মূল মধ্যরেখার সাথে ( স্থানটির অবশ্যই সময়গত পার্থক্য রয়েছে।
মূল্যমধ্যরেখা ০° তে অবস্থিত। আর Q স্থানটি ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমার অবস্থিত। দ্রাঘিমার পার্থক্যের কারণে স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হয়।
পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূব দিকে ঘুরছে। এজন্যই পূর্ব দিকের স্থানগুলোতে আগে দিন হচ্ছে এবং পশ্চিম দিকের স্থানগুলোতে পরে দিন হচ্ছে। পৃথিবীর আবর্তনের জন্য কোনো একটি স্থানে সূর্য যখন ঠিক মাথার উপরে আসে তখন ঐ স্থানে মধ্যাহ্ন। ঐ স্থানের ঘড়িতে তখন দুপুর ১২ টা ধরা হয়। এ মধ্যাহ্ন থেকেই দিনের অন্যান্য সময়গুলো ঠিক করা হয়। আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় স্থির করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে। ঐ স্থান থেকে যত দূরের স্থান হবে সে হিসাবে প্রতি দ্রাঘিমার জন্য সময় বাড়বে বা কমবে। স্থানটি যদি সেই স্থানের পশ্চিম দিকের স্থান হয় তবে এর ব্যবধানের জন্য ৪ মিনিট কম হবে। স্থানটি পূর্ব দিকের হলে ব্যবধানের জন্য ৪ মিনিট যোগ করতে হবে।
উদ্দীপকে স্থানটির সাথে মূলমধ্যরেখার পার্থক্য হবে (৯০ 8) = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। যেহেতু স্থানটি মূলমধ্যরেখার - সুতরাং স্থানটি মূলমধ্যরেখা হতে ছয় ঘন্টা অগ্রবর্তী। সুতরাং বলা যায়, দ্রাঘিমায় পার্থক্যের কারণে দুটি স্থানের সময়ের ব্যবধান হবে।
Related Question
View Allপৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখা পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে।
নিরক্ষরেখার মান ০° ধরা হয়। নিরক্ষরেখার অপর নামগুলো হলো- বিষুবরেখা (Equator), ০° অক্ষরেখা, মহাবৃত্ত (Great circle) প্রভৃতি।
P' চিহ্নিত গ্রহটি হলো পৃথিবী। এটি সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ।
জীবকূলের বেঁচে থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলো গ্যাসীয়
উপাদান, উত্তাপ ও পানি। সূর্যের ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় এ তিনটি উপাদানের যথেষ্ট উপস্থিতি রয়েছে। তাই পৃথিবী জীবের বসবাসের জন্য উপযোগী গ্রহ।
বায়ুমণ্ডল: পৃথিবীর রয়েছে আদর্শ বায়ুমণ্ডল। উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্যে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও অন্যান্য গ্যাস সরবরাহ করে এই বায়ুমণ্ডল। কিন্তু অন্যান্য গ্রহে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও মিথেন গ্যাসের পরিমাণ এত বেশি যে, কোনো প্রাণীর পক্ষে সেখানে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তাই পৃথিবী এক্ষেত্রে বসবাসের জন্য আদর্শস্বরূপ।
অনুকূল তাপমাত্রা: সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব এবং এর আবর্তন গতির ফলে নির্দিষ্ট সময় পরপর পৃথিবীতে দিন-রাত্রি সংগঠিত হয়। এ কারণে এখানে উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের অনুকূল তাপমাত্রা রয়েছে।
মাটি ও পানি: বেশিরভাগ গ্রহের উপরিভাগ পাথরে ঢাকা। পৃথিবীর উপরিভাগে মাটি ও পানির সমন্বয় রয়েছে। যা উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্যে অপরিহার্য।
তাই বলা যায়, বায়ুমণ্ডলের প্রয়োজনীয় উপাদান, অনুকূল পরিবেশ, পানির অস্তিত্ব ইত্যাদির সমন্বয় হওয়ায় পৃথিবীই একমাত্র গ্রহ যা উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের জন্য উপযোগী।
চিত্রে 'Q' এবং 'R' চিহ্নিত গ্রহ দুটি যথাক্রমে শনি ও বৃহস্পতি। সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি। একে গ্রহরাজ বলা হয়। অন্যদিকে শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। দুটি গ্রহের কোনটিতেই প্রাণের অস্তিত্ব সম্ভব নয়।
নিচে গ্রহ দুটির বৈশিষ্ট্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-
i . সূর্য থেকে শনি এবং বৃহস্পতি গ্রহের দূরত্ব যথাক্রমে ১৪৩ ও ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার।
ii. শনি এবং বৃহস্পতি গ্রহের ব্যাস যথাক্রমে ১,২০,০০০ এবং ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার। অর্থাৎ বৃহস্পতি শনি গ্রহ থেকে প্রায় ১.১৮ গুণ বড়।
iii. সূর্যের চারদিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে শনির সময় লাগে পৃথিবীর প্রায় ২৯.৫ বছরের সমান। অপরদিকে, বৃহস্পতির সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন।
iv. শনি গ্রহের বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের মিশ্রণ, মিথেন এবং অ্যামোনিয়া গ্যাস রয়েছে। অন্যদিকে, বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা তৈরি।
v. শনির ভূত্বক বরফে ঢাকা। বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা উপরিভাগে খুবই কম এবং অভ্যন্তরে অত্যন্ত বেশি।
সুতরাং উপরের বিশ্লেষণ থেকে বলা যায়, বৈশিষ্ট্য ও গঠনগত দিক থেকে গ্রহ দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির।
উত্তর গোলার্ধে বড় দিন হলো ২১শে জুন।
পৃথিবীতে ৩৬৫ দিনে এক বছর।
সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। ফলে প্রতিবছর ৬ ঘণ্টা সময় অতিরিক্ত থেকে যায়। এ অতিরিক্ত সময়ের সামঞ্জস্য আনার জন্য প্রতি ৪ বছর পরপর ফেব্রুয়ারি মাসে ২৪ ঘণ্টা বা ১ দিন বাড়িয়ে ২৯ দিন করা হয়। ফলে বছরটি হয় ৩৬৬ দিনে। এই বছরকে অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!