'মোড়ল আর সেলিম সাহেবের অসুখের মূল কারণ অভিন্ন সূত্রে গাঁথা।'- কথাটি যথার্থ।
অন্যায় ও অনৈতিকভাবে উপার্জিত অর্থই মানুষের অশান্তির মূল কারণ। অন্যের ক্ষতি করে কেউ কখনো সুখী হতে পারে না।
উদ্দীপকের সেলিম সাহেব অসৎ পথে অনেক সম্পদ গড়েছেন। তার ধারণা ছিল সেগুলো তাকে সুখ দেবে। কিন্তু সেগুলোর তাকে শেষ পর্যন্ত সুখ দিতে পারেনি। একদিন তিনি যখন দেখলেন যে, কারণে-অকারণে তার সম্পদ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তখন তিনি অস্থির হয়ে উঠলেন, দুশ্চিন্তায় তার ঘুম হয় না। যা তার অসুখের মূল কারণ। 'সুখী মানুষ' নাটিকার মোড়ল একজন অত্যাচারী, লোভী, পরধন হরণকারী ব্যক্তি। তিনি নিজের সুখের জন্য অন্যের সম্পদ কেড়ে নিতেন, লুট করতেন, মিথ্যা বলতেন, এমনকি তার আত্মীয় হাসুকেও তার অত্যাচার থেকে রেহাই দেননি। তাদের চোখের জলে ও মনের কষ্টে মোড়ল এক সময় কঠিন রোগে আক্রান্ত হন। তার সব সুখ নষ্ট হয়।
উদ্দীপকের সেলিম সাহেবের অসুখের মূল কারণ তার লোভ এবং অসৎ পথে অর্থ উপার্জন। 'সুখী মানুষ' নাটিকার মোড়লেরও অসুখের মূল কারণ অন্যায়, অত্যাচার, লোভ, অন্যের সম্পদ জবরদখল ইত্যাদি। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নে উল্লিখিত উক্তিটি সত্য।
Related Question
View Allআয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে যারা চিকিৎসা করেন তাদের কবিরাজ বলে।
অন্যায়ভাবে হাসুর ও সুবর্ণপুর গ্রামের মানুষের কাছ থেকে সম্পদ লুট করে ধনী হওয়ার কারণে হাসু মোড়লের মৃত্যুকামনা করে।
'সুখী মানুষ' নাটিকায় মোড়ল চরিত্রটির কাজ হলো অন্যের জিনিস লুট করা, ঠকানো, সবকিছু জোর করে ছিনিয়ে নেওয়া ইত্যাদি। মোড়ল একজন অত্যাচারী। মানুষের কান্না দেখে মোড়ল হাসে। আর হাসু চরিত্রটি সৎ ও সাহসী। অন্যায়কারীর শাস্তি প্রত্যাশায় সে মোড়লের মৃত্যু কামনা করে।
জোবেদ আলীর সঙ্গে 'সুখী মানুষ' নাটিকার সুখী মানুষের সুখের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
মানুষ লোভের বশবর্তী হয়ে অনেক পাপ করে। সুখী হওয়ার জন্য নানা রকম অন্যায় করতেও দ্বিধা করে না। কিন্তু প্রকৃত সুখী হওয়া ব্যক্তিবিশেষের ওপর নির্ভর করে।
উদ্দীপকের জোবেদ আলী এলাকার মানুষ অসুস্থ হলে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তিনি তার শয্যা ছাড়েন না। অন্যের কোনো সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত খাওয়া-দাওয়ায় তার মন বসে না। তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে গাঁয়ের লোক চোখের পানিতে বুক ভাসিয়ে তাকে সুস্থ করার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে। সবার ভালোবাসায় সিক্ত হওয়ার দিক থেকে সে অত্যন্ত সুখী একজন মানুষ। 'সুখী মানুষ' নাটিকার সুখী মানুষটি সারাদিন বনে কাঠ কেটে বাজারে বিক্রি করে যা পায় তা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। তার কোনো সম্পদ নেই, ফলে চোরের ভয় নেই বলে সে শান্তিতে ঘুমাতে পারে। তার কোনো ভাবনা-চিন্তা নেই, কারও সাথে দ্বন্দ্ব নেই বলে সে-ই প্রকৃত সুখী মানুষ। তাই বলা যায়, জোবেদ আলীর সঙ্গে 'সুখী মানুষ' গল্পের সুখী মানুষটির মিল রয়েছে সুখে থাকার দিক থেকে।
'মোড়ল যদি জোবেদ আলীর মতো হতেন তাহলে তার চিকিৎসার জন্য সুখী মানুষের জামা তালাশ করতে হতো না।'- উক্তিটি যথার্থ।
প্রচুর অর্থ-সম্পদ থাকার পরও অনেকে সুখী হতে পারে না। আবার কারও তা না থেকেও সে সুখী হতে পারে। অন্যের কল্যাণের মধ্যেই প্রকৃত সুখ নিহিত।
উদ্দীপকের জোবেদ আলী ও 'সুখী মানুষ' নাটিকার মোড়ল দুজন বিপরীত চরিত্রের লোক। জোবেদ আলী সৎ, জনদরদি। জনসেবার মধ্যে তিনি সুখ খুঁজে বেড়ান। আর মোড়ল মিথ্যা বলে, অন্যের সম্পদ গ্রাস করে, মানুষের কান্না শুনে হাসে। সুবর্ণপুরের মানুষ তার অত্যাচারে ক্লান্ত, অবসন্ন।
কেউ যখন সব মানুষের কল্যাণের জন্য নিজেকে সঁপে দেয় তখন স্রষ্টার কাছে এবং ওইসব মানুষের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে ওঠে, তখন তার সুখ ও শান্তির জন্য সে সবার কাছ থেকে দোয়া-আশীর্বাদ পেয়ে থাকে। আর যখন কেউ অন্যায়-অত্যাচারে অন্যকে কষ্ট দেয়, নিজেকে লোভ-লালসার মধ্যে নিমগ্ন রাখে, তখন কেউ তাকে পছন্দ করে না। তার জন্য সুখ ও শান্তি কামনা করে না। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে যারা চিকিৎসা করেন তাদের কবিরাজ বলে।
অন্যায়ভাবে হাসুর ও সুবর্ণপুর গ্রামের মানুষের কাছ থেকে সম্পদ লুট করে ধনী হওয়ার কারণে হাসু মোড়লের মৃত্যুকামনা করে।
'সুখী মানুষ' নাটিকায় মোড়ল চরিত্রটির কাজ হলো অন্যের জিনিস লুট করা, ঠকানো, সবকিছু জোর করে ছিনিয়ে নেওয়া ইত্যাদি। মোড়ল একজন অত্যাচারী। মানুষের কান্না দেখে মোড়ল হাসে। আর হাসু চরিত্রটি সৎ ও সাহসী। অন্যায়কারীর শাস্তি প্রত্যাশায় সে মোড়লের মৃত্যু কামনা করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!