিক বিভাগীয় বিপণি প্রতিষ্ঠা করে ব্যবসায়কে আরও সম্প্রসারণ ও লাভজনক করতে চাচ্ছেন। এক্ষেত্রে যেহেতু 'জিপান' বিপণির ব্যাপক - সুনাম রয়েছে, তাই নতুন বিভাগীয় বিপণিটিও ক্রেতাদের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করতে পারবে এবং ব্যবসায়িকভাবেও সফল হবে বলে আশা করা যায়।
সুতরাং, সার্বিক বিষয়াদি বিবেচনায় মি. জিতুর ব্যবসায় সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তটি সঠিক ও বাস্তবসম্মত হয়েছে।
যে মার্কেটিং মতবাদে বর্তমান মার্কেটিং চিন্তা-চেতনা এবং কার্যক্রমে, পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে, পণ্য মোড়কীকরণে এবং পণ্য বইনে পরিবেশের কোনো ক্ষতি করবে না এমন নিশ্চয়তা দেওয়া হয়, তাকে গ্রিন মার্কেটিং বলে।
কোনো প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সরবরাহকৃত ক্যাটালগ দেখে ক্রেতারা পণ্য নির্বাচন করে মেইলের মাধ্যমে অথবা টেলিফোনে পণ্য সরবরাহের অর্ডার প্রদান করলে, তাকে ক্যাটালগ মার্কেটিং বলা হয়।
ক্যাটালগ মার্কেটিং পদ্ধতিটি সর্বপ্রথম ১৮৭২ সালের ফ্রান্সের Montgomery Ward এ বসবাসকারী পরিবারের জন্য চালু করা হয়। শুরুতে ক্যাটালগগুলো ছাপানো অবস্থায় সরবরাহ করা হলেও বর্তমানে তা ইলেকট্রনিক্স মাধ্যমে প্রচার করা হয়। ক্যাটালগ মার্কেটিং-এ বিজ্ঞাপনের সহায়তা গ্রহণ করা হলে তা অধিক কার্যকরী হয়। আমাদের দেশে মেশিনারি পণ্য বিক্রয়, কোচিং সেন্টারের প্রচার ইত্যাদি ক্ষেত্রে ছাপানো ক্যাটালগ পদ্ধতি ব্যবহার লক্ষ করা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!