মুসা ইব্রাহিমের বসবাসকৃত এলাকা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল, বদ্বীপ সমভূমির অন্তর্গত। বদ্বীপের গঠন প্রক্রিয়া বিশেষ বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত।
বদ্বীপ নদীর সঞ্চয়জাত ভূমিরূপের মধ্যে একটি বিশিষ্ট ভূমিরূপ। নদীর শেষ পর্যায়ে বদ্বীপ গঠিত হয়। এরপর নদীর আর কোনো পরিবহন, ক্ষয় বা সঞ্চয়কার্য চলে না। বরং নদী সমুদ্রে পতিত হয়।
বদ্বীপ নদীবাহিত পলি দ্বারা সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ। নদীর বার্ধক্য অবস্থায় পলি সঞ্চিত হয়ে বদ্বীপের সৃষ্টি হয়। স্রোতের গতিবেগ হ্রাসের ফলে মোহনায় নদীবাহিত কাদা, পলি, বালু, কাঁকর, নুড়ি প্রভৃতি স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে যে ত্রিকোণ '△' বিশিষ্ট ভূমিরূপ গঠিত হয় তাকে বদ্বীপ বলে। নদীবাহিত এসব তলানি (নুড়ি, বালি ইত্যাদি) নদীর মোহনায় চরের সৃষ্টি করে। পরে চরসমূহে বাধা পেয়ে নদীর স্রোতধারা বিচ্ছিন্ন হলে ত্রিকোণাকার এক নতুন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। এরূপ নতুন ভূমিরূপ, মাত্রাহীন বাংলা 'ব' অক্ষরের ন্যায় বলে একে বদ্বীপ বলে।
সুতরাং সবশেষে বলা যায়, বদ্বীপ গঠনে নদীর ভূমিকা একক এবং বিশিষ্ট।
Related Question
View Allযে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে নদী উপত্যকা বলে।
উর্ধ্বগতি অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ প্রবল হওয়ার কারণে নদী বড় বড় শিলাখন্ডকে বহন করে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। পর্বতগুলো কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত হলেও মাঝে মাঝে নরম শিলাও থাকে। নদীখাতে পার্শ্ব অপেক্ষা নিম্নদিকের শিলা বেশি কোমল বলে পার্শ্বক্ষয় অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয়। এভাবে ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা অনেকটা ইংরেজি 'V' আকৃতির হয়।তাই একে 'V' উপত্যকা বলা হয়।
প্রবাহিত নদী খাতকে উক্ত নদীর উপত্যকা বলে।
ঊর্ধ্বগতিতে নদীর পার্শ্বক্ষয় অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয় বলে উপত্যকা 'V' আকৃতির হয়।
ঊর্ধ্বগতি অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ প্রবল হওয়ায় তা বড় বড় শিলাখণ্ডকে বহন করে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। পর্বতগুলো কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত হলেও মাঝে মাঝে নরম শিলাও থাকে। নদীখাতে নিচের শিলা বেশি কোমল বলে পার্শ্ব অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয়। এভাবে ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা অনেকটা ইংরেজি 'V' আকৃতির হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!