মি. সানের ব্যবসায়ের নীলনকশাটি হলো পরিকল্পনা; যার মাধ্যমে তিনি সাফল্য পেয়েছেন।
পরিকল্পনা হলো ব্যবসায়ের ভবিষ্যৎ কাজের প্রতিচ্ছবি। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ের লক্ষ্য, প্রকৃতি, ব্যবস্থাপনার ধরন, অর্থায়নের ধারা, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নের সম্পূর্ণ চিত্র তুলে ধরা হয়। এ কাজটি সঠিকভাবে করলে ব্যবসায়ের সফলতা সহজে পাওয়া যায়।
উদ্দীপকের মি. সান নিজের ব্যবসায় সক্ষমতা যাচাই করেছেন। পরে আকর্ষণীয় বাজার ও ব্যবসায়ের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তার ভবিষ্যৎ চিন্তা-ভাবনা ব্যবসায় পরিচালনা সহজ করেছে। এজন্য তিনি ব্যবসায়ে অনেক উন্নতি লাভ করেছেন। ব্যবসায়ে মালিকের গৃহীত কৌশলের ওপর এর সফলতা নির্ভর করে।
বিষয়টি অনুধাবন করেই মি. সান ভেবে-চিন্তে তার ব্যবসায়ের লক্ষ্য ঠিক করেন। এজন্য তাকে প্রথমে প্রকল্প ধারণা চিহ্নিত করতে হয়েছে। এক্ষেত্রে তাকে ম্যাক্রো ও মাইক্রোস্ক্রিনিং পদ্ধতি বিবেচনা করতে হয়েছে। পণ্য বাজারে ছাড়ার আগে তিনি এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন। আর এ কাজগুলো ব্যবসায় পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত। এগুলো যথাযথভাবে সম্পন্ন করেই তিনি উন্নতি লাভ করেছেন। তাই বলা যায়, মি. সান পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যবসায় পরিচালনা করে সফল হয়েছেন।
Related Question
View Allপণ্যের বাজার চাহিদা জানার উপায়কে বাজার জরিপ বলে।
ব্যবসায়ের যান্ত্রিক দিক বলতে মূলত কারিগরি দিককে বোঝায়।
প্রযুক্তিগত ও যান্ত্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রকল্পের কারিগরি দিক যাচাই করা হয়। উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কীরূপ যন্ত্র ব্যবহার করা হবে, কী ধরনের প্রযুক্তি নির্ধারণ করা হবে ও তার ব্যয় কেমন হবে প্রভৃতি বিষয় নিয়ে ব্যবসায়ের যান্ত্রিক দিক আলোচনা করে। উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সঠিকভাবে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা গেলে প্রকল্প বাস্তবায়ন সহজ হয়।
জনাব আরিফদের প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থায়ী ও চলতি মূলধন সংগ্রহ করা প্রয়োজন।
স্থায়ীভাবে বা দীর্ঘদিন কোনো সম্পত্তি ব্যবহার করার জন্য স্থায়ী মূলধনের প্রয়োজন হয়। এ জাতীয় খরচ ব্যবসায় শুরুর সময়ে করতে হয়। আর চলতি মূলধনের মাধ্যমে ব্যবসায়ের দৈনন্দিন কাজ পরিচালনা করা হয়।
প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য উভয় ধরনের মূলধন আবশ্যক।
উদ্দীপকের জনাব আরিফ কয়েকজন বন্ধুকে সাথে নিয়ে একটি সিমেন্ট ফ্যাক্টরি স্থাপনের প্রকল্প নেন। প্রাথমিক ব্যয় নির্বাহের জন্য যথেষ্ট অর্থ
না থাকায় তারা মূলধন সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেন। সাধারণত জমি, দালান, আসবাবপত্র কেনার জন্য প্রাথমিক ব্যয় নির্বাহ করতে হয়। প্রকল্প প্রণয়নের শুরুতেই এই ব্যয় নির্বাহ করতে হয়। আবার প্রকল্প চালু
হওয়ার পর উৎপাদন কাজ চালু রাখার জন্য প্রতিনিয়ত কাঁচামাল ক্রয়, অফিস পরিচালনা ও শ্রমিকদের মজুরি দেওয়ার জন্যও অর্থের প্রয়োজন। এই ব্যয়গুলোর জন্য চলতি মূলধনের প্রয়োজন হয়। তাই বলা যায়, প্রকল্প বাস্তবায়নে জনাব আরিফদের স্থায়ী ও চলতি দুই ধরনের মূলধনই প্রয়োজন।
জনাব আরিফ ও তার বন্ধুরা ব্যবসায়ের প্রকল্প প্রণয়নে যথার্থ পথ অনুসরণ করেছেন-এ বিষয়ে আমি একমত।
একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো প্রকল্পের লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য পরিকল্পিত ও সুচিন্তিত পদ্ধতিতে কাজ করা হয়। ব্যবসায় প্রকল্প নেওয়ার প্রথমে পণ্য বা সেবা সামগ্রীর চাহিদা নির্ধারণ করতে হয়। এরপর এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি, লাভ-ক্ষতির দিক নির্ণয় করতে হয়।
উদ্দীপকের জনাব আরিফ ও তার বন্ধুরা নির্মাণ ও হাউজিং শিল্পের ব্যাপক চাহিদা বিবেচনা করে একটি সিমেন্ট ফ্যাক্টরি স্থাপনের প্রকল্প নেন। তারা প্রকল্প নেওয়ার আগে পুরো কর্মকাণ্ডের দীর্ঘমেয়াদি একটি ছক তৈরি করেন। ছকে তারা প্রকল্পের পণ্যের বাজার চাহিদা, বাণিজ্যিক ও আর্থিক দিক প্রভৃতি তুলে ধরেন। ছকটির মাধ্যমে পুরো প্রকল্পটির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা যায়। তাই আমি মনে করি, জনাব আরিফ ও তার বন্ধুরা প্রকল্প প্রণয়নে যথাযথ পথ অনুসরণ করেছেন।
শিল্পের কাঁচামাল প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে আসে।
ব্যবসায়ের দৈনন্দিন কাজ সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধন হলো চলতি মূলধন।
এ ধরনের মূলধনের মেয়াদ এক বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ মূলধনের সাহায্যে কোনো স্থায়ী সম্পত্তি অর্জন করা বা কেনা যায় না। সাধারণত ব্যবসায়িক কাজ চালু রাখার জন্য এ মূলধনের প্রয়োজন হয়। কাঁচামাল কেনা, মজুবি দেওয়া, ভাড়া ও পরিবহন খরচ প্রভৃতি হলো চলতি মূলধনের উদাহরণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
