মুদ্রাস্ফীতি ও মুদ্রা সংকোচন যেকোনো দেশের অর্থনীতির জন্য খারাপ সংকেত বহন করে। তাই সরকার মুদ্রাস্ফীতি কমানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ প্রদান করে। তাই ঋণ প্রবাহ কমানোর মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি কমানোর উদ্দেশ্যে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সুদের হার ৪% থেকে বাড়িয়ে ৬% করে। এমতাবস্থায় ব্যাংকগুলোর পর্যাপ্ত তারল্য থাকায় এতে তেমন কোনো কার্যক্রমের সুফল পরিলক্ষিত হয় নাই। পরবর্তীতে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে জামানত সম্পদের বিপরীতে ঋণ মার্জিনের হার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৃদ্ধি করার নির্দেশ দেন। 

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংকিং লেনদেন থেকে সৃষ্ট আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনার নিষ্পত্তিস্থলই হলো নিকাশ ঘর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয়।

তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহ যেকোনো কারণেই তারল্য সংকটে বা আর্থিক সংকটে পড়তে পারে। এ সময় ব্যাংকগুলো অন্য কোনো উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ সরবরাহে এগিয়ে আসে। এক্ষেত্রে এই ব্যাংক ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও ব্যাংক বাণিজ্যিক হুন্ডি, প্রতিজ্ঞাপত্র ইত্যাদি পুনঃবাট্টা করে ঋণ দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে প্রথমে জমার হার পরিবর্তন নীতি ব্যবহার করেছে।

তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো এর আমানতের একটি নির্দিষ্ট অংশ বাধ্যতামূলকাভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে। এই জমার হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশে ঋণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য যে কৌশল ব্যবহার করে তাকে জমার হার পরিবর্তন নীতি বলা হয়। দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংক তালিকাভুক্ত হয়ে পরিচালিত হলেই এরূপ নীতি কার্যকর হয়।

উদ্দীপকে উল্লেখ্য, দেশের মুদ্রাস্ফীতি কমানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ প্রদান করে। তাই ঋণ প্রবাহ কমানোর মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি কমানোর উদ্দেশ্যে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সুদের হার ৪% থেকে বাড়িয়ে ৬% করে। নগদ জমার হার বাড়ানোর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জমার হার বাড়িয়েছে। অর্থ বাজারে ঋণের পরিমাণ কমাতে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো আগের তুলনায় বেশি পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখবে। ফলে বাজার ঋণের পরিমাণ কমে যায়। মুদ্রারমান স্থিতিশীল হবে। তাই বলা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে প্রথমে জমার হার পরিবর্তন নীতি অনুসরণ করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণে দ্বিতীয় পদ্ধতিটি তথা জামানতী ঋণের প্রান্তিক হার পরিবর্তন অধিক কার্যকর ভূমিকা পালনে সক্ষম বলে আমি মনে করি।

কী পরিমাণ মূল্যের জামানতের বিপক্ষে কত টাকা ঋণ দেওয়া হবে সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় নতুন নিয়ম-নীতি নির্ধারণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের জামানতী ঋণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ধরা যাক, ব্যাংকসমূহ ১০০ টাকার সম্পদ জামানত রেখে ৭০ টাকা ঋণ দেয়। অর্থাৎ, ৩০% ঋণ মার্জিন রাখা হয়। এক্ষেত্রে সরকার ঋণের পরিমাণ কমাতে চাইলে ঋণ মার্জিনের পরিমাণ ৫০% নির্ধারণ করতে পারে।

উদ্দীপকে সরকার মুদ্রাস্ফীতি কমানোর জন্য প্রথমে জমার হার পরিবর্তন নীতি প্রয়োগ করে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর পর্যাপ্ত তারল্য থাকায় এতে তেমন কোনো সুফল হয় নি। পরবর্তীতে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে জামানত সম্পদের বিপরীতে ঋণ মার্জিনের হার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৃদ্ধি করার নির্দেশ দেয়। বাংলাদেশ ব্যাংক মূলত এ পর্যায়ে জামানতী ঋণের প্রান্তিক হার বৃদ্ধি করেছে। ফলে জামানতী সম্পদের বিপরীতে ঋণ গ্রহীতা আগের তুলনায় কম ঋণ পাবে। এতে ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে ঋণ গ্রহণের প্রবণতা কমবে। অর্থাৎ, মুদ্রা বাজারে অতিরিক্ত অর্থ প্রবাহও কমবে। যার ফলে দেশের মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পাবে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণে দ্বিতীয় পদ্ধতিটি অধিক কার্যকর ভূমিকা পালনে সক্ষম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
167

Related Question

View All
উত্তরঃ

তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নগদে ও অংশবিশেষ বন্ড, সিকিউরিটিজ কিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখার বিধানকে বিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত হার বা Statutory Liquidity Ratio (SLR) বলে। বর্তমানে SLR-এর হার ১৩%।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
396
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয়।
তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহ যেকোনো কারণেই তারল্য সংকটে 'বা আর্থিক সংকটে পড়তে পারে। এ সময় ব্যাংকগুলো অন্য কোনো উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ সরবরাহে এগিয়ে আসে। এক্ষেত্রে এই ব্যাংক ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও ব্যাংক বাণিজ্যিক হুন্ডি, প্রতিজ্ঞাপত্র ইত্যাদি পুনঃবাট্টা করে ঋণ দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
263
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকাশঘর নামক বিশেষ কক্ষের কথা উল্লেখ রয়েছে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের মধ্যকার আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির স্থান হলো নিকাশঘর। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। সদস্য ব্যাংকগুলো প্রতি কার্যদিবসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সেবার মাধ্যমে তাদের দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত আন্তঃব্যাংকিং নিকাশঘর পরিচালনা করে।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক হলো মুদ্রাবাজারের অভিভাবক। এই ব্যাংকের একটি বিশেষ কক্ষ রয়েছে। উক্ত কক্ষে তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহের পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিশেষ কক্ষ হলো নিকাশঘর। এখানে সদস্য ব্যাংকগুলো প্রতি কার্য দিবসে তাদের দেনা-পাওনার বিবরণী নিয়ে উপস্থিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সবার দেনা ও পাওনা সমন্বয় করে। ফলে খুব সহজেই ব্যাংকগুলো অন্য ব্যাংকের চেক, বিল, ড্রাফট ইত্যাদি নিষ্পত্তি করতে পারে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকাশঘরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
213
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাংক হার 'নীতি ও জমার হার পরিবর্তন নীতি গ্রহণ করেছে।

ব্যাংক ঋণের হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল হলো ব্যাংক হার নীতি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি প্রতিরোধে ব্যাংক হার বৃদ্ধি করে। আবার, প্রতিটি তালিকাভুক্ত ব্যাংক আমানতের একটি অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে। এ হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করাই হলো জমার হার পরিবর্তন নীতি।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ ও আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে। সম্প্রতি দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি তার সুদের হার ৫% থেকে ৬%-এ উন্নীত করে। তবুও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক CRR বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়। প্রতিটি তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক যে হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করে তাই ব্যাংক হার। উদ্দীপকে প্রথমত ব্যাংক হার বৃদ্ধি করা হয়। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংক কম ঋণ গ্রহণ করবে এবং বাজারে অর্থের সরবরাহ হ্রাস পাবে। কিন্তু ব্যাংকগুলো যদি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয় তাহলে এ নীতি তেমন কার্যকর হয় না। আবার প্রতিটি তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংককে আমানতের একটি অংশ বাধ্যতামূলকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। এই হারকে জমার হার বলা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ হার বৃদ্ধি করলে ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে বাজারে ঋণ সরবরাহও হ্রাস পায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ব্যাংক হার নীতি ও জমার হার পরিবর্তন নীতির মধ্যে জমার হার পরিবর্তন নীতি অধিক কার্যকর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
211
উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যে সুদের হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নেয় বা প্রথম শ্রেণির বিল বা সিকিউরিটিজ বাট্টা করে, সেই হারকে ব্যাংক হার বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
414
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে খোলাবাজারে বন্ড, সিকিউরিটিজ, বিল, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ইত্যাদি কেনা-বেচা করাকে খোলাবাজার নীতি বলে।

বাজারে অর্থের সরবরাহ বেশি হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলাবাজারে জনগণকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি কেনার আহ্বান জানায়। আবার অর্থ সরবরাহ কম হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনগণের কাছ থেকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি ক্রয় করে। এতে ঋণের প্রবাহ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
643
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews