ধীর, অবিরাম ও গতিশীল পরিবর্তন দ্বারা কোনো সরলতর উদবংশীয় জীবের পরিবর্তন দ্বারা জটিল ও উন্নততর নতুন প্রজাতির বা জীবের উদ্ভব ঘটার প্রক্রিয়াই হলো বিবর্তন।
কৃত্রিম উপায়ে দেহের বাইরে শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন ঘটিয়ে প্রাথমিক ভূণ সৃষ্টি করে তা স্ত্রীলোকের জরায়ুতে প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে শিশুর জন্ম হলে তাকে টেস্টটিউব বেবি বলে। পর্যায়ক্রমে কতগুলো পদ্ধতি অনুসরণ করে ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন ঘটিয়ে টেস্টটিউব বেবি জন্ম দেওয়া হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত মোহনার বয়ঃসন্ধিকাল চলছে।
মোহনার শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের কারণ হলো বয়ঃসন্ধিকাল।
নিঢ়ে এর কারণ ব্যাখ্যা করা হলো-
দশ বছর বয়স থেকে উনিশ বছর বয়সের মধ্যে একজন মানুষের দৈহিক ও মানসিক বিভিন্ন পরিবর্তন হয় এবং এর মাধ্যমেই সে যৌবনকালে পদার্পণ করে। মানুষের জীবনের এ সময়কে বয়ঃসন্ধিকাল বলে। বয়ঃসন্ধিকালে যেসব পরিবর্তন ঘটে তার জন্য দায়ী বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যেগুলোকে হরমোন বলা হয়। হরমোন শরীরের ভিতরে স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। ছেলে ও মেয়েদের শরীরে এ হরমোন এক রকম নয়। এ কারণে এদের শরীরে ও মনে যে পরিবর্তন হয় তাও আলাদা। মেয়েদের শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তনের জন্য দায়ী প্রধানত দুটি হরমোন। এ দুটিকে বলা হয় ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন। এ হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের ঋতুস্রাব বা মাসিক শুরু হয়। শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি এ সময় মানসিক পরিবর্তনও হয়। ছেলে ও মেয়েরা এ বয়সে কল্পনাপ্রবণ হয়, আবেগ দ্বারা চালিত হয়। পরিপাটিরূপে নিজেকে সাজিয়ে রাখতে চায়। এ সময়ে ছেলেমেয়েরা পরস্পরের প্রতি আকর্ষণবোধ করে।
অর্থাৎ, হরমোনের প্রভাবেই মোহনার শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে।
উদ্দীপকের উল্লিখিত মোহনার বয়সী ছেলে মেয়েদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখার ব্যাপারে পরিবারের নিম্নোক্ত ভূমিকা থাকতে
পারে-
i. এ সময় ছেলেমেয়েরা অনেক বেশী আবেগ প্রবণ হয়ে ওঠে। এ. ব্যাপারে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের খেয়াল রাখতে হবে।
ii. এ বয়সে তাদের মানসিক পরিবর্তনের দিকে নজর রেখে তাদের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করতে হবে।
iii. মানসিক দিকসহ সকল ব্যাপারে তাদেরকে সহযোগিতা করতে হবে।
iv. শারীরিক পরিবর্তনের ব্যাপারগুলো অবহিত করে সে বিষয়ে যত্ন নিতে সহায়তা করতে হবে।
V.
এ সময় তাদেরকে গল্পের বই পড়তে ও খেলাধুলা করতে উৎসাহিত করতে হবে, এতে করে মানসিক প্রফুল্লতা বজায় থাকে।
vi. সর্বপরি তাদেরকে সব বিষয়ে সাহস যোগাতে হবে।
Related Question
View All"জীবন্ত জীবাশ্ম" বলতে এমন কিছু জীবিত অর্গানিজম বোঝায় যাদের বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্যের কারণে তারা জীবাশ্মের মতো দেখায় কিন্তু তারা আসলে জীবিত। এটি সাধারণত কিছু প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণীকে নির্দেশ করে, যেমন:
মরীচিকা জীবাশ্ম (Living Fossils): কিছু জীবন্ত প্রজাতি, যেমন গিঞ্জো গাছ বা কোয়ালাক্যান্থ মাছ, যারা অনেক পুরানো জীবাশ্মগুলোর সাথে অতি সাদৃশ্যপূর্ণ, কিন্তু তারা আজও জীবিত।
বিশেষ পরিবেশে টিকে থাকা জীব: কিছু প্রজাতি যেমন সামুদ্রিক জীব বা এডাপটিভ প্রজাতি যে পরিবেশ পরিবর্তনের প্রতি খুব কম সাড়া দেয়, তারা আজও টিকে আছে এবং জীবাশ্মের মতো দেখতে পারে।
এটি একটি গবেষণার বিষয় হিসেবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি জীববৈচিত্র্য এবং প্রজাতির বিবর্তন সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!