বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে 1 থেকে ১০০ ন্যানোমিটার আকৃতির কোনো কিছু তৈরি করা এবং ব্যবহার করার প্রযুক্তিই হলো ন্যানোটেকনোলজি।
তথ্য প্রযুক্তি হচ্ছে তথ্য ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি আর যোগাযোগ প্রযুক্তি হচ্ছে তথ্যকে যথাস্থানে দ্রুততার সাথে পৌছে - দেওয়ার প্রযুক্তি। তথ্য স্থানান্তর বা শেয়ার করা বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর তথ্য স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমগুলো। তাই বলা যায়, তথ্য প্রযুক্তি ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একে অপরের পরিপূরক।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ল্যাবরেটরির দরজায় ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি হলো বায়োমেট্রিক্স এর আইরিস বা রেটিনা স্ক্যান পদ্ধতি।
আইরিস শনাক্তকরণ পদ্ধতিতে চোখের তারার রঙিন অংশকে পরীক্ষা করা হয় এবং রেটিনা স্ক্যান পদ্ধতিতে চোখের মণিতে রক্তের লেয়ারের পরিমাণ পরিমাপ করে মানুষকে শনাক্ত করা হয়। আইরিস বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে কোনো ব্যক্তির এক বা উভয় চোখের আইরিশ বা চোখের তারার দৃশ্যমান রঙিন অংশের ভিত্তিতে পরীক্ষা করে গাণিতিক প্যাটার্ন রিকগনিশন পদ্ধতির প্রয়োগে শনাক্তকরণ করা হয়। এ পদ্ধতিতে চোখ ও মাথাকে স্থির করে একটি ক্যামেরা সম্পন্ন ডিভাইসের সামনে দাঁড়াতে হয়। এতে প্রায় ১ থেকে ১০ সেকেন্ড সময় লাগে। আগে থেকে ধারণ করা চোখের আইরিসের প্যাটার্নের সাথে মিলিয়ে শনাক্তকরণ করা হয়।
এ পদ্ধতির প্রয়োগে পাসপোর্টবিহীনভাবে এক দেশের সীমা অতিক্রম করে অন্য দেশে গমন করা যেতে পারে যা বর্তমানে ইউরোপে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া সরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, মিলিটারি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদিতে আইরিস পদ্ধতি শনাক্তকরণের কাজে ব্যবহৃত হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ল্যাবরেটরির ১ম কক্ষে জৈব তথ্যকে সাজিয়ে। পুছিয়ে ইনফরমেশন সিস্টেম তৈরি সংক্রান্ত গবেষণা প্রযুক্তিটি হলো বায়োইনফরমেটিকস সিস্টেম এবং দ্বিতীয় কক্ষে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ (DNA) তৈরি সংক্রান্ত গবেষণা প্রযুক্তি হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। নিচে এদের মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো:
১. বায়োইনফরমেটিকস হলো এমন একটি আন্তঃশাস্ত্রীয় ক্ষেত্র যা জীব সংক্রান্ত ডেটা বিশ্লেষণ করে বুঝার জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি এবং সফটওয়্যার টুলস উন্নয়ন করে। অন্যদিকে বায়োটেকনোলজির মাধ্যমে কোনো প্রাণীর জিনোমকে নিজের সুবিধানুযায়ী সাজিয়ে নেওয়াই হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।
২. বায়োইনফরমেটিকসের উদ্দেশ্য হলো জৈবিক প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুধাবন করা। অন্যদিকে, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে রিকম্বিনেন্ট DNA তৈরি করে বিশেষ জিনকে ক্রোমোজোমের DNA অণু থেকে পৃথক করে কাজে লাগানো।
৩. বায়োইনফরমেটিকসের প্রধান কাজ হচ্ছে জীববিজ্ঞান সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় তথ্য ও জ্ঞানকে বিকশিত করার জন্য সফটওয়্যার সামগ্রী তৈরি করা। অন্যদিকে, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রধান কাজ হচ্ছে ত্রুটিপূর্ণ বা পরিবর্তিত জিনযুক্ত কোষে অন্য জীব থেকে কর্মক্ষম বা ভালো জিন সংস্থাপন করে কর্মক্ষমহীন জীবটিকে কর্মক্ষম করে তোলা।
৪. বায়োইনফরমেটিকস প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন গবেষণা যেমন- সিকুয়েন্স, এলাইনমেন্ট, ডিএনএ ম্যাপিং, ডিএনএ এনালাইসিস, জিন ফাইন্ডিং জিনোম সমাগম, ড্রাগ নকশা, প্রোটিনের গঠন ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে। অন্যদিকে, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করছে। চিকিৎসা, গবেষণা, শিল্প এবং কৃষিসহ অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে।
Related Question
View Allভার্চুয়াল রিয়েলিটি হল কম্পিউটার সিমুলেশন এর সাহায্যে তৈরি ত্রিমাত্রিক পরিবেশ যা ব্যবহার কারীদের কাছে সত্য ও বাস্তব বলে মনে হয় একে সিমুলেশনের পরিবেশ ও বলা হয় কম্পিউটার প্রযুক্তি ও কোন করণ বিধায় প্রয়োগ কৃত্রিম পরিবেশকে এমন ভাবে তৈরি ও উপস্থাপন করা হয় যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য বাস্তব বলে মনে হয়।
Ans ইজরীরুহ না এইটা তো আমি ভালো নেই রাতে আমরা কি পারি নি এই জাগায় সময় আমার কি যে মজা লাগছিল
কৃত্রিম বুদ্ধিমতরা বলতে বোঝানো হয় তৈরি কৃত জ্ঞান যা আবদ্ধ একটি জ্ঞান। রোবটকে কিছু প্রোগ্রামিং দিয়ে কাজ করানো হয়। তাকে যেই কাজটি তার মধ্যে সেটআপ করা হয় বা তার মধ্যে তার ভিতরে যে কাজটি সেটআপ করা হয়েছে শুধু সেই কাজটি করতে পারে। আর মৌলিক গবেষণা অর্থাৎ মানুষের মস্তিষ্ক যা নিজ ইচ্ছামত কাজ করতে পারে তাই কৃত্রিম বুদ্ধিমাত্রায় মৌলিক গবেষণা সম্ভব নয়।
রোবোটিক্স (Robotics) হল বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের এমন একটি শাখা যেখানে রোবট তৈরির নকশা, নির্মাণ, কার্যক্ষমতা ও প্রোগ্রামিং নিয়ে কাজ করা হয়। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ইলেকট্রনিক্স, মেকানিক্স এবং কম্পিউটার সায়েন্সের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রযুক্তি।
রোবোটিক্সের প্রধান অংশ
১. যান্ত্রিক নকশা (Mechanical Design) – রোবটের শরীর বা কাঠামো গঠনের জন্য মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করা হয়।
২. ইলেকট্রনিক্স (Electronics) – সেন্সর, মোটর ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক উপাদানের সাহায্যে রোবটকে কার্যক্ষম করা হয়।
৩. প্রোগ্রামিং (Programming) – সফটওয়্যার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে রোবটের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
রোবোটিক্সের ব্যবহার
শিল্প কারখানা: স্বয়ংক্রিয় মেশিনের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানো হয়।
স্বাস্থ্যসেবা: সার্জারি রোবট ও চিকিৎসা সহায়তা রোবট ব্যবহার করা হয়।
গবেষণা ও মহাকাশ: মহাকাশ অনুসন্ধানে রোবটিক যান (যেমন, NASA-র মার্স রোভার) ব্যবহৃত হয়।
সেনাবাহিনী: সামরিক ড্রোন ও যুদ্ধক্ষেত্রে সহায়তা করার জন্য রোবট ব্যবহৃত হয়।
রোবোটিক্স দ্রুত উন্নতি করছে এবং ভবিষ্যতে এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠবে।
বিজ্ঞান ইঞ্জিনিয়ারিং উপযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত যে বিষয়টি উপর রোবটের ধারণা নকশা উৎপাদন কার্যক্রম কিংবা সাধারণ বাস্তবায়ন করতে পারে তাই হচ্ছে রোবোটিক্স।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতকরণকে বোঝায়। ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণাটির মূল বিষয় হলো সব ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার দেশের শিক্ষা স্বাস্থ্য কর্মসংস্থান এবং দারিদ্র্য মোচনের ব্যবস্থা করা। বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
উত্তর
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!