ই-লার্নিং (e-learning) হলো ইন্টারনেট (internet) বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক (electronic) মাধ্যম ব্যবহার করে জ্ঞান অর্জন করার একটি প্রক্রিয়া। এটি মূলত অনলাইন (online) প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল ডিভাইস (digital device) যেমন – কম্পিউটার (computer), ল্যাপটপ (laptop), ট্যাবলেট (tablet) ও স্মার্টফোন (smartphone) এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ (interactive) সফটওয়্যার (software) ব্যবহার করে শিক্ষা প্রদান ও গ্রহণ পদ্ধতিকে বোঝায়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো সময়ে নিজেদের সুবিধামতো পড়াশোনা করতে পারে। আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় ই-লার্নিং একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, বিশেষ করে দূরশিক্ষণ (distance learning) এবং স্ব-শিক্ষণ (self-learning) পদ্ধতিতে এর ব্যবহার ব্যাপক।
প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরাসরি রোগাক্রান্ত কোষে চিকিৎসা প্রদান বর্তমানে চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি যুগান্তকারী অগ্রগতি। একে টার্গেটেড থেরাপি (targeted therapy) বা লক্ষ্যভিত্তিক চিকিৎসা বলা হয়। এই পদ্ধতিতে সুস্থ কোষগুলোকে অক্ষত রেখে কেবল রোগাক্রান্ত বা অস্বাভাবিক কোষগুলোকে চিহ্নিত করে সেগুলোর উপর সুনির্দিষ্টভাবে চিকিৎসা প্রয়োগ করা হয়। এর ফলে চিকিৎসার কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।
এই ধরণের চিকিৎসার পেছনে প্রধানত যেসব প্রযুক্তি কাজ করছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- ন্যানোপ্রযুক্তি (Nanotechnology): ন্যানো আকারের কণা (nanoparticles) বা ন্যানোবট (nanobots) ব্যবহার করে ঔষধ সরাসরি রোগাক্রান্ত কোষের অভ্যন্তরে পৌঁছে দেওয়া যায়। যেমন, ক্যান্সার চিকিৎসায় এমন ন্যানো পার্টিকেল তৈরি করা হচ্ছে যা শুধু ক্যান্সার কোষগুলোকে শনাক্ত করে সেগুলোর উপর ঔষধ প্রয়োগ করে বা সেগুলোকে তাপ দিয়ে ধ্বংস করে, ফলে সুস্থ কোষগুলোর কোনো ক্ষতি হয় না। এটি ড্রাগ ডেলিভারি (drug delivery) ব্যবস্থাকে অনেক বেশি সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর করে তোলে।
- জিন থেরাপি (Gene Therapy) এবং জিন এডিটিং (Gene Editing): এই প্রযুক্তির সাহায্যে ত্রুটিপূর্ণ বা রোগ সৃষ্টিকারী জিনগুলোকে (faulty genes) সরাসরি কোষের মধ্যে সংশোধন বা প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হয়। CRISPR-Cas9 এর মতো অত্যাধুনিক জিন এডিটিং টুলস ব্যবহার করে সুনির্দিষ্ট ডিএনএ (DNA) অনুক্রম পরিবর্তন করে বংশগত রোগসমূহ নিরাময়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। এই পদ্ধতিগুলো কোষীয় পর্যায়ে রোগের মূল কারণকে লক্ষ্য করে চিকিৎসা করে।
এছাড়াও, উন্নত ইমেজিং প্রযুক্তি (advanced imaging technology), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (artificial intelligence) এবং বায়োসেন্সর (biosensors) ব্যবহার করে রোগাক্রান্ত কোষগুলোকে আরও নির্ভুলভাবে শনাক্ত করা যায় এবং চিকিৎসা কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা যায়। এই পদ্ধতিগুলো চিকিৎসা ব্যবস্থায় বিপ্লব আনছে এবং রোগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমিয়ে এনে রোগীর সুস্থতা দ্রুত নিশ্চিত করতে সাহায্য করছে।
“মি. রফিক দরজার সামনে দাঁড়ালে দরজাটি খুলে গেলেও শফিক হাত দিলেও দরজা খুলল না” এর কারণ সম্ভবত একটি আধুনিক বায়োমেট্রিক অ্যাক্সেস কন্ট্রোল সিস্টেম (Biometric Access Control System)। এই ধরনের ব্যবস্থায়, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কোনো ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত অনন্য বৈশিষ্ট্য (যেমন – মুখমণ্ডল, আঙ্গুলের ছাপ, রেটিনা স্ক্যান, কণ্ঠস্বর) ব্যবহার করে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
যখন মি. রফিক দরজার সামনে দাঁড়ালেন, তখন দরজাটিতে থাকা ফেস রিকগনিশন (Face Recognition) সেন্সর অথবা অন্য কোনো উপস্থিতি-ভিত্তিক বায়োমেট্রিক সেন্সর (Biometric Sensor) তার মুখমণ্ডল বা শারীরিক উপস্থিতি শনাক্ত করেছে। এই সিস্টেমে মি. রফিকের বায়োমেট্রিক ডেটা সম্ভবত পূর্বে থেকে নিবন্ধিত (registered) এবং অনুমোদিত (authorized) ব্যবহারকারী হিসেবে সংরক্ষিত ছিল। ফলে, সিস্টেম মি. রফিকের পরিচয় সফলভাবে যাচাই (authentication) করতে পেরেছে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে দরজা খোলার নির্দেশ দিয়েছে।
অন্যদিকে, শফিক যখন দরজায় হাত দিলেন, তখন সিস্টেমটি তার বায়োমেট্রিক তথ্য শনাক্ত করতে পারেনি অথবা তার তথ্য অনুমোদিত ব্যবহারকারী হিসেবে সিস্টেমের ডেটাবেজে (Database) নিবন্ধিত ছিল না। এই ধরনের সিস্টেমে শুধুমাত্র স্পর্শ বা উপস্থিতি দরজা খোলার জন্য যথেষ্ট নয়, বরং নির্দিষ্ট, নিবন্ধিত বায়োমেট্রিক তথ্যের সাথে মিল প্রয়োজন। তাই, সিস্টেম শফিককে অননুমোদিত ব্যবহারকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং দরজা খোলার অনুমতি দেয়নি।
এই ঘটনাটি স্মার্ট অ্যাক্সেস কন্ট্রোল সিস্টেমের (Smart Access Control System) একটি উদাহরণ, যা কেবল অনুমোদিত ব্যক্তিদেরই প্রবেশাধিকার প্রদান করে প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করে।
উফশী ধান (HYV - High-Yielding Variety Rice) হলো আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ভাবিত বিশেষ ধরনের ধান, যা প্রচলিত ধানের জাতের তুলনায় অনেক বেশি ফলন দিতে সক্ষম। এই ধানের জাতগুলো সাধারণত কম সময়ে পরিপক্ক হয়, প্রতিকূল পরিবেশ সহ্য করতে পারে এবং বিভিন্ন রোগ ও পোকামাকড়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা রাখে। এর আবিষ্কার বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
উফশী ধান আবিষ্কারের প্রযুক্তিটির কাজ করার পদ্ধতি:
উফশী ধান উদ্ভাবনের প্রক্রিয়াটি একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে, যা মূলত উদ্ভিদ প্রজনন (Plant Breeding) এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (Genetic Engineering) প্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত। এর প্রধান ধাপগুলো নিম্নরূপ:
- অভিজ্ঞ জাত নির্বাচন (Selection of Parent Varieties): প্রথমে উচ্চ ফলনশীলতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, খরা বা লবণাক্ততা সহনশীলতা ইত্যাদি কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ধানের জাত নির্বাচন করা হয়। গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো (যেমন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট - BRRI) বিভিন্ন উৎস থেকে ধানের জার্মপ্লাজম (Germplasm) সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে।
- সংকরায়ন (Hybridization/Cross-Pollination): নির্বাচিত দুটি ভিন্ন জাতের ধানের মধ্যে কৃত্রিম পরাগায়নের মাধ্যমে সংকরায়ন ঘটানো হয়। এর উদ্দেশ্য হলো দুটি জাতের ভালো বৈশিষ্ট্যগুলোকে একটি নতুন জাতে একত্রিত করা।
- অপত্য বংশ নির্বাচন (Selection of Offspring): সংকরায়নের ফলে উৎপন্ন বীজ থেকে চারা রোপণ করা হয়। এই চারাগুলো থেকে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উদ্ভিদগুলোকে বারবার নির্বাচন করা হয় এবং অবাঞ্ছিত উদ্ভিদগুলোকে বাদ দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়া কয়েক প্রজন্ম ধরে চলতে পারে।
- পরীক্ষামূলক চাষ (Field Trials): নির্বাচিত নতুন জাতের ধানগুলো বিভিন্ন পরিবেশে এবং কৃষকদের জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করা হয়। এর মাধ্যমে জাতটির ফলন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং স্থানীয় পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা যাচাই করা হয়।
- জাত অনুমোদন ও সম্প্রসারণ (Variety Release and Dissemination): সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর যদি নতুন জাতটি প্রত্যাশিত মান পূরণ করে, তবে সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এটিকে বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর কৃষকদের কাছে এই জাতের বীজ সহজলভ্য করা হয়। আধুনিককালে এই পুরো প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে বায়োটেকনোলজি (Biotechnology) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) যেমন - জেনেটিক ডেটা বিশ্লেষণ, দূর অনুধাবন (Remote Sensing) এবং ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (Database Management System) ব্যবহার করা হয়।
প্রযুক্তিটি কৃষিক্ষেত্রে যে সকল অবদান রাখছে:
উফশী ধান আবিষ্কারের প্রযুক্তি কৃষিক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে এবং নিম্নলিখিত প্রধান অবদানগুলো রাখছে:
- খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি (Increased Food Production): এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। উফশী ধানের উচ্চ ফলনশীলতার কারণে একই পরিমাণ জমি থেকে অনেক বেশি ধান উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে, যা দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণে সহায়ক।
- খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ (Ensuring Food Security): উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে দেশগুলোতে খাদ্য ঘাটতি কমেছে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। এটি দুর্ভিক্ষ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
- কৃষকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন (Improvement in Farmers' Livelihood): উচ্চ ফলনশীল ধান চাষ করে কৃষকরা অধিক অর্থ উপার্জন করতে পারছে, যা তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটিয়েছে এবং জীবনযাত্রার মান বাড়িয়েছে।
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি (Job Creation): কৃষিকাজে অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
- জমির সর্বোত্তম ব্যবহার (Optimal Land Utilization): কম জমিতে অধিক ফলন হওয়ায় কৃষিজমির উপর চাপ কমেছে এবং জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হয়েছে।
- রোগ ও পোকা প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবন (Development of Disease and Pest Resistant Varieties): এই প্রযুক্তির মাধ্যমে এমন জাত তৈরি করা সম্ভব হয়েছে যা বিভিন্ন রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে, ফলে ফসলের ক্ষতি কমেছে এবং কীটনাশকের ব্যবহারও কমানো সম্ভব হয়েছে।
- প্রতিকূল পরিবেশে অভিযোজন (Adaptation to Adverse Conditions): খরা, বন্যা, লবণাক্ততা ইত্যাদি প্রতিকূল পরিবেশ সহ্য করতে সক্ষম উফশী ধানের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে, যা বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত জরুরি।
- জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান (Contribution to National Economy): কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের জিডিপি (GDP) তে কৃষিখাতের অবদান বেড়েছে, যা সামগ্রিক জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছে।
Related Question
View Allভার্চুয়াল রিয়েলিটি হল কম্পিউটার সিমুলেশন এর সাহায্যে তৈরি ত্রিমাত্রিক পরিবেশ যা ব্যবহার কারীদের কাছে সত্য ও বাস্তব বলে মনে হয় একে সিমুলেশনের পরিবেশ ও বলা হয় কম্পিউটার প্রযুক্তি ও কোন করণ বিধায় প্রয়োগ কৃত্রিম পরিবেশকে এমন ভাবে তৈরি ও উপস্থাপন করা হয় যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য বাস্তব বলে মনে হয়।
Ans ইজরীরুহ না এইটা তো আমি ভালো নেই রাতে আমরা কি পারি নি এই জাগায় সময় আমার কি যে মজা লাগছিল
কৃত্রিম বুদ্ধিমতরা বলতে বোঝানো হয় তৈরি কৃত জ্ঞান যা আবদ্ধ একটি জ্ঞান। রোবটকে কিছু প্রোগ্রামিং দিয়ে কাজ করানো হয়। তাকে যেই কাজটি তার মধ্যে সেটআপ করা হয় বা তার মধ্যে তার ভিতরে যে কাজটি সেটআপ করা হয়েছে শুধু সেই কাজটি করতে পারে। আর মৌলিক গবেষণা অর্থাৎ মানুষের মস্তিষ্ক যা নিজ ইচ্ছামত কাজ করতে পারে তাই কৃত্রিম বুদ্ধিমাত্রায় মৌলিক গবেষণা সম্ভব নয়।
রোবোটিক্স (Robotics) হল বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের এমন একটি শাখা যেখানে রোবট তৈরির নকশা, নির্মাণ, কার্যক্ষমতা ও প্রোগ্রামিং নিয়ে কাজ করা হয়। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ইলেকট্রনিক্স, মেকানিক্স এবং কম্পিউটার সায়েন্সের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রযুক্তি।
রোবোটিক্সের প্রধান অংশ
১. যান্ত্রিক নকশা (Mechanical Design) – রোবটের শরীর বা কাঠামো গঠনের জন্য মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করা হয়।
২. ইলেকট্রনিক্স (Electronics) – সেন্সর, মোটর ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক উপাদানের সাহায্যে রোবটকে কার্যক্ষম করা হয়।
৩. প্রোগ্রামিং (Programming) – সফটওয়্যার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে রোবটের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
রোবোটিক্সের ব্যবহার
শিল্প কারখানা: স্বয়ংক্রিয় মেশিনের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানো হয়।
স্বাস্থ্যসেবা: সার্জারি রোবট ও চিকিৎসা সহায়তা রোবট ব্যবহার করা হয়।
গবেষণা ও মহাকাশ: মহাকাশ অনুসন্ধানে রোবটিক যান (যেমন, NASA-র মার্স রোভার) ব্যবহৃত হয়।
সেনাবাহিনী: সামরিক ড্রোন ও যুদ্ধক্ষেত্রে সহায়তা করার জন্য রোবট ব্যবহৃত হয়।
রোবোটিক্স দ্রুত উন্নতি করছে এবং ভবিষ্যতে এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠবে।
বিজ্ঞান ইঞ্জিনিয়ারিং উপযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত যে বিষয়টি উপর রোবটের ধারণা নকশা উৎপাদন কার্যক্রম কিংবা সাধারণ বাস্তবায়ন করতে পারে তাই হচ্ছে রোবোটিক্স।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতকরণকে বোঝায়। ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণাটির মূল বিষয় হলো সব ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার দেশের শিক্ষা স্বাস্থ্য কর্মসংস্থান এবং দারিদ্র্য মোচনের ব্যবস্থা করা। বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
উত্তর
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!