মোহর আলী তার বেলে দোআঁশ মাটিতে আলুর বীজ উৎপাদন করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিকল্পনা হাতে নিল। তার বন্ধু তাকে বলল আলুর বীজ উৎপাদনের পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাতকরণ করেও আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া যায়।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

Azolla উদ্ভিদ নীলাভ সবুজ শ্যাওলার সাথে মিথোজীবী উপায়ে বসবাস ও পুষ্টি সাধন করে বলে একে Azolla- Anabaena সংঘ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ট্রাইকোডার্মা এক প্রকার ছত্রাক। পচনশীল দ্রব্য বিয়োজনের মাধ্যমে এদের জীবনচক্র সম্পন্ন হয়।

এই ছত্রাকের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এরা অন্যান্য অণুজীবের বা ছত্রাকের চেয়ে কঠিন বস্তু যেমন- কাঠের গুঁড়া, গাছের শক্ত অংশ বিয়োজন করতে পারদর্শী। ট্রাইকোডার্মা ছত্রাক সার হিসেবে ব্যবহার করা হয় যা গাছের রোগ সৃষ্টিকারী অনেক জীবাণু খেয়ে ফেলে এবং এভাবে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মোহর আলী তার জমিতে আলু বীজ উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

আলু বীজ উৎপাদন করার জন্য বেলে দোআঁশ মাটি উত্তম। বীজ আলু উৎপাদনের ক্ষেত্রে যাতে করে অন্য ফসলের সাথে পরাগায়ন না ঘটে সেজন্য পৃথকীকরণ দূরত্ব রাখতে হবে ৩০ মিটার। জমিতে বীজ বপন করার পূর্বে বীজ আলু বরিক অ্যাসিড দিয়ে শোধন করে নিতে হবে। এজন্য জমিতে আস্ত আলু রোপণ করা ভালো। এতে রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। ব্যাকটেরিয়াজনিত ঢলে যাওয়া রোগের আক্রমণ হতে রক্ষা করার জন্য প্রতি শতাংশ জমিতে ৮০ গ্রাম স্টেবল ব্লিচিং পাউডার মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে। আলু চাষের জন্য গোবর, টিএসপি, এমপি, জিপসাম, জিঙ্ক সালফেট ও বরিক অ্যাসিড পরিমাণমতো মিশিয়ে দিতে হবে। আস্ত বীজ আলু ২৫ সেমি ও কাটা আলু ১০-১৫ সেমি দূরত্বে রোপণ করতে হয়। প্রয়োজনমতো সেচ দিতে হবে। অতিরিক্ত গাছ ফুল আসার আগে, ফুল আসার সময় ও পরিপক্ক পর্যায়ে রোগিং করে অপসারণ করতে হবে। ফসল পরিপক্ক হওয়ার সময় অবশ্যই হাম পুলিং করে আলু সংগ্রহ করতে হবে। পরবর্তীতে বীজ বাছাই করে হিমাগারে রাখতে হবে।

সুতরাং, সঠিক উৎপাদন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আলুর উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব। মোহর আলী উল্লিখিত পদ্ধতিতে বীজ আলু উৎপাদন করবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মোহর আলীর বন্ধু তাকে আলু প্রক্রিয়াজাত করার পরামর্শ দিল। আলুর চিপস ও ফ্রেন্স ফ্রাই তৈরি করে বাজারজাত করে লাভবান হওয়া যায়।

আলুর চিপস তৈরির জন্য সে প্রথমে আলু ছিলে ২% লবণ পানিতে ডুবিয়ে রাখে। তারপর আলুগুলো স্লাইস করে আবার লবণ পানিতে ডোবায়। স্লাইসগুলো লবণ পানি থেকে উঠিয়ে পানিতে ভালো করে ধুয়ে গরম পানিতে ব্লাঞ্চিং করে। এরপর গরম পানি থেকে উঠিয়ে কেএমএস (০.৫ গ্রাম/লি মিশ্রিত ঠাণ্ডা পানিতে ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখে। তারপর স্লাইসগুলো থেকে পানি ঝরিয়ে ফেলে। পানি ঝরে গেলে স্লাইসগুলোকে রোদে ভালোভাবে শুকিয়ে প্যাকেটজাত করে বাজারজাত করে। অন্যদিকে আলুর ফ্রেন্স ফ্রাই করার জন্য সে আলুর খোসা ছাড়িয়ে ২.৫ থেকে ৩ ইঞ্চি লম্বা করে ফেন্স ফ্রাই কাটার দিয়ে কেটে বা বটি দিয়ে ১/২ ইঞ্চি করে কেটে ২% লবণ মিশ্রিত পানিতে ডুবিয়ে রাখে। লবণ পানি থেকে তুলে ধুয়ে গরম পানিতে ৩-৪ মিনিট বাঞ্চিং করে। তারপর এগুলো কেএমএস মিশ্রিত (০.৫ গ্রাম/মিটার) ঠান্ডা পানিতে ১০ মিনিট ডুবিয়ে রেখে ঝাঝরা চামচ দিয়ে ফালিগুলো উঠিয়ে পানি নিংড়িয়ে গরম সয়াবিন তেলে ভেজে ফালিগুলোকে কাগজ বা টিস্যু পেপারের উপর কিছুক্ষণ রেখে দেয়। পরে তেলমুক্ত ফ্রাইগুলো পলিপ্রোপাইলিন প্লাস্টিকের বয়ামে সংরক্ষণ করা যায়।

উপরিউক্ত বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে মোহরত আলী আলু প্রক্রিয়াজাত করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
128
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

কারখানার কাঁচামাল যোগান দেওয়ার জন্য যে সকল ফসল উৎপাদন করা হয় তাদেরকে শিল্প ফসল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.4k
উত্তরঃ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপজেলা কৃষি অফিস প্রায় প্রতি মাসে অথবা প্রয়োজন অনুসারে মাঝে মাঝে কৃষকদের নিয়ে যে সভা বা বৈঠক করে তাকে উঠোন বৈঠক বলে।

উঠোন বৈঠক আধুনিক কৃষি সম্প্রসারণ তথা কৃষি তথ্য সরবরাহ ও কৃষি সেবার একটি অত্যন্ত কার্যকর কৌশল। এই কৌশলের একটি প্রধান সুবিধা হলো যে এতে সকল ধরনের নারী-পুরুষ কৃষক স্থানীয়ভাবে অংশ গ্রহণ করতে পারে। তারা সেখানে • নিঃসংকোচে তথ্য বিনিময় করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
322
উত্তরঃ

ফাহাদ বিভিন্ন কৃষি তথ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হতে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে।

বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কৃষি বিষয়ক নানান তথ্য ও সেবা দিয়ে কৃষকদের সাহায্য করে থাকে। ফাহাদ তার বাগানের ফল ও শাকসবজি সংরক্ষণের জন্য কৃষি তথ্য সার্ভিসের সাথে যোগাযোগ করে প্রক্রিয়াজাতকরণের তথ্য নেয়। এই ফল ও সবজি প্রক্রিয়াজাতকরণের তথ্য বিভিন্ন ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় ও কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, ভোকেশনাল কৃষি ফার্ম, পলিটেকনিক ও কৃষি ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট ও কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকেও সরবরাহ করা হয়। এ সকল প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি 'এ টু আই' প্রকল্প, কৃষি তথ্য সংস্থা, কৃষি তথ্য সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গ্রাম, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের সেন্টারসমূহ হতেও সে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। এছাড়াও সে কৃষিতথ্য সংগ্রহের সবচেয়ে সহজ মাধ্যম ইন্টারনেটের থেকেও এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে উল্লিখিত উৎসগুলো ছাড়াও ফাহাদ অভিজ্ঞ কৃষক, উঠোন বৈঠক বা কৃষক সভা থেকেও ফল ও শাকসবজি সংরক্ষণের তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে।

ফাহাদ তাই এ সকল প্রতিষ্ঠান থেকে ফল ও শাকসবজি প্রক্রিয়াজাতকরণের তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
302
উত্তরঃ

ফাহাদকে তথ্য সার্ভিস সংস্থা প্রক্রিয়াজাত করে ফল ও শাকসবজি সংরক্ষণ করতে পরামর্শ দেয়।

বিভিন্ন উপায়ে ফল ও শাকসবজি প্রক্রিয়াজাতকরণ করা যায়। যেমন- চিনি ও অ্যাসিড সংযোজন করে জ্যাম, জেলি, মোরব্বা ও ক্যান্ডি তৈরি করে বিভিন্ন ধরনের ফল ও সবজি সংরক্ষণ করা। প্রক্রিয়াজাতকৃত এইসব খাদ্যকে বেশ সুগন্ধযুক্ত ও দর্শনীয় করার জন্য অনেক রকম খাদ্য রং ও এসেন্স মিশ্রিত করা হয়।

জেলি তৈরির সময় ফলের রস ব্যবহার করা হয়। মিহি চালনী বা কাপড়ের সাহায্যে ফলের শাঁসকে ছেঁকে নেওয়া হয় বলে ফলের আঁশ বাদ পড়ে যায়। জ্যাম তৈরির সময় ফলের পাল্প ব্যবহার করা হয়। যে সকল ফল বা সবজিতে পেকটিন কম সে ক্ষেত্রে পালপের সাথে পেকটিন যোগ করে নেওয়া হয়। এছাড়া জ্যাম ও জেলির সাথে সাইট্রিক অ্যাসিডও মিশিয়ে নেওয়া হয়। ফল বা সবজির বড় টুকরা চিনির সিরায় ডুবিয়ে সিরা নিংড়িয়ে মোরব্বা তৈরি করা হয়। রকমারি মশলা মেশানো ফল বা সবজিকে খাওয়ার তেল বা ভিনেগারে ডুবিয়ে প্রক্রিয়াজাত করে আচার তৈরি করা হয়। মশলা হিসেবে আদা, রসুন, হলুদ, মরিচ, মেথি, কালজিরা ব্যবহার করা হয়। লবণ ও চিনি মিশিয়ে চাটনি তৈরি করা যায়। বিভিন্ন মশলা মিশিয়ে চাটনির স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ানো হয়।

উল্লিখিত যেকোনো পদ্ধতি প্রয়োগ করেই ফাহাদ তার ফল ও শাকসবজিগুলো প্রক্রিয়াজাত করে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে পারবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
261
উত্তরঃ

যে সকল ফসল উদ্যানে বেড়াযুক্ত অবস্থায় নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে উৎপাদন করা হয় সেগুলোকে উদ্যান ফসল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
295
উত্তরঃ

বসতবাড়ির আশেপাশে, রাস্তার পাশে, পতিত জমিতে, রেললাইনের পাশে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আশেপাশেসহ বিভিন্ন সামাজিক এলাকায় যে বন গড়ে উঠে তাকে সামাজিক বন বলে। সামাজিক বনে বিভিন্ন ফলজ বৃক্ষ লাগানো হয়। সামাজিক বন মানুষের ফলের চাহিদা পূরণ, ভূমিক্ষয় রোধ হয়, কুটির শিল্প তৈরির কাঁচামাল, ঘরবাড়ি তৈরির কাঠ ও জ্বালানি কাঠ পায়। এছাড়াও সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়। অতএব বলা যায়, সামাজিক বন জনগণের উপকার করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
486
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews