'মুক্তভূমি' নামে গড়ে ওঠা একটি নতুন দেশ দুটো প্রদেশে বিভক্তি ছিল। প্রদেশ দুটোর মধ্যে ধর্ম ছাড়া আর কোন সাংস্কৃতিক মিল ছিল না। শাসন কর্তৃত্ব উত্তর অংশের হাতে থাকায় দক্ষিণাংশের সংস্কৃতির উপর তারা আধিপত্য বিস্তারের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এরই অংশ - হিসেবে তাদের নেতা এক জনসভায় সমগ্র মরুভূমিতে উত্তরাংশে প্রচলিত ভাষা ব্যবহারের ঘোষণা দেন। এতে দক্ষিণাংশের জনগণ ক্ষুব্ধ হয় এবং জনবা মাহফুজ আলমের নেতৃত্বে 'একতা' নামে একটি সংগঠন গড়ে উপরিউক্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

৬ দফা ঘোষণা করা হয় লাহোরে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান জাতীয় কনফারেন্সে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

১৯৬৮ সালের জানুয়ারি মাসে বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদোহ মামলা করা হয়। তখন বঙ্গবন্ধু জেলে ছিলেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ ছিল-বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তাদের গোপন বৈঠক হয়। সেখানে ভারতের সহায়তায় সশস্ত্র আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করা হয়। এজন্য মামলাটির নাম হয় 'আগরতলা মামলা'।"

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ঘটনায় উল্লিখিত হয়েছে মুক্তভূমি নামে গড়ে ওঠা একটি দেশের দুটি প্রদেশের গল্প।

যার মধ্যে একমাত্র ধর্ম ছাড়া অন্যকোনো সাংস্কৃতিক মিল ছিল না এবং শাসন কর্তৃক উত্তর অংশের হাতে থাকায় দক্ষিণাংশের সংস্কৃতির ওপর আধিপত্য লাভের ষড়যন্তে লিপ্ত হয় সমগ্র মুক্তভূমিতে উত্তরাঞ্চলের ভাষা ব্যবহারের ঘোষণা দেন। দক্ষিণ অংশের মানুষ এ ঘোষণায় ক্ষুদ্ধ হয়ে 'একতা' নামে একটি সংগঠন করে উপরিউক্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। উল্লিখিত এ ঘটনার একতা সংগঠনটির মধ্যে পাঠ্যপুস্তকের সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ সংগঠনটি চিত্র ফুটে ওঠেছে। নবগঠিত রাষ্ট্রের দুটি প্রদেশ পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে একমাত্র ভাষা ছাড়া অন্য কোনো' সাদৃশ্য ছিল না। 'তা সত্ত্বেও শতকরা ৯৮% বাংলা ভাষাভাষী মানুষের ওপর মাত্র ১.১% মানুষের মুখের ভাষা উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়া হীন প্রচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। ফলে বাঙালি ঐতিহ্য ভাষা-সংস্কৃতিকে রক্ষার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার উন্মেষ লক্ষ্য করা বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে। তারা একটি সংগঠন গড়ে তোলে ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্বের প্রয়োজনে যা সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ নামে পরিচিত। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদাদানে প্রত্যয়ী বাঙালি সমাজ ও সংগঠনটির মাধ্যমে একতাবদ্ধ হয়ে আন্দোলন। সংগ্রাম সর্বোপরি রক্তের দামে ভাষা অর্জন করে নেয়, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। সুতরাং আলোচনার আলোকে বলতে পারি, উদ্দীপকের একতা নামক সংগঠনটির মধ্যে পাঠ্যপুস্তকের সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের চিত্র ফুটে ওঠে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, উদ্দীপকের ইঙ্গিতকৃত ভাষা আন্দোলনটি আমাদের জাতীয় জীবন ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটিয়েছিল। কেননা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই বাঙালিদের মধ্যে স্বাতন্ত্রবোধ উজ্জীবিত হয়।

বাংলাদেশের ভিত্তিই ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদ। ভাষা আন্দোলন বাঙালিদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দিয়েছে, সাহস যুগিয়েছে। জাতীয় সংকট মোকাবিলা করতে ভাষা আন্দোলন উদ্বুদ্ধ করেছে। বাঙালিরা যে পশ্চিম পাকিস্তানিদের চেয়ে আলাদা, স্বতন্ত্র এ শিক্ষা বাঙালিরা ভাষা আন্দোলন থেকে লাভ করে। ফরাসি পণ্ডিত রেনান বলেন, জাতীয়তাবোধ একটি মানসিক সত্তা- এক প্রকার সজীব মানসিকতা। ভাবগত উপাদান ও বাহ্যিক উপাদান- এ দু উপাদানের সমন্বয়ে একটি সমাজে জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। বাংলাদেশের বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনায় উন্মেষ দুটি উপাদানই রিদ্যমান। যেটুকু অগোছালো, বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সেটুকুও দূর করে মিলেমিশে একাকার করে একই সত্তায় গৃহীত করেছে।

ধর্মীয়ক্ষেত্রে বাঙালি সবসময় উদার মনোভাবের অধিকারী। তাই বলা যায়, বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষে ভাষা আন্দোলনের অবদান অপরিসীম। ভাষা আন্দোলন বাঙালিত্বের পরিচয়কে জাতীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এ আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্ব বাংলায় ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবোধের জন্ম হয়। ভাষা আন্দোলনের. চেতনা পরবর্তীতে পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলনে বিশাল অবদান রেখেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
197
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

শহিদ মিনার নির্মাণের উদ্দেশ্য হলো ভাষাশহিদদের স্মরণ ও ভাষার প্রতি যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন।
১৯৫২ সালের ভাষার জন্য শহিদ হওয়া ব্যক্তিদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ ও তাদের স্মৃতিসংরক্ষণের জন্য ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ঢাকা মেডিকেলের ছাত্ররা প্রথম শহিদ মিনার নির্মাণ শুরু করে এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের বাবা তা উদ্বোধন করেন। কিন্তু পুলিশ ও সেনাবাহিনী তা ভেঙে ফেললে ১৯৫৭ সালে বর্তমান স্থানে শহিদ মিনার স্থাপন শুরু হয় এবং ১৯৬৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নতুন শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
506
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মানভূমের ভাষা আন্দোলনের সাথে আমার * পঠিত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সাদৃশ্য খুঁজে পাই।

উদ্দীপকে দেখা যায়, মানভূমের বাঙালিদের মধ্যে ১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলন গড়ে ওঠে। এসময় রাজনৈতিকভাবে স্কুল-কলেজ ও সরকারি দপ্তরের হিন্দি ভাষা জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ আন্দোলনের সাথে আমার পঠিত বাংলা ভাষা আন্দোলনের * সাদৃশ্য লক্ষণীয়। অনুরূপ ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৬.৪০% মানুষের মুখের ভাষা বাংলার পরিবর্তে মাত্র ৭.২০% মানুষের ভাষা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বরে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। ১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকা এসে ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ঘোষণা করেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। তাছাড়া ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে ঘোষণা করলে পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন নতুন মাত্রা ও সর্বাত্মক রূপলাভ করে। এ সময়ে তমদ্দুন মজলিস ও রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক হরতাল আহূত হলে স্থানীয় প্রশাসন ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ১ মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে এবং সকল সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়। সরকারের এ ঘোষণায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। অতঃপর ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা মিছিল বের করলে পুলিশের গুলিতে সালাম, আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার শহিদ হন। যার ফলে বিশ্ব ইতিহাসে ভাষার জন্য আন্দোলনের এক অবিনশ্বর ইতিহাস রচিত হয়।

অতএব উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে পূর্ব-বাংলার ভাষা আন্দোলনের মিল পরিলক্ষিত হয়। বাংলা ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদ উজ্জীবিত হয় যা স্বাধীনতা যুদ্ধের মূলমন্ত্র ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
374
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বাংলা ভাষা আন্দোলনে 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল' উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটায়। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি সর্বপ্রথম নিজেদের স্বতন্ত্র সত্তা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়। আর এ চেতনাই পরবর্তীতে প্রতিটি গণআন্দোলনে অনুপ্রেরণা জোগায় এবং সকল বৈষম্য থেকে মুক্তির পথ সুগম করে। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় উদ্দীপ্ত হয়ে বাঙালি জাতি ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে শাসক দল মুসলিম লীগের সকল বৈষম্যমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে গণরায় প্রদানের মাধ্যমে যুক্তফ্রন্টকে জয়ী করে। বাঙালি জাতীয়তাবোধে উজ্জীবিত বাঙালি জাতি পরবর্তীতে ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭৩ সালের সাধারণ নির্বাচনে স্বাধিকারের প্রশ্নে পশ্চিম পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগকে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। সর্বোপরি এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতি বুকের তাজা রক্ত দিয়ে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনে। ফলে বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। তাই ঘটনা পরম্পরা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৯৫২ সালে। বাঙালি জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা অর্জন করে তার ধারাবাহিকতাতেই স্বাধীনতা অর্জন করে।

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা দেয় তার মধ্যে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল। তাই উদ্দীপকের উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
701
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। কাল রাত বলতে নৃশংস ও ভয়ংকর রাতকে বোঝানো হয়। ১৯৭১ সালে ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চ লাইট নামে বাঙালি জাতির উপর যে জঘন্য ও নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায় এ রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। এ রাতে অসংখ্য নিরস্ত্র বাঙালিকে নির্বিচারে হত্যা করা হয় এবং ঢাকা শহরের রাস্তায় লাশের স্তূপ তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
548
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews