মূলধন সরবরাহকারীদের প্রত্যাশিত চাহিদা মেটাতে প্রতিষ্ঠানকে সর্বনিম্ন যে হারে আয় করতে হয় তাকে মূলধন ব্যয় বলে।
কোনো বিনিয়োগ প্রকল্প থেকে মূলধন ব্যয়ের চাইতে বেশি হারে আয় করতে পারলে প্রকল্পটি লাভজনক হয়। তাই মূলধন ব্যয় ব্যতীত বিনিয়োগ প্রকল্প মূল্যায়ন সম্ভব নয়। আবার মূলধনের যেসব উৎসের ব্যয় সর্বনিম্ন ঐ উৎসগুলো থেকে মূলধন সংগ্রহ করা হয়। কারণ কম। মূলধন ব্যয় বিনিয়োগের মুনাফাকে বাড়ায়। এজন্যই মূলধন ব্যয় জানা জরুরি। তাই বিনিয়োগ প্রকল্প মূল্যায়ন ও ঋণনীতি বাস্তবায়নে মূলধন ব্যয় নির্ণয় গুরুত্বপূর্ণ।
না
প্রতিটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব মূলধন ব্যয় থাকে। মূলধন ব্যয় বলতে বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত তহবিলের ব্যয় বুঝায়। সাধারণত তহবিলের যোগানদাতাদের প্রত্যাশিত আয় প্রতিষ্ঠানের জন্য মূলধন ব্যয় হিসেবে গণ্য হয়। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন উৎস থেকে প্রয়োজনীয় তহবিলের সংস্থান করে। তহবিলের বিভিন্ন উৎসের মূলধন ব্যয় সমান হয় না। ফলে প্রতিটি উৎসের পৃথকভাবে মূলধন ব্যয় নির্ণয়ের প্রয়োজন হয়। এ অধ্যায়ে আমরা মূলধন ব্যয়, মূলধন ব্যয় নির্ণয়ের গুরুত্ব, তহবিলের বিভিন্ন উৎসের মূলধন ব্যয় নির্ণয় এবং অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারব।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা -
- মূলধন ব্যয়ের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
- মূলধন ব্যয় নির্ণয়ের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
- মূলধন খরচ নির্ণয় করতে পারব।
- মূলধন খরচের ভিত্তিতে বিভিন্ন উৎসের মূল্যায়ন করতে পারব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!