মি. লিটনের বসবাসরত ও সিফাতের শিক্ষাসফরের স্থান দুটিতে কৃষি উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভিন্নতা আছে কি? মতামত দাও।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, উদ্দীপকে মি. লিটনের বসবাসরত স্থান ও সিফাতের শিক্ষা সফরের স্থান দুটিতে কৃষি উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভিন্নতা আছে বলে আমি মনে করি।

মি. লিটন পরিবার নিয়ে কুমিল্লায় থাকেন, যা ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্টোর বিচারে সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। আবার সিফাত শিক্ষাসফরে নওগার পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারে বেড়াতে যায়, যা লালচে মাটির জন্য প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ বা চত্বরভূমির অন্তর্গত। প্লাইস্টোসিন কালের চত্বরভূমি ও সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির কৃষি উৎপাদনে ভিন্নতা রয়েছে। প্লাইস্টোসিন কালের চত্বরভূমির সৃষ্টি হয়েছে আন্তঃবরফগলা পানিতে প্লাবনের সৃষ্টির মাধ্যমে। এসব এলাকার মাটিতে নুড়ি, বালি ও কংকর মিশ্রিত রয়েছে। ফলে এসব এলাকার মাটি কৃষি উৎপাদনের জন্য খুব বেশি অনুকূল নয় এবং এ কারণে কৃষি উৎপাদন সর্বোচ্চ মাত্রায় অর্জিত হয় না। অপরদিকে, মি. লিটনের বাসভূমি অঞ্চল তথা কুমিল্লা একটি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি, যা নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ অঞ্চল। এরূপ ভূমিরূপে অসংখ্য নদী প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার 'পানির সাথে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে এরূপ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে। এসব পলিমাটি কৃষি উৎপাদনের ক্ষেত্রে উৎকৃষ্ট হওয়ায় এসব অঞ্চলে কৃষি উৎপাদন অধিক হয়ে থাকে। পলিমাটির উর্বরতায় কৃষিজাত দ্রব্য উৎপাদন অধিক হওয়ায় সহজেই প্লাইস্টোসিন যুগের চত্বরভূমির কৃষি উৎপাদনের সাথে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।

পরিশেষে বলতে পারি, মি. লিটনের বসবাসরত ও সিফাতের শিক্ষাসফরের স্থান দুটিতে কৃষি উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে বলে আমি মনে করি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
140
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বস্তুত বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাংশের পাহাড়িয়া অংশ ব্যতীত প্রায় সমগ্র দেশটিই বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত নদ-নদীর পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি। বাংলাদেশের ভূখণ্ড উত্তর হতে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে অবস্থিত। ফলে বাংলাদেশের নদনদী, উপনদী ও শাখানদীগুলো উত্তর দিক হতে দক্ষিণে অর্থাৎ বঙ্গোপসাগরের অভিমুখে প্রবাহিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
745
উত্তরঃ

মানচিত্রের 'A' চিহ্নিত অঞ্চলটি হচ্ছে প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ বা চত্বরভূমি।

বাংলাদেশের মোট ভূমির ৮% এলাকা নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলা হয়। এ সময়ের আন্তঃবরফগলা পানিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়ে এসব চত্বরভূমি গঠিত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়। নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর, দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ অঞ্চলের মাটি ধূসর ও লালচে বর্ণের।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
366
উত্তরঃ

চিত্রের 'B' চিহ্নিত স্থানটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে নির্দেশ করায় এখানে ছোটবড় পাহাড়-পর্বত অধিক পরিলক্ষিত হবে এবং 'C' চিহ্নিত অঞ্চলটি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি বিধায় এখানে নদীনালাসহ অধিক ঘনবসতি পরিলক্ষিত হবে।

'B' স্থানটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ যা বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২% এলাকা নিয়ে গড়ে উঠেছে। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত। আবার ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিওডংসহ ছোটবড় বেশকিছু টিলা জাতীয় পাহাড় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় হিসেবে আমাদের ভূখন্ডে শোভা পাচ্ছে। আর 'C' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। বাংলাদেশের প্রায় ৮০% ভূমি নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। তবে এ সমভূমি একদিনে সৃষ্টি হয়নি। সমতল ভূমির ওপর দিয়ে অসংখ্য নদী প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে। এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গ কিলোমিটার। সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভূষি খুবই উর্বর। ফলে কৃষিজাত দ্রব্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। আর তাই সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিতে ঘনবসতি অধিক পরিলক্ষিত হবে এটাই স্বাভাবিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
394
উত্তরঃ

বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহের মধ্যে অন্যতম একটি পাহাড় হচ্ছে চিকনাগুল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
833
উত্তরঃ

কালবৈশাখি এক প্রকার ঝড়। গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার নিকটবর্তী হওয়ায় বায়ুর চাপের পরিবর্তন হয় এবং বাংলাদেশের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে। একই সময়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক হতে শুষ্ক ও শীতল বায়ু প্রবাহিত হয়ে যে ঝড়ের সৃষ্টি করে সে ঝড়কেই কালবৈশাখি ঝড় বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
282
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews