চেকের স্বাক্ষর যথার্থ কিনা তা মিলিয়ে দেখার জন্য আমানতকারীর নমুনা স্বাক্ষর ব্যাংক যে কার্ডে সংরক্ষণ করে তাকে নমুনা স্বাক্ষর কার্ড বলে।
স্থায়ী হিসাবের গ্রাহককে ব্যাংক কোনো ধরনের চেক বই সরবরাহ করে না।
নির্দিষ্ট সময় বা মেয়াদের জন্য এককালীন ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে যে হিসাব খোলা হয় তাকে স্থায়ী হিসাব বলে। অর্থাৎ স্থায়ী হিসাবে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য গ্রাহক ব্যাংকে টাকা জমা রাখে। ঐ নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাধারণত এ হিসাবের অর্থ গ্রাহক তোলে না। অন্যদিকে, এ হিসাবে জমা রেখে টাকার বিপরীতে ব্যাংক গ্রাহককে স্থায়ী আমানতের রসিদ সরবরাহ করে। তাই এ হিসাবে ব্যাংক থেকে গ্রাহককে কোনো চেক বই ইস্যু করা হয় না।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংক ম্যানেজার মি. রাকিব হাসানের ছেলেকে সঞ্চয়ী হিসাব খোলার পরামর্শ দিলেন।
ব্যাংকিং লেনদেনের পাশাপাশি সঞ্চয়ের উদ্দেশ্যে এ হিসাব খোলা হয়। এ হিসাবে যতবার খুশি অর্থ জমা দেওয়া যায়। তবে সপ্তাহে দু'বার বা নিয়ম মেনে অর্থ উত্তোলন করতে হয়। সাধারণ ছাত্র বা নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের জন্য এ হিসাব উপযোগী।
উদ্দীপকে মি. রাকিবের ছেলে পড়াশোনা করে। তিনি তার ছেলের পড়াশোনার খরচ পাঠানোর জন্য তার ছেলেকে একটি ব্যাংক হিসাব খুলতে বলেন। মি. রাকিবের ছেলে ব্যাংকে হিসাব খুলতে যায়। ব্যাংক ম্যানেজার তার জন্য উপযোগী একটি ব্যাংক হিসাব খোলার কথা বলেন। এখানে মি. রকিবের ছেলে ছাত্র হিসেবে পরিবার থেকে প্রতি মাসে অর্থ পাবে। যা থেকে তাকে নিয়মিত কিছু খরচ সম্পাদন করতে হবে। এক্ষেত্রে সে ব্যাংকের এটিএম বা অন্যান্য অনলাইন সেবা গ্রহণ করতে পারবে। অব্যহৃত অর্থ ব্যাংকে জমা রেখে সঞ্চয় সৃষ্টি করতে পারবে। আর এ সকল সুবিধা শুধু সঞ্চয়ী হিসাবেই বিদ্যমান। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ব্যাংক ম্যানেজার মি. রাকিব হাসানের ছেলেকে সঞ্চয়ী হিসাব খোলার পরামর্শ দিলেন।
উদ্দীপকের মি. রাকিব হাসান ব্যবসায়ের জন্য চলতি হিসাব পরিচালনা করেন যা যেকোনো ব্যবসায়ীর জন্যই সর্বোত্তম।
এ হিসাবে সপ্তাহে বা দিনে যতবার ইচ্ছ টাকা জমা দেওয়া যায় এবং উত্তোলন করা যায়। এ হিসাবে কোনো প্রকার সুদ পাওয়া যায় না। তবে এ হিসাবে বিপরীতে জমার অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন করা যায়। প্রতিনিয়ত আর্থিক লেনদেনকারী গ্রাহকদের জন্য এ হিসাব উপযোগী।
উদ্দীপকে মি. রাকিব হাসান একজন ব্যবসায়ী। তিনি তার ব্যবসায়ের প্রয়োজনে ব্যাংকে একটি হিসাব পরিচালনা করেন। সেক্ষেত্রে তিনি যখন ইচ্ছা টাকা জমা দেওয়া ও উত্তোলন করতে পারেন। তিনি প্রয়োজনে জমার অতিরিক্ত টাকাও ব্যাংক থেকে উত্তোলন করতে পারেন। ব্যাংক ম্যানেজার করা তার ছেলেকেও একটি ব্যাংক হিসাব খোলার পরামর্শ দেন। ব্যবসায়ী হিসেবে মি. রাকিব হাসানের প্রতিনিয়ত আর্থিক লেনদেন সম্পাদন করতে হয়। আর চলতি হিসাবে লেনদেনের সংখ্যায় কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। ফলে মি. রাকিব হাসান প্রয়োজন অনুযায়ী অসংখ্য আর্থিক লেনদেন তার হিসাবের মাধ্যমে সম্পাদন করতে পারবেন। একজন ব্যবসায়ীর যেকোনো সময়েই অর্থের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে মি. রাকিব হাসান তার জমার অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলনেরও সুযোগ পাবেন। যা পরবর্তীতে সুদসহ পরিশোধ করে পুনরায় গ্রহণ করতে পারবেন। এসব সুবিধা অন্য কোনো ব্যাংক হিসাবে বিদ্যমান নয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের মি. রাকিব হাসানের পরিচালিত চলতি হিসাব ব্যবসায়ের জন্য সর্বোত্তম।
Related Question
View Allঋণ দেওয়ার সময় ব্যাংক ঋণগ্রহীতার নামে যে হিসাব খুলে মঞ্জুরকৃত ঋণের অর্থ প্রদান করে তাকে ঋণ আমানতী হিসাব বলে।
নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যাংক হিসাবে গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রয়োজন হয়।
ব্যাংকে হিসাব খোলার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বা গোপনীয়তার বিষয়টি প্রত্যেক গ্রাহকই বিবেচনা করে থাকেন। কারণ, প্রত্যেক আমানতকারীই চান তার হিসাবের গোপনীয়তা বজায় থাকুক। আমানতকারী ব্যাংককে গোপনীয়তা রক্ষার উৎস হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। এজন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষও গ্রাহকের হিসাব সংক্রান্ত' যাবতীয় তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়। তাই ব্যাংক হিসাবে গোপনীয়তা রক্ষা করা প্রয়োজন।
উদ্দীপকে সুমনের জন্য সঞ্চয়ী হিসাব খোলা উপযোগী।
ব্যাংকিং লেনদেনের পাশাপাশি সঞ্চয়ের উদ্দেশ্যে এ হিসাব খোলা হয়। এ হিসাবে যতবার খুশি অর্থ জমা দেওয়া যায়। তবে সপ্তাহে দু'বার বা নিয়ম মেনে অর্থ উত্তোলন করতে হয়। সাধারণত ছাত্র বা নির্দিষ্ট আয়ের লোকদের জন্য এ হিসাব উপযোগী।
উদ্দীপকে সুমন অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। সে ঢাকার হোস্টেলে থেকে পড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ব্যাংক হিসাব খোলার জন্য সে বাবার সাথে ব্যাংক যায়। 'এখানে সুমন ছাত্র হিসেবে পরিবার থেকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পাবে। যা থেকে তাকে নিয়মিত কিছু খরচ সম্পাদন করতে হবে। এক্ষেত্রে সে ব্যাংকের এটিএম বা অন্যান্য অনলাইন সেবা গ্রহণ করতে পারবে। অব্যবহৃত অর্থ ব্যাংকে জমা রেখে সঞ্চয় সৃষ্টি করতে পারবে। আর এ সকল সুবিধা কেবলই সঞ্চয়ী হিসাবে বিদ্যমান। তাই জনাব সুমনের জন্য সঞ্চয়ী হিসাব খোলা উপযোগী।
উদ্দীপকে উল্লিখিত সুমনকে প্রদত্ত ফর্মটি হলো KYC ফর্ম।
এ ফর্মের মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহক সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে। জালিয়াতি ও অবৈধ লেনদেন রোধে ব্যাংক বাধ্যতামূলকভাবে গ্রাহকের কাছ থেকে এ ফর্ম পূরণ করিয়ে নেয়। এ ফর্মে মূলত গ্রাহকের নাম, পেশা, ঠিকানা, কাজের ধরন, লেনদেনের ধরন ও অন্যান্য তথ্য থাকে। উদ্দীপকে সুমন ঢাকার হোস্টেলে থেকে পড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ব্যাংক হিসাব খোলার জন্য সে বাবার সাথে ব্যাংকে যায়। ব্যাংক ম্যানেজার তাকে হিসাব খোলার মূল আবেদন ফর্ম সরবরাহ করেন। তবে সাথে একটি কার্ড ও অপর একটি ফর্ম পূরণ করতে বলেন যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে গুরুত্বপূর্ণ ফর্মটি, হলো KYC ফর্ম।
উদ্দীপকে KYC ফর্মের মাধ্যমে ব্যাংক সুমনের মতো গ্রাহকদের সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে পারে। ব্যাংক সহজেই গ্রাহকের পরিচয় শনাক্ত ও বিশ্লেষণ করতে পারে। ব্যাংকের পরিচিত অন্য গ্রাহকের মাধ্যমে উক্ত গ্রাহকের পরিচয়ের সত্যতা প্রমাণ করা যায়। গ্রাহক মুদ্রা পাচার বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কাজের সাথে যুক্ত আছে কিনা তা জানতে পারে। সর্বোপরি সকল প্রকার ভূয়া গ্রাহক চিহ্নিতকরণ ও অবৈধ লেনদেন বন্ধ করতে পারবে। তাই বলা যায়, উল্লিখিত কারণেই সুমনকে প্রদত্ত KYC ফর্মটি গুরুত্বপূর্ণ।
যে ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিশেষায়িত ব্যাংকের কাজসমূহ একত্রে পালন করে তাকে মিশ্র ব্যাংকিং বলে।
যে হিসাবের মাধ্যমে আমানতকারী সঞ্চয়ী হিসাবের ও বিমার সুবিধা ভোগ করে তাকে বিমা সঞ্চয়ী হিসাব বলে।
এ হিসাবের বিপরীতে সঞ্চয়ী হিসাবের সব সুবিধা পাওয়া যায়। এ হিসাবের বিপরীতে ব্যাংক চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আমানতকারীকে বিমার সুবিধাও প্রদান করে। তবে হিসাবগ্রহীতাকে সবসময় নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ তার হিসাবে জমা রাখতে হয়। বিমা সুবিধা প্রদান করা ব্যাংকের 'আয়ের অন্যতম উৎস।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!