মেরুদন্ডী ও অমেরুদণ্ডী প্রাণীর মধ্যকার পার্থক্যগুলো হলো-
মেরুদন্ডী প্রাণী | অমেরুদন্ডী প্রাণী |
১. এদের মেরুদন্ড আছে। | ১. এদের মেরুদণ্ড নেই। |
২. এদের দেহের কঙ্কাল থাকে। ভিতর | ২. এদের দেহের কঙ্কাল থাকে না। ভিতর |
৩. মানুষ ছাড়া সকল মেরুদন্ডী প্রাণীর লেজ থাকে। | ৩. এদের লেজ থাকে না। |
৪. এরা ফুলকা বা ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়। | ৪. এদের শ্বসনের বিশেষ কোনো অঙ্গ নেই। |
Related Question
View Allযেসব প্রাণীর মেরুদন্ড আছে, তাদেরকে মেরুদণ্ডী প্রাণী এবং যেসব প্রাণীর মেরুদন্ড নেই, তাদেরকে অমেরুদণ্ডী প্রাণী বলে।
কুনো ব্যাঙকে উভচর প্রাণী বলা হয়। কারণ এরা জীবনের কিছু সময় ডাঙায় ও কিছু সময় পানিতে বাস করে। পানি এবং ডাঙায় উভয় স্থানে বাস করে বলেই কুনো ব্যাঙকে উভচর প্রাণী বলা হয়।
উদ্দীপকের চিত্র A এর প্রাণীটি চিংড়ি এবং চিত্র B এর প্রাণীটি মাছ (ইলিশ)। নিচে A ও B অর্থাৎ চিংড়ি ও মাছের পার্থক্য উল্লেখ করা হলো-
A (চিংড়ি) | B (ইলিশ) |
১. মেরুদণ্ড নেই। | ১. মেরুদন্ড আছে। |
২. এদের চোখ পুঞ্জাক্ষী প্রকৃতির। | ২. চোখ সরল প্রকৃতির। |
৩. এর দেহে কঙ্কাল নেই। | ৩. এর দেহে কঙ্কাল রয়েছে। |
৪. এর লেজ নেই। | ৪. এর লেজ আছে। |
৫. এর লোম বা আঁইশ নেই। | ৫. এর আঁইশ আছে। |
৬. এর পা সন্ধিযুক্ত, খন্ড খন্ড। | ৬. এর পাখনা রয়েছে। |
চিত্রের B প্রাণীটি হলো মাছ। নিচে আমাদের জীবনে মাছের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করা হলো-
১. প্রাণিজ আমিষের শতকরা ৫৮ ভাগই আসে মাছ থেকে। যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।
২. মাছ এক ধরনের সহজপাচ্য ও সুস্বাদু খাবার, যা হজম করতে কোনো সমস্যা হয় না, ফলে আমরা সুস্থ থাকি।
৩. মাছের চামড়ায় ভিটামিন 'এ' ও 'ডি' রয়েছে। এসব পুষ্টি উপাদান আমাদের শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
৪. দেশের চাহিদা মিটিয়ে মাছ বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।
৫. আমাদের দেশের উপকূলবর্তী অধিকাংশ লোকই মাছ ধরে বিক্রি করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে।
৬. বেকারত্ব দূরীকরণে অনেকেই মাছ চাষ করছে। এতে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে।
৭. বড় মাছের উচ্ছিষ্ট অংশ দ্বারা জৈব সার তৈরি করা হচ্ছে, যা আমাদের কৃষিক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়।
৮. মাছে আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও লৌহ বিদ্যমান।
৯. মাছের কাটা থেকে পোল্ট্রি শিল্পের খাবার তৈরি করা হয়।
১০. মাছের তেলে কোলেস্টেরল কম থাকে, যা মানুষের হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
সর্বোপরি বলা যায়, মাছ আমাদের জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
যেসব উদ্ভিদের ফুল হয় তাদেরকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে।
উদ্দীপকের 'ক' চিত্রের উদ্ভিদটি নারিকেল গাছ। নিচে উদ্ভিদটির অর্থাৎ নারিকেল গাছের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো-
১. এদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত।
২. পাতা সমান্তরাল শিরা বিন্যাসযুক্ত।
৩. ভূণে একটি বীজপত্র থাকে।
৪. নিষেকের পর ডিম্বক বীজে ও ডিম্বাশয় ফলে পরিণত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

