মুস্তফা সাহেব শয্যাশায়ী। তিনি নামায আদায় করবেন। তার পবিত্রতা অর্জনের জন্য ওযু করা দরকার। কিন্তু ডাক্তার তাকে পানি ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। মুস্তফা সাহেবের ছেলে তাকে তায়াম্মুম করে নামায আদায় করতে বললেন এবং শরীরের কোথাও নাজাসাত লেগে থাকলে তায়াম্মুমের পূর্বে তা পবিত্র মাটি দ্বারা ঘষে তুলে ফেলতে বললেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ওযূ কিংবা গোসলের প্রয়োজনে পবিত্র পানি পাওয়া না গেলে অথবা শারীরিক অসুস্থতার কারণে পানি ব্যবহারে অক্ষম হলে পবিত্র মাটি বা ঐ জাতীয় বস্তু (যেমন- পাথর, চুনা, বালু ইত্যাদি) দিয়ে শরীর পাক করাকে তায়াম্মুম বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

নাজাসাতে হাকিকি হচ্ছে ঐ সকল নাপাক বস্তু যাতে মানুষের মনে স্বভাবত ঘৃণা আসে। প্রত্যেকে এগুলো থেকে নিজের শরীর, জামাকাপড় ও অন্যান্য ব্যবহারের জিনিসপত্র বাঁচিয়ে রাখতে চায়। ইসলাম এসব থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। যেমন- প্রস্রাব-পায়খানা, রক্ত ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

মুস্তফা সাহেব শয্যাশায়ী। শারীরিক অসুস্থতার কারণে পানি ব্যবহারে অক্ষম। তাই তাকে তায়াম্মুম করে নামায আদায় করতে হবে। তায়াম্মুম করার পূর্বে মুস্তফা সাহেব শরীরের কোথাও নাপাক বস্তু লেগে থাকলে তা পবিত্র মাটি দ্বারা ঘষে তুলে ফেলবেন। এরপর তায়াম্মুম করার উদ্দেশ্যে তাকে প্রথমে পবিত্রতা হাসিলের নিয়ত করতে হবে। নিয়ত করত প্রথমে পাক মাটি বা মাটিজাতীয় কোনো পবিত্র বস্তুতে দুই হাত লাগিয়ে সমস্ত মুখমণ্ডল একবার মাসেহ করতে হবে। পুনরায় মাটিতে দুই হাতে মেরে উভয় হাত কনুই পর্যন্ত মাসেহ করবে। এভাবে তায়াম্মুম করে মুস্তফা সাহেব নামায আদায় করতে পারবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

আল্লাহ কুরআন মজিদে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি জিন ও মানুষকে কেবলমাত্র তাঁর ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। মানুষের এ ইবাদতের জন্য তাহারাত সম্পর্কে কুরআন ও হাদিসে উল্লেখ রয়েছে।

তাহারাত সম্পর্কে মহানবি (স.) যা বলেছেন, তাহারাত বা পবিত্রতা ইমানের অঙ্গ। আল্লাহ যেমন পবিত্রতা পছন্দ করেন তেমনি মহানবি (স.) পবিত্রতা অর্থাৎ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ভালোবাসেন। মহানবি (স.) তাহারাত সম্পর্কে বলেছেন, "আত্মহ্বর শতরুল ইমান” অর্থাৎ “পাক-পবিত্রতা ইমানের অর্ধাংশ।” এ পবিত্রতা শুধুমাত্র বাহ্যিক পবিত্রতা নয়। শরীর, পোশাক পরিষ্কার রাখার সাথে সাথে মন ও পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র রাখতে হবে। ইবাদতের ক্ষেত্রে তাহারাত অর্থাৎ পবিত্রতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্রতা অর্জন ছাড়া ইবাদত কবুল হয় না। তাই আমাদের উচিত পাক-পবিত্র হয়ে ইবাদতসহ সকল কাজ সম্পাদন করা।

অতএব আমরা বলতে পারি যে, নামায আদায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। সুতরাং নামায আদায়ের পূর্বে অবশ্যই সঠিক পন্থায় পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। অন্যথায় নামায আদায় হবে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
51

আল্লাহ তায়ালার দাসত্ব স্বীকার করাকে ইবাদত বলে। আল্লাহর সকল আদেশ-নিষেধ, বিধিবিধান মেনে চলার নামই ইবাদত। পরকালের শান্তির জন্য মানুষ সালাত, সাওম ইত্যাদি পালন করে থাকে। দুনিয়ার প্রত্যেকটি কাজ বিসমিল্লাহ বলে শুরু করাও ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • ইবাদতের ধারণা, তাৎপর্য ও প্রকারভেদ বর্ণনা করতে পারব।
  • পবিত্রতা ও অপবিত্রতার ধারণা ও পবিত্র থাকার প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা করতে পারব।
  • পবিত্র হওয়ার উপায় বর্ণনা করতে পারব।
  • সালাত (নামায) আদায়ের নিয়মকানুন, সময়সূচি ও সালাতের ফরজ, ওয়াজিব ইত্যাদি সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব।
  • সালাত (নামায) ভঙ্গের কারণ বর্ণনা করতে পারব।
  • সিজদাহ্ সাহু ও সিজদাহ্ তিলাওয়াতের ধারণা ও প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা করতে পারব।
  • বাস্তব জীবনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলাবোধ, নিয়মানুবর্তিতা ও সাম্যের শিক্ষা অর্জনে সালাতের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইবাদত শব্দের অর্থ হলো- আল্লাহর আদেশ-নিষেধ, বিধিবিধান মেনে চলা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
242
উত্তরঃ

আমাদের পবিত্র থাকা প্রয়োজন। কেননা আল্লাহ তায়ালা পবিত্র ব্যক্তিকে ভালোবাসেন। আল্লাহ তায়ালা এ মর্মে বলেন, "আর উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জনকারীদের আল্লাহ তায়ালা ভালোবাসেন” (সূরা আত-তাওবা : ১০৮)। সালাত ও তিলাওয়াতের জন্য পবিত্রতা প্রয়োজন। এছাড়া পবিত্রতা ইমানের অঙ্গস্বরূপ। তাই আমাদের পবিত্র থাকা প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
307
উত্তরঃ

শরীফ পাঁচ ওয়াক্ত নামাযসহ সকল প্রকার ইবাদত করার চেষ্টা. করে। সে তার বন্ধু আরিফকেও সালাতের জন্য আহ্বান করে। এসব কাজের দ্বারা বোঝা যায়, শরীফ একজন মুমিন মুসলমান।

মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদত-বন্দেগি করার জন্য। আল্লাহ তায়ালা এ মর্মে বলেন, “আর আমি জিন ও মানবজাতিকে শুধু আমার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি” (সূরা আয যারিআত : ৫৬)। এজন্য কোনো মানুষ ইমান আনার সাথে সাথে সালাত আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর আনুগত্য প্রকাশ করে।

এছাড়া সে ইসলামের অন্যান্য মৌলিক বিধান যথা: সাওম, যাকাত, হজ ইত্যাদি পালন করে। ব্যক্তিজীবনে সততা অবলম্বন করে, অন্যায় ও পাপাচার থেকে বিরত থাকে। সবার কল্যাণে কাজ করে। এগুলোই মুমিনের বৈশিষ্ট্য। উদ্দীপকের শরীফের মাঝে এসব বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। বস্তুত সে নামায আদায়সহ অন্যান্য ইবাদত করার চেষ্টা করে বিধায় তাকে মুমিন হিসেবে গণ্য করা হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
198
উত্তরঃ

আরিফ বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে নামায পড়া হতে বিরত থাকে, সে আরও বলে- শুধু যে আমি একা ইবাদত করি না তাতো নয়। অনেকেই তো আছে যারা কোনো প্রকার ইবাদত করে না। তাদের যা হবে আমারও তাই হবে। আরিফের এরূপ আচরণ ও কর্মকাণ্ডের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।

ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত পরিত্যাগ করা কুফরি। রাসুল (স.) বলেছেন, "মুমিন ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হলো- সালাত পরিত্যাগ করা।” তিনি আরও বলেছেন, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ত্যাগ করল, সে কুফরি করল।" আর কুফরির পরিণাম জাহান্নাম। আরিফ শুধু নামাযই পরিত্যাগ করেনি, সে তার কথায় আল্লাহর প্রতি চরম ঔদ্ধত্যও প্রকাশ করেছে। এ ধরনের ঔদ্ধত্য প্রকাশের জন্যও সে জাহান্নামে যাবে। কারণ ইবলিশ ঔদ্ধত্য প্রকাশ করার কারণে আল্লাহর অভিশাপে নিপতিত হয় এবং চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নামি হয়। মানুষকে সৃষ্টির একমাত্র উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর ইবাদত করা। কেউ যদি ইবাদত না করে ভুল স্বীকার করে আল্লাহর দরবারে অনুতপ্ত হয়ে তওবা করে, তাহলে আল্লাহ তায়ালা তাকে ক্ষমা করে দিতে পারেন। কিন্তু কেউ যদি ইবাদত না করে এবং বলে অন্যদের যা হবে আমারও তা হবে, তাহলে আল্লাহর শাস্তি হতে সে রেহাই পাবে না। কারণ আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা কুফরি কর, তাহলে জেনে রাখ আমার শাস্তি অত্যন্ত কঠিন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
173
উত্তরঃ

সালাত আদায়ের অন্যতম কারণ হলো- এটি ইসলামের দ্বিতীয় রুকন। এজন্য আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক মুমিনকে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, 'এবং তোমরা নামায কায়েম কর ও যাকাত আদায় কর' (সূরা আল বাকারা : ৪৩)। তাছাড়া সালাত মানুষকে অন্যায় ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরতি রাখে। এ মর্মে আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয়ই সালাত মানুষকে অশ্লীল ও অন্যায় কাজ হতে বিরত রাখে। (সূরা আনকাবুত : ৩৫)

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
296
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews