বৃষ্টিহীন অঞ্চলে গম চাষ কম হয়।
স্রোেতজ বনভূমি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত।
স্রোতজ বনভূমি একটি বিশেষ ধরনের বন কারণ এটি সমুদ্র উপকূলের লবণাক্ত ও জোয়ার-ভাটাপূর্ণ, শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক নিবাসের উদ্ভিজ্জ নিয়ে গঠিত। এছাড়া প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্য এখানকার উদ্ভিদগুলোর কিছু অভিযোেজনিক বৈশিষ্ট্য (শ্বাসমূল) রয়েছে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত মীরার জানা খনিজ সম্পদটি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সম্পদ। বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৭টি। বর্তমানে ২১টি গ্যাসক্ষেত্রের ১১২টি কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন ক্ষেত্রগুলো হচ্ছে- বাখরাবাদ, হবিগঞ্জ, সিলেট, কৈলাশটিলা, রশিদপুর, তিতাস, নরসিংদী, মেঘনা, সাঙ্গু, সালদা নদী, জালালাবাদ, বিয়ানীবাজার, ফেঞ্চুগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ফেনী, বিবিয়ানা, বাঙ্গুরা, শাহবাজপুর, সেমুতাং, বেগমগঞ্জ, কুতুবদিয়া, ছাতক, কামতা, সুলপুর এবং শ্রীকাইল ইত্যাদি।
দেশের মোট জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৭৩ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস পূরণ করে। শিল্পকারখানার কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। ফেঞ্চুগঞ্জের সারকারখানা, ছাতকের সিমেন্ট কারখানা, ঘোড়াশাল সার কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। কীটনাশক, ওষুধ, রাবার, প্লাস্টিক, কৃত্রিম তন্তু প্রভৃতি তৈরিতে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। এছাড়া গৃহস্থালি ও বাণিজ্যিক কাজে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহারের গুরুত্ব অনেক।
প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ। দেশের মোট বাণিজ্যিক জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৭৫ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস পূরণ করে।
শিল্পকারখানায় কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
যেমন: ফেঞ্চুগঞ্জের সার ও ছাতকের সিমেন্ট কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। চা বাগানেও প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এছাড়া কীটনাশক, ঔষধ, রাবার, প্লাস্টিক, কৃত্রিম তত্ত্ব প্রভৃতি তৈরির জন্য প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ফার্নেস তেলের পরিবর্তে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। যেমন- সিদ্ধিরগঞ্জ, আশুগঞ্জ, ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ■ ব্যবহার করা হয়। গৃহস্থালি ও জ্বালানি কাজেও প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, সম্পদ দুটির মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অত্যধিক।
Related Question
View Allমৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা
এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে
বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়।
উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম
চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!