সমাজের মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত লোকজন স্বেচ্ছায় সমতার ভিত্তিতে যে সংস্থা গড়ে তোলে তাকে সমবায় সমিতি বলে।
যে দলিলের মাধ্যমে জনসাধারণের নিকট হতে ঋণগ্রহণ করে থাকে, তাকে ঋণপত্র বলে।
সাধারণ শেয়ারের মতো ঋণপত্রও সমান অংশের ক্ষুদ্র এককে ভাগ করা হয় এবং তার মাধ্যমে ঋণ সংগ্রহ করা হয়। অনেক সময় শুধু শেয়ার মূলধন দিয়ে কোম্পানি পরিচালনা সম্ভব হয় না। তখন অতিরিক্ত মূলধন সংগ্রহের জন্য ঋণপত্র বিক্রি করতে হয়। এটি কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধিতে সাহায্য করলেও এটি কোম্পানির ঋণবিশেষ। ঋণপত্রের জন্য কোম্পানিকে নির্দিষ্ট হারে সুদ প্রদান করতে হয় এবং কোম্পানির বিলোপকালে সবার আগে ঋণপত্রের অর্থ পরিশোধ করতে হয়।
উদ্দীপকের মি. সাত্তার সাধারণ শেয়ার ক্রয় করেছেন।
আইনানুযায়ী যে শেয়ারের মালিকগণ অধিকার, দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিভিন্ন দিক বিচারে অধিক সুবিধা ও মর্যাদাভোগ করলেও লভ্যাংশ বণ্টনে ও কোম্পানি বিলোপের সময় মূলধন প্রত্যাবর্তনে অগ্রাধিকার পায় না তাকেই সাধারণ শেয়ার বলে। এরূপ শেয়ারের মালিকগণ পরিচালক নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারে, নির্বাচনে ভোট দিতে পারে ও শেয়ারহোল্ডারদের বিভিন্ন সভায় অংশগ্রহণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মতামত প্রদান করতে পারে। এতে লভ্যাংশের হার পূর্ব নির্দিষ্ট থাকে না।
উদ্দীপকের মি. সাত্তার একজন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী। শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে তিনি ব্যাংকটির সিন্ধান্ত গ্রহণে ভোটাধিকার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন কিন্তু লভ্যাংশের হার পূর্ব নির্দিষ্ট না থাকায় অনিশ্চয়তায় ভোগেন যেগুলো সাধারণ শেয়ারের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে যায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের মি. সাত্তার সাধারণ শেয়ার ক্রয় করেছেন।
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানটি ভোটাধিকার প্রদান, পরিচালক নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মতামত প্রদানসহ বিভিন্ন সুবিধা মি. সাভারের নিশ্চিত কররে।।
বর্তমান বৃহদায়তন ব্যবসায় জগতে কোম্পানি সংগঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় ব্যবসায় সংগঠন। সদস্য সংখ্যা বেশি হওয়ায় এক্ষেত্রে পর্যাপ্ত মূলধন সংগ্রহ ও বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সহজ হয়। সদস্যদের দায় সীমিত হওয়ায় এর সদস্য বা শেয়ারহোল্ডাররা শেয়ার ক্রয়ে এবং পরিচালকগণ ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগেও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
উদ্দীপকের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী মি. সাত্তার বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করে মুনাফা অর্জন করেন। সাধারণ শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে তিনি উত্ত ব্যাংকটির সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষমতা লাভ করেন। তবে তিনি লভ্যাংশ প্রাপ্তিতে অনিশ্চয়তায় ভোগেন। তিস্তা ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে মি. সাত্তার একদিকে যেমনি ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, অন্যদিকে তেমনি সাধারণ শেয়ারহোল্ডার বিধায় তিনি পরিচালকও নির্বাচিত হতে পারেন। তাছাড়া মি. সাত্তারের দায় তার ক্রয়কৃত শেয়ারের মূলোর সমান অর্থাৎ তিনি অসীম দায়ের অসুবিধা থেকে মুক্ত। উক্ত প্রতিষ্ঠান অধিক মুনাফা অর্জন করলে তিনি উক্ত মুনাফার ন্যায্য দাবিদার। সর্বোপরি কম ঝুঁকিতে তিনি বৃহদায়তনের চিরন্তন অস্তিত্বসম্পন্ন ব্যবসায়ের শেয়ারহোল্ডার বা মালিক। তিনি সাধারণ শেয়ারহোল্ডার বিধায় যেকোনো সময় তার প্রয়োজন অনুযায়ী শেয়ার হস্তান্তর সুবিধা ভোগ করেন।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানটি ভোটাধিকার প্রদান, পরিচালক নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মতামত প্রদানসহ বিভিন্ন সুবিধা মি. সাত্তারের নিশ্চিত করবে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!