মোবাইল ফোন
এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সহজে বহন করা যায় এমন ফোনকে বলে মোবাইল ফোন। মোবাইল ফোন আবিষ্কারের আগে দূরবর্তী কারো সঙ্গে কথা বলার জন্য ঘরের নির্দিষ্ট স্থানে টেলিফোন নামক যন্ত্র রাখতে হতো। এর সংক্ষিপ্ত নাম ফোন। বিভিন্ন বাড়ি বা অফিসে তারের মাধ্যমে ফোনগুলো যুক্ত থাকত। অন্যদিকে মোবাইল ফোন তারবিহীন প্রযুক্তি হওয়ায় এটি যেখানে খুশি সেখানে বহন করা যায়। মোবাইল ফোনকে কখনো সেলুলার ফোন, হ্যান্ড ফোন বা মুঠোফোন নামে অভিহিত করা হয়। মোবাইল ফোনে আজকাল কথা বলার পাশাপাশি আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তির যাবতীয় সুবিধা ভোগ করা যায়। এই সুবিধা আছে যেসব মোবাইল ফোনে, সেগুলোকে বলে স্মার্ট ফোন। এই স্মার্ট ফোনে কথা বলা যায়, ক্ষুদে বার্তা আদান-প্রদান করা যায়, ই-মেইল করা যায়, বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে পৃথিবীর যাবতীয় তথ্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়া যায়, গান শোনা যায়, নাটক দেখা যায়, রেডিও শোনা যায়, টিভি দেখা যায়। অপরাধী শনাক্ত করার কাজেও আজকাল মোবাইল ফোন গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে মোবাইল ফোন প্রথম চালু হয় ১৯৯৩ সালে। প্রায় ত্রিশ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দশ কোটি ছাড়িয়ে গেছে।
Related Question
View Allআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি উদযাপিত হয়। এই দিবসটি প্রতিষ্ঠানিকভাবে মানানো হয় প্রায় দুই দশক ধরে। এটির উদ্দেশ্য হলো ভাষা এবং সাংস্কৃতিক গঠনের মাধ্যমে মানবিক সম্পর্কে সাম্প্রতিক ধারণাগুলি তুলে ধরা। এই দিবসের মাধ্যমে প্রত্যেকের উচ্চতর সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয় মাতৃভাষার গুরুত্বের উপর। মাতৃভাষা মানবিক আত্মতা এবং ব্যক্তিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ দিনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংগঠন এবং সরকারের মাধ্যমে বিশেষ অনুষ্ঠান, অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মাতৃভাষার গুরুত্ব এবং সংরক্ষণের উপর বোধহয়। এই দিনে মাতৃভাষার ঐতিহাসিক পেশাদারি এবং প্রভাব সারাদেশে আলোচনা ও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বেশি পরিমাণে সাধারণ মানুষের জন্যে অবগতি সৃষ্টি করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!