মুক্তিযোদ্ধা জনাব 'P' যুদ্ধের শুরুতে গঠিত একটি সরকার ব্যবস্থা নিয়ে তার নাতির সাথে কথা বলছিলেন। যুদ্ধকালীন তিনি পার্শ্ববর্তী দেশের একটি শহরে উক্ত সরকারের পক্ষে প্রচারণা ও আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেন। তিনি আরও বলেন, "উক্ত সরকার গঠনে একটি দল এককভাবে পূর্বেকার কিছু দাবি আদায় এবং পরবর্তীতে দেশকে শত্রুমুক্ত করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠন করে।"

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান হলো চরমপত্র।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

১৯৯০ সালে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রা শুরু হয়েছিল। সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের গণতান্ত্রিক ধারা চালু হয়। সংসদীয় সরকার পদ্ধতি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়। দেশে অবাধ তথ্য প্রবাহ সৃষ্টি, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, পত্র- পত্রিকার ওপর থেকে বিধিনিষেধ প্রত্যাহার ইত্যাদি ব্যবস্থা হয়। তাই বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রায় ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব 'P' যে সরকারের কথা বলেছেন তা হলো মুজিবনগর সরকার।

১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। উদ্দীপকে মুক্তিযোদ্ধা জনাব 'P' তার নাতিকে এ সরকারের কথাই বলেছেন। এ সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ-

১. রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

২. উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম (বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি)। 

৩. প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ। 

৪. অর্থমন্ত্রী : এম. মনসুর আলী। 

৫. স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী: এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান। 

৬. পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

এছাড়াও ঐ সরকারকে উপদেশ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। ৬ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদে ছিলেন- মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমেদ, কমরেড মণি সিং, শ্রী মনোরঞ্জন ধর, তাজউদ্দীন আহমদ ও খন্দকার মোশতাক আহমেদ। মুজিবনগর সরকারের এ কাঠামোতেই মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে দেশ পরিচালিত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে জনাব 'P' মুজিবনগর সরকার গঠনে 'আওয়ামী লীগ' নামক দলটির ভূমিকার বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

১৯৭০-এর নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের ফলে আইয়ুব খানের পদত্যাগের পর ইয়াহিয়া খান পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা দিলে আওয়ামী লীগ ১৯৭০-এর নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের ১৬২টি আসনের মধ্যে ১৬০টি আসন লাভ করে। সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ আওয়ামী লীগ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে জাতীয় পরিষদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। আবার পূর্ব পাকিস্তানে প্রাদেশিক পরিষদের সংরক্ষিত ১০টি মহিলা আসনসহ মোট ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৯৮টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগ এককভাবে সরকার গঠন ও ৬ দফার পক্ষে গণরায় লাভ করে। তাই মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে পরিচালনা, সুসংহত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। উদ্দীপকে জনাব 'P' মুজিবনগর সরকার ও মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী প্রধান রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকার কথা বলেছেন। রাজনৈতিক নেতৃত্বই মুক্তিযুদ্ধের গতি-প্রকৃতি নির্ধারণ করে। আওয়ামী লীগ পূর্ববাংলার জনগণকে স্বাধিকার আন্দোলনে সংগঠিত করে এবং জনগণকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে সকল মুক্তিকামী মানুষকে সাথে নিয়ে মুজিবনগর সরকারের দিক নির্দেশনায় ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতা অর্জন করে।

পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে জনাব 'P'-এর শেষোক্ত উক্তিটি যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
141
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে 'গণযুদ্ধ' বা 'জনযুদ্ধ' নামে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.7k
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুজিবনগর সরকার গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে পরিচালনা, সুসংহত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে ১৯৭০-এর নির্বাচনে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। ওই দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা আদেশ'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.4k
উত্তরঃ

আরিফার বাবা স্বাধীন বাংলা বেতারের শিল্পী ছিলেন। স্বাধীন বাংলা বেতার একটি গণমাধ্যম। অর্থাৎ, আরিফার বাবা গণমাধ্যমে কাজ করতেন। মুক্তিযুদ্ধে উক্ত মাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। সংবাদপত্র ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম বেতারের শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন। পরে এটি মুজিবনগর সরকারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র সংবাদ, দেশাত্মবোধক গান, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা, রণাঙ্গনের নানা ঘটনা ইত্যাদি দেশ ও জাতির সামনে তুলে ধরে সাধারণ মানুষকে যুদ্ধের প্রতি অনুপ্রাণিত করে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস জুগিয়ে বিজয়ের পথ সুগম করে। এছাড়া মুজিবনগর সরকারের প্রচার সেলের তত্ত্বাবধানে 'জয় বাংলা' পত্রিকা মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। অতএব বলা যায়, আরিফার বাবার মতো সংস্কৃতিকর্মী এবং প্রচারমাধ্যম মুক্তিযুদ্ধকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.2k
উত্তরঃ

স্বাধীনতা অর্জন ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে আরিফার মায়ের মতো অনেক নারীর ভূমিকাই ছিল তাৎপর্যপূর্ণ।

উদ্দীপকে উল্লিখিত আরিফার মা মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে খাবার সরবরাহ করতেন। মাঝে মাঝে সেখানে গিয়ে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা করতেন। আরিফার মায়ের ন্যায় মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল। ১৯৭১ সালের মার্চের প্রথম থেকেই দেশের প্রতিটি অঞ্চলে যে সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়, তাতে নারীদের বিশেষ করে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। মুক্তিযোদ্ধা শিবিরে পুরুষের পাশাপাশি নারীরা অস্ত্রচালনা ও গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। অপরদিকে, সহযোদ্ধা হিসেবে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা-শুশ্রুষা, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়দান ও তথ্য সরবরাহ করে যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এদেশের অগণিত নারী মুক্তিসেনা। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক ধর্ষিত হন প্রায় তিন লক্ষ মা-বোন। তারাও মুক্তিযোদ্ধাদের সহযাত্রী এবং ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারিভাবে তাদেরকে 'বীরাঙ্গনা' উপাধিতে ভূষিত করেন।

উপরিউক্ত আলোচনার আলোকে বলা যায়, স্বাধীনতা অর্জন ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে আরিফার মায়ের মতো অনেক নারীই তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
941
উত্তরঃ

যে তহবিল থেকে প্রসূত নারীদের অনুদান প্রদান করা হয় সেই তহবিল হচ্ছে 'ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

কোনো দেশের সংবিধান রচনার জন্য নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে যে পরিষদ বা কমিটি গঠন করা হয়, তাকে গণপরিষদ (Constituent Assembly) বলে। যেমন- স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু 'বাংলাদেশ গণপরিষদ' নামে একটি আদেশ জারি করেন। এ আদেশবলে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত সদস্যগণ গণপরিষদের সদস্য বলে পরিগণিত হন।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.7k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews