মুখ্য অর্থ:যেমন 'কাটা' শব্দ দিয়ে মূলত কোনো কিছু কেটে ফেলা বোঝায়। এখানে কেটে ফেলা হলো 'কাটা' শব্দের মুখ্য অর্থ। গৌণ অর্থ: মুখ্য অর্থের বাইরেও একটি শব্দের একাধিক অর্থ থাকতে পারে। এগুলোকে বলে শব্দের গৌণ অর্থ।
মুখ্য অর্থ এবং গৌণ অর্থ হলো শব্দের অর্থবোধক দুইটি পৃথক ধরন। এগুলো শব্দের অর্থ ব্যবহার এবং প্রেক্ষাপটের ওপর নির্ভর করে ভিন্ন হতে পারে।
মুখ্য অর্থ:
শব্দের প্রধান বা সাধারণ অর্থকে মুখ্য অর্থ বলা হয়। এটি হলো শব্দের সেই অর্থ, যা সাধারণভাবে বা প্রাথমিকভাবে বোঝানো হয়। একটি শব্দ যখন তার স্বাভাবিক, প্রচলিত বা সরাসরি অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে মুখ্য অর্থ বলে।
উদাহরণ:
- "সূর্য উদিত হলো।" এখানে "সূর্য" শব্দের মুখ্য অর্থ হলো সেই জ্যোতির্ময় বস্তু যা আমাদের পৃথিবীর আলোর প্রধান উৎস।
গৌণ অর্থ:
শব্দের গৌণ বা পরোক্ষ অর্থকে গৌণ অর্থ বলা হয়। এটি সেই অর্থ, যা একটি শব্দের মুখ্য অর্থ থেকে সরে এসে রূপক বা প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত হয়। যখন কোনো শব্দ রূপক, প্রতীকী, বা নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে নতুন বা ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন সেটাকে গৌণ অর্থ বলা হয়।
উদাহরণ:
- "আমার জীবন থেকে সূর্য অস্ত গেছে।" এখানে "সূর্য" শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যার মুখ্য অর্থ "আলোকদাতা নক্ষত্র" হলেও গৌণ অর্থে এটি জীবনের আনন্দ বা সুখের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উপসংহার: মুখ্য অর্থ শব্দের প্রাথমিক ও সাধারণ অর্থ নির্দেশ করে, আর গৌণ অর্থ হলো রূপক বা প্রসঙ্গগত ভিন্নতায় ব্যবহৃত অর্থ।
Related Question
View Allলোকশিল্প আমাদের প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক। এসব পণ্য শুধু এদেশের মানুষের জীবন-জীবিকার সাথেই যুক্ত নয়, শিল্প-সৌন্দর্যেও অনন্য। সুপরিকল্পিত উপায়ে, প্রসারের দিকে মনোযোগ দিলে এসব পণ্যদ্রব্যই হয়ে উঠতে পারে আমাদের দারিদ্র্য বিমোচনের মোক্ষম হাতিয়ার। বিদেশিদের কাছে আমাদের ঐতিহ্যকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারলে রপ্তানির মাধ্যমে আমরা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি। তাই লোকশিল্প সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের দায়িত্ব আমাদের সকলেরই।
‘আমি সাগর পাড়ি দেবো’মাতৃপ্রেম ও দেশপ্রেমের কবিতা|কবিতায় মা ও স্বদেশ একাকার হয়ে আছে|কবি এখানে দুঃসাহসী সওদাগর হয়ে সপ্ত মধুকর সাগরে ভাসিয়ে দেশান্তরে যেতে ইচ্ছুক|পথের সকল বাধা অতিক্রম করে তিনি পৃথিবীতে সমুদয় দেশ থেকে ধনরত্ন বোঝাই করে দেশে ফিরতে চান|এমনকি নিজ দেশের সম্পদ অন্য দেশে রপ্তানি করতেও চান|আর নিজের দেশের অভাব ওমিটাতে চান অন্য দেশ থেকে সম্পদ আহরণ করে|কারণ কবির দেশমাতা বড়ো দুঃখী,বড়ো অভাবী|তাই মায়ের অভাব ও দুঃখ ঘুচিয়ে মাকে সুখি করাই কবির জীবনের একমাত্র ব্রত|
‘আমি সাগর পাড়ি দেবো’মাতৃপ্রেম ও দেশপ্রেমের কবিতা|কবিতায় মা ও স্বদেশ একাকার হয়ে আছে|কবি এখানে দুঃসাহসী সওদাগর হয়ে সপ্ত মধুকর সাগরে ভাসিয়ে দেশান্তরে যেতে ইচ্ছুক|পথের সকল বাধা অতিক্রম করে তিনি পৃথিবীতে সমুদয় দেশ থেকে ধনরত্ন বোঝাই করে দেশে ফিরতে চান|এমনকি নিজ দেশের সম্পদ অন্য দেশে রপ্তানি করতেও চান|আর নিজের দেশের অভাব ওমিটাতে চান অন্য দেশ থেকে সম্পদ আহরণ করে|কারণ কবির দেশমাতা বড়ো দুঃখী,বড়ো অভাবী|তাই মায়ের অভাব ও দুঃখ ঘুচিয়ে মাকে সুখি করাই কবির জীবনের একমাত্র ব্রত|
আমাদের লোকশিল্পের অন্যতম দৃষ্টান্ত নকশিকাঁথা। সাধারণত গ্রাম বাংলার মেয়েরা এ কাঁথা সেলাই করে থাকে। বিশেষ করে বর্ষার মৌসুমে যখন সারাদিন বৃষ্টি হয় তখন মেয়েরা বসত এ কাঁথা সেলাই করতে। এক একটি কাঁথা সেলাই করতে প্রায় ছয় মাস লেগে যেত। নকশিকাঁথা সেলাই করার সময়ে মেয়েরা তাদের নিজের জীবনের সুখ-দুঃখের কথা একে অন্যের সঙ্গে বিনিময় করত। আন্তরিকতার ও জীবনঘনিষ্ঠতার কারণেই বলা হয়-কাঁথার সেলাই বা সুচের ফোঁড়ের মধ্যে লুকিয়ে থাকে তাদের জীবনগাঁথা।
অতিথি হয়তো কবির বাড়িতে আসার পথ ভুল করতে পারেন তাই কবি তাকে মৌরি ফুলের গন্ধ শুঁকে তার রথ (যাত্রা) থামাতে বলেছেন।
কবি তাঁর প্রিয় অতিথির আপ্যায়নের জন্য সব আয়োজন সম্পন্ন করে রেখেছেন। তারপরও কবি কোনোভাবেই দ্বিধামুক্ত হতে পারছেন, যদি অতিথি বাড়ির পথ ভুল করে অন্য পথে চলে যায়, তাই কবির বাড়িতে অতিথির আসার পথে যেন কোনো ভুল না হয় সেজন্য কবি অতিথিকে মৌরি ফুলের গন্ধ শুঁকে থামতে বলেছেন এবং বরাবর আসতে বলেছেন।
‘আমি সাগর পাড়ি দেবো’মাতৃপ্রেম ও দেশপ্রেমের কবিতা|কবিতায় মা ও স্বদেশ একাকার হয়ে আছে|কবি এখানে দুঃসাহসী সওদাগর হয়ে সপ্ত মধুকর সাগরে ভাসিয়ে দেশান্তরে যেতে ইচ্ছুক|পথের সকল বাধা অতিক্রম করে তিনি পৃথিবীতে সমুদয় দেশ থেকে ধনরত্ন বোঝাই করে দেশে ফিরতে চান|এমনকি নিজ দেশের সম্পদ অন্য দেশে রপ্তানি করতেও চান|আর নিজের দেশের অভাব ওমিটাতে চান অন্য দেশ থেকে সম্পদ আহরণ করে|কারণ কবির দেশমাতা বড়ো দুঃখী,বড়ো অভাবী|তাই মায়ের অভাব ও দুঃখ ঘুচিয়ে মাকে সুখি করাই কবির জীবনের একমাত্র ব্রত|
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!