সময় তালিকা অনুসারে কাজ করলে সময়মতো কাজ শেষ করার ভালো অভ্যাস গড়ে ওঠে। এতে সময় অপচয় করার প্রবণতা কমে যায়। মৌমিতার মতো স্কুলগামী ছাত্রীর স্কুল খোলার দিনের একটি সময় তালিকা তৈরি করা হলো-
কাজের বিবরণ | সময়ের ব্যাপ্তিকাল, থেকে-পর্যন্ত | কাজের জন্য ধার্য সময় |
| সকালে ঘুম থেকে ওঠা | ৫.৩০ | - |
| হাত-মুখ ধোয়া, ধর্মীয় কাজ এবং বিছানা গোছানো | ৫.৩০-৬.০৫ | ৩৫ মিনিট |
| পড়ালেখা করা | ৬.০৫-৭.০৫ | ১ ঘণ্টা |
| নাশতা খাওয়া ও স্কুলের জন্য তৈরি হওয়া | ৭.০৫-৭.৩০ | ২৫ মিনিট |
| যাওয়া-আসাসহ স্কুলে অবস্থান | ৭.৩০-২.০০ | ৬ ঘণ্টা ৩০ মিনিট |
| স্কুল থেকে ফেরার পর গোসল ও নামাজ/প্রার্থনা | ২.০০-২.৩৫ | ৩৫ মিনিট |
| দুপুরের খাওয়া ও বিশ্রাম | ২.৩৫-৪.০০ | ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিট |
| স্কুল থেকে দেওয়া বাড়ির কাজ করা | ৪,০০-৫.৪০ | ১ঘণ্টা ৪০ মিনিট |
| বিকেলের নামাজ/প্রার্থনা, মা-বাবা ও ভাইবোনের কাজে সাহায্য করা | ৫.৪০-৬.৪০ | ১ ঘণ্টা |
| সন্ধ্যায় নামাজ/প্রার্থনা | ৬.৪০-৭.০০ | ২০ মিনিট |
| হালকা নাশতা পরিবেশনে মাকে সাহায্য করা | ৭.০০-৭.৩০ | ৩০ মিনিট |
| স্কুলের পড়া তৈরি করা | ৭.৩০-৯.৩০ | ২ ঘণ্টা |
| রাতের খাবার ও নামায | ৯.৩০-১০.১৫ | ৪৫ মিনিট |
| স্কুলের পড়া তৈরি | ১০.১৫-১১.১৫ | ১ ঘণ্টা |
| ঘুমের প্রস্তুতি | ১১.০০-১১.১৫ | ১৫ মিনিট |
| ঘুম | ১১.১৫-৫.৩০ | ৬ ঘণ্টা ১৫ মিনিট |
| মোট ২৪ ঘণ্টা |
Related Question
View Allনির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট আয়ের ব্যয় ও সঞ্চয় করার পূর্ব পরিকল্পনা হচ্ছে বাজেট।
পারিবারিক জীবনযাপনের যেসব ক্ষেত্রে অর্থ ব্যয় করতে হয়, সেগুলোই বাজেটের খাত হিসেবে পরিচিত। বাজেটের খাতগুলো সাজানো হয় পরিবারের প্রয়োজনের গুরুত্ব অনুসারে। প্রকৃত বাজেট প্রস্তুত করার সময় কোন কোন খাতে অর্থ ব্যয় করতে হবে সেগুলো স্থির করতে হয়।
তানজীল সাহেবের পরিবারের মাসিক মোট আয় ১০,০০০ টাকা এবং সদস্য সংখ্যা ৫ জন। তার পরিবারের জন্য একটি সুষম বাজেট তৈরি করা হলো-
তানজীল সাহেবের সংসারে বাজেট করার প্রয়োজনীয়তা আছে বলে আমি মনে করি।
বাজেট হচ্ছে অর্থ ব্যয়ের পূর্ব পরিকল্পনা। বাজেট অনুযায়ী সুপরিকল্পিতভাবে ব্যয় করলে মূল্যবান অর্থের অপচয় ঘটে না এবং চাহিদাগুলোও পূরণ হয়ে থাকে।
বাজেট করার ফলে তানজীল সাহেব বিভিন্ন দিক থেকে উপকৃত হবেন। তা হলো-
১. বাজেট করার ফলে তানজীল সাহেব পরিবারের আয় ও ব্যয় সম্বন্ধে ধারণা পাবেন।
২. বাজেট তার পরিবারের অপচয় রোধ করে সচ্ছলতা আনয়নে সাহায্য করবে।
৩. ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়ের ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
৪. গুরুত্বপূর্ণ চাহিদাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পূরণ হবে।
৫. বাজেটের ফলে তার পরিবারের সদস্যরা মিতব্যয়ী হতে শিখবে। ফলে অপচয় হ্রাস পাবে।
৬. বাজেট করে অর্থ ব্যয় করলে সময় ও শক্তির সাশ্রয় হয়।
৭. বাজেট করে সংসার পরিচালনার ফলে সদস্যদের সকল চাহিদা পূরণ করে তাদের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবেন।
সুতরাং বাজেট করার ফলে তানজীল সাহেব উল্লিখিত সুবিধাগুলো পাবেন। তাই তার বাজেট করার প্রয়োজনীয়তা আছে।
সময় কখনো সঞ্চয় করা যায় না।
পারিবারিক মানবীয় সম্পদগুলোর মধ্যে সময় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। যে ব্যক্তি যত বেশি অর্থবহ কর্মসূচি দিয়ে যথাযথভাবে নিজেকে সময়ের সাথে সম্পৃক্ত করতে পারে জীবনে সে তত বেশি সফলতা অর্জন করতে পারে। সময়কে যথাযথ ব্যবহার করতে মানুষ ব্যক্তিগতভাবে, সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!