মি. সমীর ১০ বছর USA-তে বসবাসের পর বাংলাদেশে এলেন। বসুন্ধরা সিটি মার্কেটে গিয়ে তিনি দেখলেন, যেসব পণ্য তিনি দেশ ছেড়ে যাওয়ার পূর্বে দেখেননি, কিন্তু USA-তে দেখেছেন, তা বর্তমানে বাংলাদেশেই পাওয়া যাচ্ছে এবং বাংলাদেশের মানুষ তা এখন ক্রয়ও করছে।

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

২০১২-১৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের রস্তানি আয় ২৭০২৭মিলিয়ন মার্কিন ডলার

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভিন্ন সংস্কৃতির অগ্রাসন বলতে আমরা বুঝি বিদেশি সংস্কৃতি অনেকটা জোরপূর্বক গ্রহণ। বিশ্বায়নের অনিবার্য ফল হিসেবে সংস্কৃতিক আগ্রাসন চলে আসে। যেমন- পাশ্চাত্য সংস্কৃতির আনক কিছুই আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতির সাথে মেলে না।
অরণক্ষত আমরা সেগুলো জন্মভাবে অনুকরণ করার চেষ্টা কার। এ ধারার সংস্কৃতির প্রভাবে আমাদের তরুণ সমাজ অনেকটাই প্রভাবিত হচ্ছে। এর ফলে বাড়ছে মাদকাসক্তি, বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ এবং অপ্রয়োজনীয় বিলাসজাত। দ্রব্যের প্রতি আকর্ষণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটি বিশ্বায়নের সাথে সম্পৃক্ত। নিচে তা বাখ্যা করা হলো-

বিশ্বায়ন হলো বিশ্বব্যাপী একটি Global Economy গড়ে তোলার লক্ষ্যে পুঁজিবাদের সর্বশেষ সংযোজিত প্রক্রিয়া। আন্তর্জাতিক পণ্যবাজার, শ্রমবাজার এবং মূলধন বাজার একত্রে অর্থনৈতিক বিশ্বায়নকে সংজ্ঞায়িত করে। বিশ্বায়ন তথা বাজার অর্থনীতির বিকাশের ফলে সস্তায় বিদেশ থেথকে কাঁচামাল আমদানি করা সচ্ছ। ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীগণ অধিকমাত্রায় রপ্তানিমুখী শিল্প স্থাপনে এগিয়ে আসছে। উদ্দীপকে মি. সমীর USA-তে ১০ বছর কম্পাস করে বাংলাদেশে এসে দেখেন, USA-তে যেসব পণ্য পাওয়া যায়, দেসই একই পণ্য বাংলাদেশেও পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ এই পণ্য ক্রয়ও করছে। এর কারণ হচ্ছে বিশ্বায়ন। বিশ্বায়নের মাধ্যমে এক দেশ থেকে অন্য দেশে মূলধন ও তথ্যপ্রযুক্তির আদান-প্রদান হয়। এছাড়া বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার। যার ফলে উন্নত প্রযুক্তি ও উন্নত মানসম্পন্ন পণ্য আমরা সহজেই পেয়ে যাচ্ছি অন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কারণে।

অতএব বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটি বিশ্বায়নের I

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বিশ্বায়নের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা পৃথিবীর সব দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বশ্বায়নের ইতিবাচক দিকই বেশি।

বর্তমান পৃথিবীর বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সামরিক ক্ষমতার চেয়ে অর্থনৈতিক ক্ষমতাই মুখ্য হয়ে উঠেছে। বর্তমান অবস্থায় কোনো জাতিই আর এককভাবে তাদের অর্থনৈতিক কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না; বরং একজনের আর্থিক নীতি এবং কার্সানালি অন্যকেও প্রভাবিত করছে। অর্থর্থনৈতিক উদ্দেশ্যে গঠিত বেশ কিছু সংস্থা, যেমন- EU, BIMSTEC, ASEAN, SAFTA, NAFTA, African Union ইত্যাদি। পুরুমুর এবং অবাধ বাণিজ্যের মধ্য দিয়ে আঞ্চলিক ঐক্য গড়ে পুরো অঞ্চলের জন্য মজবুত অর্থনীতির ভিত্তি গড়ে তোলাই এসব সংস্থার লক্ষ্য। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব বিকাশ, টেলিফোন, মোবাইল, ইন্টারনেট, স্যাটেলাইট টিভির সংযোগ বর্তমান পৃথিবীর মানুষকে করেছে পরস্পর সংযুক্ত। ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট চ্যানেলের মাধ্যমে আমরা প্রতিনিয়ত বিশ্বসংস্কৃতির সাথে পরিচিত হচ্ছি, এমনকি আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিও এখন বিশ্বসংস্কৃতির অংশে পরিণত হচ্ছে। চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবস্তুত বিবিধ আধুনিক যন্ত্রপাতি এবং চিকিৎসাপ্রণালি এখন এক দেশ থেকে অনন্য দেশে যাচ্ছে। বিভিন্ন ভালো ও উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা, নতুন নতুন আবিষ্কার- সবই খুব অল্প সময়ের মধ্যে ইন্টারনেটে পাওয়া যাচ্ছে।

পৃথিবীতে উন্নত দেশ প্রচলিত প্রযুক্তি ও এর প্রয়োগের মাধ্যমে অবকাঠামো, কৃষি, শিল্প এবং অর্থনৈতিক ও অন্যান্য কর্মকান্তে যে আধুনিকতা সৃষ্টি হয়েছে, অনুন্নত বিশ্ব একই প্রযুক্তি ও কৌশল আবিষ্কার না করেও এর প্রায়োগিক সুফল লাভ করছে বিশ্বায়নের মাধ্যমে।
পরিশেষে বলা যায় যে, বর্তমান পৃথিবীর জন্য বিশ্বায়ন অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
64

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো অনুন্নত দেশ উন্নত দেশ বা কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে পরিশোধ করার শর্তে অথবা বিনা শর্তে যে সাহায্য পায় তা-ই বৈদেশিক সাহায্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
241
উত্তরঃ

দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে বাণিজ্য সংঘটিত হলে তাকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বলে। বলা হয়, International trade is the exchange of goods or resources among the countries, অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য হচ্ছে বিভিন্ন দেশের মধ্যে দ্রব্য ও সম্পদের বিনিময়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিদেশে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করাকে রপ্তানি বলে। অন্যদিকে বিদেশ থেকে পণ্য ও সেবা ক্রয় করাকে আমদানি বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
154
উত্তরঃ

উপরে বর্ণিত বাণিজ্যে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হবে, না অর্জিত হবে তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
সাধারণত আমদানি-রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্য বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হয়। যখন একটি দেশ অন্যদেশে পণ্য ও সেবা বিক্রি করে তখন তাকে রপ্তানি বলে। আর যে প্রক্রিয়ায় একটি দেশ অন্য দেশে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে, তাকে রপ্তানি বাণিজ্য বলে। রপ্তানি বাণিজ্যের মাধ্যমে কোনো দেশ তার নিজ দেশে উৎপাদিত পণ্য বিদেশের বাজারে বিক্রি করতে পারে। ফলে রপ্তানি আয় তথা বৈদেশিক মুদ্রার আয় বাড়ে। উদ্দীপকে মি. ইদ্রিস ময়মনসিংহে মাছ চাষ করে এবং বিক্রি করেন। কিন্তু এ বছর তিনি বেলজিয়ামের বাজারে হিমায়িত মাছ বিক্রির জন্য পাঠাচ্ছেন। অর্থাৎ মি. ইদ্রিস বিদেশের বাজারে মাছ রপ্তানি করছেন। ফলে মি. ইদ্রিসের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে।

অতএব বলা যায়, মি. ইদ্রিস বেলজিয়ামে হিমায়িত মাছ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করবেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
117
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত বাণিজ্য হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মুদ্রা অর্জন বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশে যেসব পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে বলে আমি মনে করি তা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-

⇨ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মুদ্রা অর্জন বৃদ্ধি করতে হলে শিল্পজাত দ্রব্যের মান ও উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। এর ফলে রপ্তানির ক্ষেত্রে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা যাবে।
⇨ উৎপাদন ব্যয় হ্রাস করে কম দামে বিশ্ববাজারে রপ্তানির ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনবোধে রপ্তানি শুল্ক হ্রাস করে কম দামে বিশ্ববাজারে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা নিতে হবে।
⇨ আন্তর্জাতিক চাহিদা অনুযায়ী পণ্যের শ্রেণিবিভাগ করতে হবে।
⇨ রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মেলা ও প্রদর্শনীতে যোগ দিয়ে পণ্যের গুণাগুণ প্রচার করতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাণিজ্যিক প্রতিনিধি দল পাঠিয়ে বিশ্ববাজার সৃষ্টির পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
⇒ রপ্তানি উন্নয়নের কাজে নিয়োজিত সকল প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক দক্ষতা নিশ্চিত করতে পারলে এ দেশের রপ্তানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে।
⇒ অল্প কয়েকটি রপ্তানি পণ্যের উপর নির্ভর না করে আরও রপ্তানি আইটেম বাড়াতে হবে।
⇨ রপ্তানি পণ্য বিজ্ঞানসম্মতভাবে গুদামজাত করা এবং যাতে পচে নষ্ট না হয়, তার জন্য যথাযথভাবে প্যাকেটিং করতে হবে।
⇒ সরকার দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পণ্য সংগ্রহ করে এবং পরোক্ষভাবে নানা সুবিধাসহ রপ্তানিকারকদের উৎসাহ দিয়ে রপ্তানি বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে পারে।

সবশেষে বলা যায়, উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করলে বাংলাদেশের রপ্তানি ও রপ্তানি আয় উভয়ই বৃদ্ধি পাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
113
উত্তরঃ

২০১২-১৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের রস্তানি আয় ২৭০২৭মিলিয়ন মার্কিন ডলার

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
162
উত্তরঃ

ভিন্ন সংস্কৃতির অগ্রাসন বলতে আমরা বুঝি বিদেশি সংস্কৃতি অনেকটা জোরপূর্বক গ্রহণ। বিশ্বায়নের অনিবার্য ফল হিসেবে সংস্কৃতিক আগ্রাসন চলে আসে। যেমন- পাশ্চাত্য সংস্কৃতির আনক কিছুই আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতির সাথে মেলে না।
অরণক্ষত আমরা সেগুলো জন্মভাবে অনুকরণ করার চেষ্টা কার। এ ধারার সংস্কৃতির প্রভাবে আমাদের তরুণ সমাজ অনেকটাই প্রভাবিত হচ্ছে। এর ফলে বাড়ছে মাদকাসক্তি, বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ এবং অপ্রয়োজনীয় বিলাসজাত। দ্রব্যের প্রতি আকর্ষণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
144
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews