মোঃ আবুল কাসেম যুব উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে পোল্ট্রি ফার্মের ওপর মাঝারি ধরনের একটি প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর মুরগির খামার করেন। তিনি সুস্থ ব্যবস্থাপনায় খামার পরিচালনা করেন এবং তার খামারে প্রতিদিন প্রচুর ডিম উৎপাদন হয়। তিনি লাভজনকভাবে খামার পরিচালনা করছেন এবং পর পর খামারের আয়তন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

ডিম উৎপাদনে হাঁসের একটি জনপ্রিয় জাত হলো জিনডিং।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

লেগহর্ন জাতের মুরগির ৪টি বৈশিষ্ট্য নিম্নে দেওয়া হলো-

i. পালক ও কানের লতি সাদা।
ii. পায়ের নালা পালকবিহীন।
iii. ডিমের খোসা সাদা।
iv. বছরে ২৫০-৩০০টি ডিম দেয়। 

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

মোঃ আবুল কাসেমের পোল্ট্রি ফার্মটি ছিল মুরগি ডিম উৎপাদন খামার।

বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার ভিত্তিতে যেখানে কাম্য সংখ্যক পোল্ট্রির বাসস্থান, খাদ্য সরবরাহ, জৈব নিরাপত্তা, চিকিৎসা, উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়, আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখা হয় তাকে পোল্ট্রি খামার বলে। উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে পোল্ট্রি খামার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যথা- (ক) ডিম উৎপাদন খামার (খ) মাংস উৎপাদন বা ব্রয়লার খামার (গ) বাচ্চা উৎপাদন খামার (ঘ) প্রজনন বা ব্রিডার খামার (৬) হাঁস-মুরগি- মাছ সমন্বিত খামার। যেহেতু মোঃ আবুল কাসেমের খামারে প্রতিদিন প্রচুর ডিম উৎপাদন হয় সেহেতু তার খামারটি হবে ডিম উৎপাদন খামার। লেয়ার খামারে বাচ্চা উঠানোর ২০-২১ সপ্তাহ পর মুরগি ১ম ডিম পাড়ে এবং এক থেকে দেড় বছর পর্যন্ত ডিম দেয়। তাই লাভজনকভাবে মুরগির খামার পরিচালনায় বিভিন্ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা হয়। মূলধনের পরিমাণ ও উৎস, স্থান নির্বাচন ও জমি ব্যবস্থাপনা, বাসস্থান নির্মাণ ও খামারের আকার উন্নত জাতের হাইব্রিড বাচ্চা নির্বাচন, সুষম খাদ্য সরবরাহ, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, জৈব নিরাপত্তা সুবিধা, চিকিৎসা ব্যবস্থা, শ্রমিক প্রাপ্যতা, আয় ব্যয়ের হিসাব রাখা কারিগরি জ্ঞান। এ সকল বিষয়ে বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা রাখতে হবে। উল্লিখিত আলোচনার মাধ্যমে জানা যায়, আবুল কাসেমের পোল্ট্রি ফার্মটি ছিল ডিম উৎপাদন খামার। 

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মোঃ আবুল কাসেমের স্থাপিত মুরগির খামারটি ছিল ডিম উৎপাদন খামার।

যে খামার বাণিজ্যিকভাবে ডিম উৎপাদনের জন্য স্থাপন করা হয় তাই ডিম উৎপাদন খামার।

ডিম উৎপাদনকারী মুরগির খামারের অনেক অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। পোল্ট্রির ডিম উৎপাদন করে অনেক লোক আয় উপার্জন করছে। জাতীয় আয়ের এক বিরাট অংশ পোল্ট্রি থেকে আসে। দেশে বর্তমানে বহু পোল্ট্রি খামার গড়ে উঠেছে। অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতিরা পোল্ট্রি পালনের মাধ্যমে আয় উপার্জন করছে। যার ফলে কর্মসংস্থান হচ্ছে এবং বেকারত্ব হ্রাস পাচ্ছে। পোল্ট্রি থেকে প্রাপ্ত মাংস ও ডিম একদিকে যেমন মানুষের অত্যন্ত পছন্দনীয় খাদ্য অন্যদিকে এরা উচ্চ পুষ্টিগুণসম্পন্ন আমিষের উৎস হিসেবে কাজ করে। মুরগির পালক থেকে বায়োডিজেল তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। পোল্ট্রির বিষ্ঠা উৎকৃষ্ট জৈব সার যা জমিতে ও পুকুরে প্রয়োগ করা হয় এবং বায়োগ্যাস তৈরি করে রান্নাবান্না, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। দেশের আমিষের চাহিদা পূরণ, খাদ্য, অর্থনৈতিক, কর্মসংস্থান ও মানবজাতির আর্থ সামাজিক উন্নয়নে পোল্ট্রির গুরুত্ব অপরিসীম। মোঃ আবুল কাসেমের খামারের আয়ের মধ্যে রয়েছে ডিম বিক্রি বাবদ আয়, উৎপাদন শেষে মুরগির বিক্রিত মূল্য, বিষ্ঠা বা লিটার বা সারের মূল্য, পুরনো বা অকেজো জিনিসপত্র বিক্রি বাবদ আয় ইত্যাদি।

ডিম উৎপাদন খামার স্থাপন করে মোঃ আবুল কাসেম একদিকে যেমন নিজে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন তেমনি দেশের অর্থনীতিতেও ব্যাপক ভূমিকা রাখছেন। 

Tamanna
Tamanna
1 year ago
128

Related Question

View All
উত্তরঃ

পুলেট হলো প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন ২০/২২ সপ্তাহ বয়সের মুরগি যাকে এখনো মোরগের সংস্পর্শে দেওয়া হয়নি।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
852
উত্তরঃ

বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক কারণ হাঁস পালনের জন্য জায়গা কম লাগে। হাঁস বছরে প্রায় ৩০০টি পর্যন্ত ডিম দিতে পারে। মুরগির তুলনায় হাঁস ৪০-৪৫টি ডিম বেশি পাড়ে। অধিকাংশ হাঁস নিজের খাবার নিজে সংগ্রহ করে খেতে পারে বিধায় হাঁস পালনে যত্ন, পরিচর্যা ও খরচ কম লাগে। দ্রুত চলাফেরা করতে পারে। এসব কারণে বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
2k
উত্তরঃ

সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত। এটি হাঁসের ডাকপ্লেগ ভাইরাস দ্বরা সংক্রমিত মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। হাঁসের এই রোগ ডাক হারপেস ভাইরাস-১ (DHV-1) এর সংক্রমণে হয়ে থাকে।

এ রোগে হাঁস আলো দেখলে ভয় পায়। সাঁতার কাটতে চায় না। পানি পিপাসা বৃদ্ধি পায় এবং খাদ্য গ্রহণে অনীহা দেখায়। নাক দিয়ে তরল পদার্থ বের হয়। সবুজ ও হলুদ রঙের পাতলা মলত্যাগ করে। পালক এলোমেলো হয়ে ঝুলে পড়ে। মাথা, ঘাড় ও শরীরে কাঁপুনি দেখা দেয়। পা এবং পাখা অবশ হয়ে যায়। চোখ হতে অনবরত পানি ঝরে এবং চোখের ভিতরে সাদা রঙের আবরণ পড়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়। এ রোগে হাঁস খুঁড়িয়ে হাঁটে, ডিম পাড়া হাঁস ডিম পাড়া কমিয়ে দেয় এবং হঠাৎ মারা যায়।

সাবিনার খামারের হাঁসগুলোতে উল্লিখিত লক্ষণগুলো দেখা দেয়। অর্থাৎ সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
553
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রাণী চিকিৎসক সাবিনাকে তার খামারে ডাক প্লেগ রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধের জন্য করণীয় সম্পর্কে জানান।
সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাক প্লেগ নামক ভাইরাসজনিত একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হয়েছে। উক্ত রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ করা হলো-

i. খামারের জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

ii. আক্রান্ত হাঁস অন্যত্র সরিয়ে ফেলা।

iii. মৃত হাঁস মাটিতে পুঁতে ফেলা।

iv. খামারে বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করা।

V. বাসস্থান নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা।

vi. পরিষ্কার পানি সরবরাহ করা।

vii. হাঁসের ঘর ফিউমিগেশন করা।

viii. বাসস্থানে ঢোকার মুখে ফুটবাথের ব্যবস্থা করা।

ix. প্রতিষেধক হিসেবে খামারে নিয়মিত ডাক প্লেগ টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা। হাঁসের বাচ্চাকে জন্মের ১৫-২০ দিন পর ১ম মাত্রা, ১ম মাত্রার ২৫ দিন পর বুস্টার বা ২য় মাত্রা এবং ২য় মাত্রার পর প্রতি ৫-৬ মাস অন্তর অন্তর এ টিকা দিতে হয়।

পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ডাক প্লেগ রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
628
উত্তরঃ

যে সকল ডিম থেকে বাচ্চা জন্ম নেয় না সেগুলোই অনুর্বর ডিম।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
748
উত্তরঃ

কবুতর খুব অল্প জায়গায়, কম খরচে, উঁচুতে দেয়ালের পাশে বা ছাদের উপর বাসা তৈরি করে পালন করা যায়।

কবুতরের রোগবালাই কম হয় এবং খাদ্য খরচও কম লাগে। ৪ সপ্তাহের মধ্যেই কবুতরের বাচ্চা খাওয়ার উপযোগী হয়। এরা ৫-৬ মাস বয়সে ডিম দেয় এবং মাত্র ১৮ দিনে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। কাজের অবসরে পালন করা যায় বলে অতিরিক্ত শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। সময়, শ্রম ও অর্থ কম লাগে বলেই কবুতর পালন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
731
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews