Related Question
View Allপ্রদত্ত তথ্যাবলি থেকে ২০২০ সালের অবচয় ব্যয় নির্ণয়:
ধাপ ১: প্রাথমিক বার্ষিক অবচয় নির্ণয় (২০১৮ ও ২০১৯ সালের জন্য)
অবচয়যোগ্য মূল্য = ক্রয় মূল্য - ভগ্নাবশেষ মূল্য
= ৳60,000 - ৳12,000
= ৳48,000
বার্ষিক অবচয় = অবচয়যোগ্য মূল্য / আয়ুষ্কাল
= ৳48,000 / 10 বছর
= ৳4,800
ধাপ ২: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত পুঞ্জীভূত অবচয় নির্ণয়
২০১৮ সালের অবচয় = ৳4,800
২০১৯ সালের অবচয় = ৳4,800
মোট পুঞ্জীভূত অবচয় (২০১৮-২০১৯) = ৳4,800 + ৳4,800 = ৳9,600
ধাপ ৩: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে (২০২০ সালের অবচয় ধার্য করার পূর্বে) সম্পত্তির বহিমূল্য নির্ণয়
বহিমূল্য = ক্রয় মূল্য - পুঞ্জীভূত অবচয়
= ৳60,000 - ৳9,600
= ৳50,400
ধাপ ৪: ২০২০ সালের অবচয় নির্ণয় (পরিবর্তিত অনুমান অনুযায়ী)
কোম্পানি ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সালে (অবচয় ধার্য করার পূর্বে) অবশিষ্ট আয়ুষ্কাল ৪ বছর এবং ভগ্নাবশেষ মূল্য ৳2,000-এ পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নেয়। তাই, ২০২০ সালের অবচয় নতুন অনুমান অনুযায়ী গণনা করা হবে।
২০২০ সালের অবচয়যোগ্য মূল্য = ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখের বহিমূল্য - পরিবর্তিত ভগ্নাবশেষ মূল্য
= ৳50,400 - ৳2,000
= ৳48,400
২০২০ সালের অবচয় = ২০২০ সালের অবচয়যোগ্য মূল্য / অবশিষ্ট আনুমানিক জীবনকাল
= ৳48,400 / 4 বছর
= ৳12,100
অতএব, ২০২০ সালের অবচয় ব্যয় হবে ৳12,100।
দেনাদার কতৃক অর্থ পরিশোধ করার ফলে নগদ টাকা বা ব্যাংক ব্যালেন্স বৃদ্ধি পেয়েছে ও কুঋণ হ্রাস পেয়েছে তাই নগদান হিসাব ডেবিট ও কুঋণ হিসাব ক্রেডিট।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!