গ্রাহকের নামে হিসাব খুলে ব্যাংক গ্রাহককে অর্থ লেনদেন ও ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার যে সুযোগ দেয় তাকে ব্যাংক হিসাব বলে।
দাগকাটা চেকের অর্থ প্রাপককে তার ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে উত্তোলন করতে হয় বলে এ চেক বেশি নিরাপদ।
বাহক চেক বা হুকুম চেকের বামকোণে দু'টো সমান্তরাল রেখা এঁকে যে চেক তৈরি করা হয় তাকে দাগকাটা চেক বলে। দু'টো সমান্তরাল রেখার মাঝখানে 'A/C Payee', 'হস্তান্তরযোগ্য', 'নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা' প্রভৃতি শব্দাবলি লেখা থাকে। অন্যান্য যেকোনো চেকের তুলনায় দাগকাটা চেক বেশি নিরাপদ। কারণ দাগকাটা চেকের মাধ্যমে প্রাপকের ব্যাংক হিসাব ছাড়া কেউ এর অর্থ আদায় করতে পারে না। এতে ঝুঁকি কমে। তাই দাগকাটা চেক বেশি নিরাপদ।
ব্যবসায়িক লেনদেন সুবিধা প্রাপ্তির জন্য উদ্দীপকের মি. রানা চলতি হিসাব খোলেন।
চলতি হিসাবের মাধ্যমে গ্রাহক যতবার ইচ্ছা টাকা জমা ও উত্তোলন দিতে পারেন এ হিসাবের বিপরীতে কোনো সুদ দেওয়া হয় না। বাৎসবীদের জন্য এ হিসাব সবচেয়ে উপযোগী।
উদ্দীপকের মি. রানা বিদেশ থেকে এসে ব্যবসা করতে চান। সে লক্ষ্যে তিনি ৪০ লক্ষ টাকা ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করেন। তার এ ব্যবসায়িক ভালোর জন্য একটি ব্যাংক হিসাব খোলেন। ব্যবসায়িক কাজে ব্যাংক ইসাব খুললে সে হিসাবের মাধ্যমে প্রতিদিন একাধিক লেনদেনের প্রয়োজন পড়ে। লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনো বাধ্যবাধকতা থাকলে বাৎসায় কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। আর এসব সমস্যা ব্যতীত একমাত্র বাংক হিসাব হচ্ছে চলতি হিসাব। তাই বলা যায়, ব্যবসায়িক লেনদেন সহজতর করতে উদ্দীপকের মি. রানা ব্যাংকে চলতি হিসাব খোলেন।
উদ্দীপকের মি, রানা তার ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে সবসময় অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।
ডেবিট কার্ড যলো ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং-এর একটি সেবা বা পণ্য। গ্রাহক এ কার্ডের মাধ্যমে যেকোনো সময়, নগদ অর্থ উত্তোলন ও ক্রয়কৃত পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে পারে। এক্ষেত্রে গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ জমা থাকতে হয়।
উদ্দীপকে মি, রানা বিদেশ থেকে এসে ব্যবসা করতে চান। সে লক্ষ্যে চিনি ৪০ লক্ষ টাকা ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করেন। তাই তিনি তার ব্যবসায়িক কাজের জন্য ব্যাংকে একটি চলতি হিসাব খোলেন। এক্ষেত্রে, তিনি ব্যাংকের কাছে চেকের থেকেও নিরাপদ ও সহজে বহন করা যায় এমন কিছু দাবি করেন। ব্যাংক মি. রানার চাহিদা মোতাবেক তাকে ডেবিট কার্ড প্রদান করেন। ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত ডেবিট কার্ড ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে দেওয়া হয়।
এ কার্ড ব্যবহার করে গ্রাহক কেনাকাটার মূল্য পরিশোধসহ এটিএম মেশিনের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করতে পারেন। অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রে পিন নাম্বার ব্যবহার করলেই হয়। এটিএম মেশিনগুলো ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকে। ফলে উদ্দীপকের মি. রানা তার ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে সবসময়ই অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।
Related Question
View Allযে সংস্থা আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সহজে, দ্রুত ও নিরাপদে আদান-প্রদান করে তাকে SWIFT বলে।
ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অতিদ্রুত, নির্ভুলভাবে ও সহজে ব্যাংকিং সেবা পাওয়া যায় বলে ই-ব্যাংকিং জনপ্রিয়।
আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্রুত নির্ভুল ব্যাংকিং কাজ পরিচালনার নামই ই-ব্যাংকিং। গ্রাহক এর মাধ্যমে যেকোনো সময় দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ব্যাংকিং সেবা পেয়ে থাকে। গ্রাহকের হিসাবের গোপনীয়তা বজায় রেখে ব্যাংক স্বল্প ব্যয়ে এ সুবিধা প্রদান করে। এর মাধ্যমে গ্রাহক ঘরে বসেই অর্থ স্থানান্তরসহ সকল আর্থিক লেনদেন সম্পূর্ণ করতে পারে। তাই ই-ব্যাংকিং এতো জনপ্রিয়।
জনাব রহমানকে ব্যাংক প্রথমে ডেবিট কার্ড সরবরাহ করে।
এটি ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং-এর অন্যতম একটি সেবা। গ্রাহকের হিসাবে ডেবিট জের থাকলেই কেবল এ কার্ড ব্যবহার করা যায়। এর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন, অর্থ স্থানান্তর ও অন্যান্য ব্যাংকিং সুবিধা পাওয়া যায়। এ কার্ড ব্যবহারের জন্য ব্যাংকে হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক।
উদ্দীপকে জনাব রহমান একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি ব্যাংকে হিসাব খুলেন। ব্যাংক তাকে চেক বই ও চুম্বকীয় প্লাস্টিক কার্ড সরঘরাহ করে। যার মাধ্যমে তিনি ব্যাংকে না গিয়েও টাকা উত্তোলন করতে পারেন। কিন্তু তিনি জমাতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন করতে পারেন না। সাধারণত ডেবিট কার্ডের ক্ষেত্রে ব্যাংকে হিসাব খুলতে হয়। গ্রাহক তার হিসাবে জমাকৃত অর্থের অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন করতে পারেন না। জনাব রহমান তাই অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজনে অন্য একটি কার্ড সংগ্রহ করেছেন। তাই বলা যায়, জনাব রহমানকে ব্যাংক প্রথমে ডেবিট কার্ড সরবরাহ করেছিল।
উদ্দীপকের জনাব রহমানের ডেবিট কার্ড ও ক্রেডিট কার্ডের মধ্যে তার জন্য ক্রেডিট কার্ডই উত্তম বলে আমি মনে করি।
ডেবিট কার্ড ও ক্রেডিট কার্ড দুটিই বহুল ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক সেবা পদ্ধতি। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহক সব ধরনের আর্থিক লেনদেন করতে পারে। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের জন্য ব্যাংকে হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক নয়। এ কার্ডের বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ঋণ সুবিধাও পাওয়া যায়।
উদ্দীপকে জনাব রহমান একজন ব্যবসায়ী। তিনি ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে একটি প্লাস্টিক কার্ড পান। যার মাধ্যমে ব্যাংকে না গিয়েও তিনি টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। হঠাৎ ব্যবসায়িক প্রয়োজনে তার জমাতিরিক্ত টাকার প্রয়োজন হয়। তিনি ব্যাংক থেকে অন্য একটি কার্ড সংগ্রহ করেন। যার সাথে ব্যাংক হিসাবের কোনো সম্পর্ক নেই। এ কার্ড দিয়ে তিনি বিদেশে যাবতীয় খরচাদি সম্পন্ন করতে পারবেন। একজন ব্যবসায়ী হিসেবে জনাব রহমানের প্রতিনিয়ত ব্যাংকিং লেনদেন সম্পাদন করতে হয়। তার প্রথমে ব্যবহৃত ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে তার হিসাবে জমাকৃত অর্থ দ্বারাই শুধু লেনদেন করতে পারবেন। অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজনে কার্ডটি তার কাছে মূল্যহীন। অন্যদিকে, পরবর্তীতে ব্যবহৃত ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে তিনি ঋণ সুবিধা পাবেন। ব্যবসায়ের প্রয়োজনে যেকোনো সময়ই এ জমাতিরিক্ত অর্থ ব্যবহার করতে পারবেন। প্রয়োজন শেষে উক্ত অর্থ পরিশোধ করে পুনরায় ঋণ হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন। যা একজন ব্যবসায়ীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই বলা যায়, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মধ্যে জনাব রহমানের জন্য ক্রেডিট কার্ড উত্তম বলে আমি মনে করি।
'One Stop Service' বলতে একজন ব্যাংক কর্মকর্তার কাছ থেকে গ্রাহকের প্রয়োজনীয় সার্ভিস লাভকে বোঝায়।
বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের মধ্যকার আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির স্থান হলো নিকাশঘর।
প্রতি কার্যদিবসে একটি নির্দিষ্ট সময়ে নিকাশঘরের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক হয় এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধি এতে সভাপতিত্ব করেন। সদস্য ব্যাংকগুলো বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে প্রাপ্ত চেক, বিল, ড্রাফট প্রভৃতির সমন্বয়ে মোট দেনা-পাওনার বিবরণী তৈরি করে। যেসব ব্যাংকের কাছে টাকা পাওনা আছে সেই সব ব্যাংকের কাছে দাবি সংবলিত রিপোর্টটি উপস্থাপন করা হয়। ফলে খুব সহজেই একটি ব্যাংক তার দেনা-পাওনার হিসাব তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশের নিকাশঘর দু'ধরনের পদ্ধতিতে কাজ করে। একটি হলো আন্তঃশাখা নিকাশঘর পদ্ধতি, অপরটি আন্তঃব্যাংক নিকাশঘর পদ্ধতি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!