কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ অনুযায়ী আমানতের একটি নির্দিষ্ট অংশ নগদ হিসেবে জমা রাখাকে তারল্য সংরক্ষণ বলে।
পে-অর্ডার ও চেক হলো বহুল ব্যবহৃত দুটি ব্যাংক ঋণের দলিল।
সাধারণত চেকের অর্থ একই ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে উত্তোলন, করা যায়। কিন্তু, পে-অর্ডারের অর্থ নির্দিষ্ট ব্যাংকের ইস্যুকারী শাখা থেকেই ভাঙ্গিয়ে নিতে হয়। চেকের অর্থ অনেকটা নগদ অর্থের মতোই হস্তান্তর করা যায়। অন্যদিকে, পে-অর্ডার হলো একটি হস্তান্তর অযোগ্য ঋণের দলিল। তাই বলা যায়, পে-অর্ডারের থেকে চেকে লেনদেন করা উত্তম।
উদ্দীপকে ২০ টাকার নোট ইস্যুকারী ব্যাংকটি হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ ব্যাংক দেশে নোট ও মুদ্রার মান প্রচলন ও নিয়ন্ত্রণ করে। এর প্রধান কাজ হলো দেশের অভ্যন্তরে নোট ইস্যু ও মুদ্রার প্রচলন করা। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় ব্যাংক হচ্ছে যেকোনো দেশের প্রধান ব্যাংক।
উদ্দীপকের মি. হোসেন ফল বিক্রেতাকে ১০০ টাকার একটি নোট দেন। ফল বিক্রেতা তাকে ২০ টাকা ও ৫ টাকার দুটি নোেট ফেরত দেন। ২০ টাকার নোট একটি ব্যাংক নোট। অর্থাৎ, নোটটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত, নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালতি কাগজি মুদ্রা। মূলত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট ছাড়া সব নোটই ব্যাংক নোট। আর এ ধরনের নোট ও মুদ্রা প্রচলনের দায়িত্ব একমাত্র কেন্দ্রীয় ব্যাংকেরই। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত ২০ টাকার নোটটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইস্যু করেছে।
'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার'- উদ্দীপকে ৫ টাকার সরকারি নোটের ওপর কথাটি লিখার যৌক্তিকতা আছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক পরিচালিত কাগজি মুদ্রা হলো ব্যাংক নোট। অন্যদিকে সরকারি দায়িত্ব ও নিয়ন্ত্রণে যে কাগজি মুদ্রা ছাপানো হয় তাকে সরকারি নোট বলে। বাংলাদেশে কেবল ১, ২ ও ৫ টাকার নোটই হলো সরকারি নোট। বাকি সব প্রচলিত নোট হলো ব্যাংক নোট।
উদ্দীপকে মি. হোসেন ফল বিক্রেতাকে ২০০ টাকার একটি নোট দিলে ফল বিক্রেতা তাকে ২০ ও ৫ টাকার দুটি নোট ফেরত দেন। জনাব জামিল হঠাৎ খেয়াল করেন ৫ টাকার নোটে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার'- কথাটি লেখা আছে। কিন্তু ২০ টাকার নোটে তা লেখা নেই। পরে তিনি তার বন্ধুর কাছে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তার বন্ধু তাকে জানান যে, ৫ টাকার নোটটি একটি সরকারি নোট বিধায় তাতে কথাটি লেখা রয়েছে। সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত বলে ৫ টাকার উপর এ ধরনের কথা লেখা থাকে।
এটি আইনসম্মত বিহিত মুদ্রা। সরকারি নোেট নিতে সাধারণত জনগণ বাধ্য থাকে। সুতরাং বলা যায়, ৫ টাকার সরকারি নোটের ওপর 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার'- কথাটি লেখা যুক্তিসঙ্গত হয়েছে।
Related Question
View Allচাওয়ামাত্র প্রাপককে অর্থ পরিশোধের জন্য ব্যাংকের এক শাখা, অন্য শাখা বা প্রতিনিধি ব্যাংককে যে লিখিত নির্দেশ দেয় তাকে ব্যাংক ড্রাফট বলে।
মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করে গ্রাহক ব্যাংকিং সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন বিল পরিশোধের সুযোগ পায়, যা মোবাইল ব্যাংকিং সেবাকে জনপ্রিয় করেছে।
আধুনিক ব্যাংকিং-এর নতুন সংযোজন হলো মোবাইল ব্যাংকিং। বাংলাদেশে ব্র্যাক ব্যাংক বিকাশ নামে ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক রকেট নামে এ ধরনের ব্যাংকিং চালু করেছে, যা আমাদের দেশে মোবাইল ব্যাংকিংকে জনপ্রিয় করেছে।
উদ্দীপকে রুবিয়া তার মায়ের নিকট হতে সরকারি নোট পেল।
কোনো দেশের সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত নোটই হলো সরকারি নোট। সরকারের অর্থ মন্ত্রাণালয়ের অধীনে এ নোট ছাপা হয়। এ নোটে সরকারের পক্ষে অর্থসচিব স্বাক্ষর করেন।
উদ্দীপকে উল্লেখ্য, বাজারে যাওয়ার সময় রুবিয়ার বাবা তাকে ৫ টাকা এবং ১০ টাকার কিছু নোট দিল। আবার তার মা তাকে ২ টাকার কিছু নোট দিল। ২ টাকার নোটে সে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লেখা দেখতে পেল। রুবিয়ার এ ২ টাকার নোটগুলোর সাথে সরকারি নোটের মিল রয়েছে। জনসাধারণের উদ্দেশ্যে সরকার এ ধরনের নোট ইস্যু করে। এ নোটে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার', 'বাংলাদেশ সরকার' শব্দসমূহ লিখা থাকে। এছাড়া, এ নোটের ওপর সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের লোগোও থাকে। যা রুবিয়ার ২ টাকার নোটেও রয়েছে। তাই বলা যায়, রুবিয়া তার মায়ের কাছ থেকে সরকারি নোট পেল।
'বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে রুবিয়ার বাবার দেওয়া নোট তার মায়ের দেওয়া নোট থেকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ'- বক্তব্যটির সাথে আমি একমত।
সরকারের অনুমতি নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে কাগজি মুদ্রা বা নোট ইস্যু করে তা হলো ব্যাংক নোট। এ নোটে ব্যাংকের গর্ভনরের স্বাক্ষর থাকে।
বাংলাদেশে ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১,০০০ টাকা ব্যাংক নোট হিসেবে প্রচলিত।
উদ্দীপকে রুবিয়ার বাবা তাকে ৫ টাকা এবং ১০ টাকার কিছু নোট দিল। আর তার মা তাকে ২ টাকার কিছু নোেট দিল। এক্ষেত্রে ৫ ও ১০ টাকার নোট ব্যাংক নোট। অন্যদিকে, ২ টাকার নোেট সরকারি নোট।
১ টাকা ও ২ টাকার সরকারি নোট দিয়ে বড় লেনদেন করা সম্ভব না। উদাহরণস্বরূপ- রুবিয়া মুদি দোকান থেকে পানি কিনে দোকানদারকে ১০০ টাকার একটি নোট দেয়। সে দোকানদারের কাছ থেকে ৫০ টাকার, ২০ টাকার ও ২ টাকার নোটগুলো ফেরত পায়। এক্ষেত্রে দোকানদার সরকারি নোটের মাধ্যমে ফেরত দিতে চাইলে অনেকগুলো সরকারি নোটের প্রয়োজন হতো। আবার রুবিয়ার সরকারি নোটের মাধ্যমে পানি কিনতেও অনেকগুলো নোটের প্রয়োজন পড়তো। কিন্তু ব্যাংক নোটের মাধ্যমে এ লেনদেন খুব সহজে ও অল্প নোটের মাধ্যমে করা যায়। এছাড়া লেনদেন লক্ষ বা কোটিতে করা হলে সরকারি নোটে তা অসম্ভব ছিলো। তাই বলা যায়, বড় ধরনের আর্থিক লেনদেনের জন্য ব্যাংক নোটই বেশি উপযোগী।
নোট: ২০১৬ সালের জুন মাস থেকে ৫ টাকার নোট সরকারি নোটের অন্তর্ভূক্ত হয়। পূর্বে ৫ টাকার নোট ব্যাংক নোট ছিল। ৫ টাকার নোটকে ব্যাংক নোট ধরে উত্তর দেওয়া হলো।
যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রদত্ত নীতিমালা মেনে চলার শর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অধীনে তালিকাভুক্ত হয়ে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয় তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।
সরকারের পক্ষে অর্থসংক্রান্ত কাজ সম্পাদন ও পরামর্শ দেওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সরকারের ব্যাংক বলা হয়।
এই ব্যাংক দেশের ব্যাংক ও মুদ্রা ব্যবস্থার নেতৃত্ব দিতে সরকারের মালিকানায় ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মালিক, পরিচালক ও নিয়ন্ত্রক সরকার। এই ব্যাংক সরকারের পক্ষে অর্থ লেনদেন করে, হিসাব রাখে ও সরকারকে প্রয়োজনে ঋণ দেয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!