মৃত্যুও অজ্ঞাত মোর। আজি তার তরে

ক্ষণে ক্ষণে শিহরিয়া কাঁপিতেছি ডরে।

সংসারে বিদায় দিতে, আঁখি ছলছলি

জীবন আঁকড়ি ধরি আপনার বলি

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

'লভি' অর্থ লাভ করি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

জীবনের বৈচিত্র্য তুলে ধরতে গিয়ে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'প্রাণ' কবিতায় প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছেন।

'প্রাণ' কবিতার এই বাক্যে কবি জীবনের বৈচিত্র্যময়তাকে বোঝাতে চেয়েছেন। জীবনের সামগ্রিকতা তুলে ধরতে গিয়ে কবি এ বাক্যটির অবতারণা করেছেন। জীবনে সুখ-দুঃখ, মিলন-বিচ্ছেদ, হাসি-কান্না- সবকিছু মিলিয়ে এক অনন্য রূপ তৈরি হয়। জীবন কখনো আনন্দের, কখনো দুঃখের, কখনো বিরহের, কখনো মিলনের। এসব অনুভূতিই জীবনকে পরিপূর্ণ করে তোলে, যা কবির কাব্য ও সংগীতে প্রতিফলিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতার সঙ্গে মূলভাবের দিক থেকে কিছুটা সাদৃশ্যপূর্ণ।

মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি হচ্ছে মৃত্যুকে ভয় পাওয়া এবং সেই সাথে জীবনের প্রতি গভীর মমতা অনুভব করা। তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানুষ মৃত্যুভয়ে ভীত হয়ে ওঠে।

উদ্দীপকের কবিতাংশের মূলভাব হলো মৃত্যুভয় ও জীবনের প্রতি আসক্তি। করি বলছেন, মৃত্যু তার কাছে অজানা ও রহস্যময়; তাই তিনি মৃত্যুর প্রতি ভীতসন্ত্রস্ত। বিদায়ের মুহূর্তে তিনি দুঃখ ও আতঙ্কে শিহরিত হচ্ছেন। তিনি জীবনের প্রতি এতটাই আসক্ত যে, বিদায় নেওয়ার সময়ও তিনি নিজেকে জীবন থেকে আলাদা করতে পারছেন না। তাই নিজের শক্তি ও দুই হাত দিয়ে জীবনকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করছেন। 'প্রাণ' কবিতার মধ্যেও কবি জীবনকে আঁকড়ে ধরতে চেষ্টা করেছেন। তবে তা মহৎকর্মের মধ্য দিয়ে। এখানে কবি মানুষের মনজয়ী রচনা তথা মহৎ সৃষ্টিকর্মের মধ্য দিয়ে মানুষের মনে অনাদিকাল সমাদৃত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন। এভাবে, উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতার মূলভাবের সঙ্গে কিছুটা সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

"উদ্দীপকের মূলভাব এবং 'প্রাণ' কবিতার মূলভাবের মধ্যে সাদৃশ্য থাকলেও তা পুরোপুরি এক নয়।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

মানুষের জীবনে এক রহস্যময় সত্য হচ্ছে মৃত্যু; যা মানুষের জীবনে ভীতি সৃষ্টি করে। মানুষ পৃথিবীতে অনন্তকাল বেঁচে থাকার যে প্রত্যাশা করে তার মূলে রয়েছে জীবনের প্রতি গভীর মমত্ববোধ। পৃথিবীতে মানুষের অনন্তকাল বেঁচে থাকা সম্ভব না হলেও সৃষ্টিশীল মহৎকর্মের মধ্য দিয়ে মানুষ যুগ যুগ ধরে মানুষের মনে বিরাজ করে।

উদ্দীপকের কবিতাটির মূলভাব হলো মৃত্যুভয় এবং জীবনের প্রতি আকাঙ্ক্ষা। কবি এখানে মৃত্যুকে এক রহস্যময় ও অজানা সত্য হিসেবে দেখিয়েছেন, যা তার মনে গভীর ভীতি সৃষ্টি করেছে। মৃত্যুর ভাবনায় তিনি শিহরিত হন এবং আতঙ্কিত বোধ করেন। তিনি অনুভব করেন যে, এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় এসে গেছে, কিন্তু তবুও জীবনকে আঁকড়ে ধরে রাখতে চান। তার চোখ অশ্রুসজল, অন্তর ব্যথিত এবং মনে প্রবল দ্বন্দ্ব- একদিকে জীবনের মায়া, অন্যদিকে অনিবার্য মৃত্যুর হাতছানি।

'প্রাণ' কবিতার মধ্যে দেখা যায়, সুন্দর ও আকর্ষণীয় এই জগতের মায়া ত্যাগ করে অন্য কিছুর আহ্বানে প্রলুব্ধ হয়ে কবি মৃত্যুবরণ করতে চান না। এখানে কবিমনের দৃঢ় সংকল্প শুকনো ফুলের মতো অনাদৃত না হয়ে মানুষের মনজয়ী রচনা সৃজনের মধ্য দিয়ে সবার কাছে আদৃত হওয়ার। এদিক থেকে মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
195

মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,

মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই ।

এই সূর্যকরে এই পুষ্পিত কাননে

জীবন্ত হৃদয়-মাঝে যদি স্থান পাই !

ধরায় প্রাণের খেলা চিরতরঙ্গিত,

বিরহ মিলন কত হাসি-অশ্রু-ময়-

মানবের সুখে দুঃখে গাঁথিয়া সংগীত

যদি গো রচিতে পারি অমর-আলয় !

তা যদি না পারি, তবে বাঁচি যত কাল

তোমাদেরি মাঝখানে লভি যেন ঠাঁই,

তোমরা তুলিবে বলে সকাল বিকাল

নব নব সংগীতের কুসুম ফুটাই ।

হাসি মুখে নিয়ো ফুল, তার পরে হায়

ফেলে দিয়ো ফুল, যদি সে ফুল শুকায় ॥

Related Question

View All
উত্তরঃ

কবি এ পৃথিবীতে অমর-আলয় রচনা করতে চান মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়ে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়ার জন্য।

'প্রাণ' কবিতায় জনকল্যাণকর কাজের মাধ্যমে জগৎসংসারে দীর্ঘ জীবন লাভের সংকল্প ব্যক্ত হয়েছে। মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, আবেগ-ভালোবাসা ছেড়ে কবি অন্য কিছুর লোভ না করে আনন্দের সংগীত নিয়ে মানুষের কাছে আদৃত হতে চান। আলোচ্য চরণটিতে কবি মূলত মানবতার স্বার্থে তাঁর আত্মনিবেদনের দিকটি প্রকাশ করেছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
289
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রত্যাশিত বিষয়টি 'প্রাণ' কবিতার ভাবের সাথে পৃথিবীর বিচিত্র প্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ নিয়ে এক হয়ে মিশে আছে।

ফুলে-ফলে-ফসলে সুশোভিত আমাদের এই পৃথিবী। মানুষ এখানে গড়ে তুলেছে মায়াময় এক আশ্চর্য জগৎ। প্রেম-প্রীতি, স্নেহ-ভালোবাসা, আদর-সোহাগ দিয়ে মানুষ বেঁধে রাখে একে অপরকে। এ বন্ধন ছেড়ে মানুষ সহজে চলে যেতে চায় না।

উদ্দীপকে কবি তার সমগ্র সত্তা দিয়ে জন্মভূমি বাংলাদেশকে ভালোবেসেছেন। এই ভালোবাসা এমনই পরিপূর্ণ যে পৃথিবীর অন্য কোথাও বাংলাদেশের প্রকৃতি ও পরিবেশ, ঐতিহ্য ও ঐশ্বর্যের কোনো বিকল্প আছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন না। তাঁর কাছে বাংলার সত্যিকারের এই পরিচয়টির সাথে 'প্রাণ' কবিতার ভাবের ঐক্য লক্ষ করা যায়। এই কবিতায় পৃথিবীর প্রতি কবির গভীর মমত্ব ফুটে উঠেছে। তিনি পৃথিবীকে, পৃথিবীর মানুষকে ভালোবেসেছেন অকৃত্রিমভাবে। মৃত্যু যে অমোঘ বিধান তা জেনেও তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে চান। কারণ মৃত্যুকে জয় করা বা মৃত্যুর পর আপন কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা মানুষের চিরন্তন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
315
উত্তরঃ

"উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতার আংশিক ডারমাত্র, পূর্ণরূপ নয়।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

মানুষ মরণশীল। একথা জানা সত্ত্বেও মানুষ এ জগৎসংসার ছেড়ে হারিয়ে যেতে চায় না। জগতের মোহে মানুষ নশ্বর পৃথিবীতে অমরত্ব লাভ করতে চায়।

উদ্দীপকটিতে বাংলার অপরূপ সৌন্দর্যের সঙ্গে মানুষের গভীর বন্ধনের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। জন্মভূমিকে উদ্দীপকের কবি তাঁর সমগ্র সত্তা দিয়ে ভালোবেসেছেন, অনুভব করেছেন। কবির অনুভবের এই বিষয়টি 'প্রাণ' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও কবিতার মূলভাব আরও, বিস্তৃতপূর্ণ। সেখানে কেবল পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতি মুগ্ধতা নয়, তা মানুষের জন্য মনোমুগ্ধকর করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও যত্নবান হওয়ার ইঙ্গিত আছে। 'প্রাণ' কবিতায় কবি জনকল্যাণকর কাজের মাধ্যমে জগৎসংসারে দীর্ঘজীবন লাভের সংকল্প ব্যক্ত করেছেন। তিনি তাঁর সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে নব নব সংগীতের কুসুম ফোটাতে চেয়েছেন। তিনি মানবতার স্বার্থে আত্মনিবেদন করতে চেয়েছেন।

'প্রাণ' কবিতায় কবি সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, মিলন-বিরহ, আবেগ-ভালোবাসায় পরিপূর্ণ পৃথিবী রেখে মরতে চান না। আর উদ্দীপকে বাংলার রূপমুগ্ধ কবি পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের রূপ দেখতে চান না। এই না চাওয়া এক রকম হলেও বিষয় বিন্যাস এক রকম য়। উদ্দীপকে মানবকল্যাণে আত্মনিবেদনের কোনো বিষয় নেই। কিন্তু 'প্রাণ' কবিতায় কবি সর্বমানবের সুখ-দুঃখের সংগীত গেঁথে মানব হৃদয়ে অমর-আলয় রচনা করতে চেয়েছেন। এসব কারণে উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতার আংশিক ভাব মাত্র, পূর্ণরূপ নয়- মন্তব্য যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
303
উত্তরঃ

'প্রাণ' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
523
উত্তরঃ

কবি মৃত্যুর পরও মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে আগ্রহী। তাই তিনি সৃষ্টির মাধ্যমে অমর আলয় রচনা করতে চান।

'প্রাণ' কবিতায় কবি জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে এই পৃথিবীতে অমর আলয় রচনা করতে চেয়েছেন। মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনার সংগীত রচনা করতে চান। বস্তুত মানবের হাসি-কান্না, আবেগ-ভালোবাসায় পরিপূর্ণ এই পৃথিবীই কবির কাছে আকাঙ্ক্ষিত। তাই তিনি অমর আলয় সৃজনের কথা বলেছেন যেন মৃত্যুর পরেও তিনি মানবের মাঝে বেঁচে থাকতে পারেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
516
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews