মৌল 
পারমাণবিক সংখ্যা 12 15 

[এখানে X, Y ও Z প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

রসায়ন (Chemistry) হলো বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের এমন একটি শাখা যা পদার্থের গঠন, ধর্ম, গঠনগত পরিবর্তন এবং এই পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত শক্তি নিয়ে আলোচনা করে।

রসায়ন বিজ্ঞান পদার্থের আণবিক ও পারমাণবিক স্তরের গঠন বিশ্লেষণ করে এবং বিভিন্ন পদার্থ কীভাবে একে অপরের সাথে বিক্রিয়া করে নতুন পদার্থ তৈরি করে তা ব্যাখ্যা করে। এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ঘটে যাওয়া অসংখ্য ঘটনার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদান করে, যেমন খাদ্য হজম হওয়া, মরিচা পড়া, ওষুধ তৈরি হওয়া, জ্বালানি পোড়ানো ইত্যাদি। আধুনিক জীবনযাত্রার প্রতিটি ক্ষেত্রে রসায়নের অবদান অনস্বীকার্য।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

আয়োডিন (Iodine) একটি হ্যালোজেন মৌল যা কক্ষ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। এটিকে উত্তপ্ত করলে এটি সরাসরি কঠিন অবস্থা থেকে গ্যাসীয় অবস্থায় রূপান্তরিত হয়, অর্থাৎ তরল অবস্থায় পরিণত না হয়েই বাষ্পে পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন (Sublimation) বলে।

আয়োডিনের অণুগুলোর মধ্যে তুলনামূলকভাবে দুর্বল আন্তঃআণবিক শক্তি (লন্ডন ডিসপারশন ফোর্স - London Dispersion Force) বিদ্যমান। এর ত্রৈধ বিন্দু (Triple Point) স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপের চেয়ে বেশি। ফলে, স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে আয়োডিনকে উত্তপ্ত করলে এটি গলে না গিয়ে সরাসরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয়, তাই এর কোনো তরল অবস্থা দেখা যায় না।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'Z' মৌলটির 10 টি পরমাণুর ভর নির্ণয়

উদ্দীপকে 'Z' মৌলটির পারমাণবিক ভর (atomic mass) অথবা মোলার ভর (molar mass) উল্লেখ করা না থাকায়, এর নির্দিষ্ট সংখ্যাসূচক মান নির্ণয় করা সম্ভব নয়। তবে, মাধ্যমিক স্তরের রসায়ন (SSC level chemistry) শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য গণনা পদ্ধতি নিচে বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো:

গণনা পদ্ধতি

পদ্ধতি ১: মোলার ভর (Molar Mass) ব্যবহার করে

যদি উদ্দীপকে 'Z' মৌলটির মোলার ভর (M) গ্রাম/মোল এককে দেওয়া থাকে:

        
  • আমরা জানি, এক মোল (1 mole) মৌলে অ্যাভোগাড্রো সংখ্যা (Avogadro's number) পরিমাণ পরমাণু থাকে।
  •     
  • অ্যাভোগাড্রো সংখ্যা (\(N_A\)) = \(6.022 \times 10^{23}\) টি পরমাণু।
  •     
  • এক মোল 'Z' মৌলের ভর = M গ্রাম।

সুতরাং,

\(6.022 \times 10^{23}\) টি 'Z' পরমাণুর ভর = M গ্রাম

1 টি 'Z' পরমাণুর ভর = \(\frac{M}{6.022 \times 10^{23}}\) গ্রাম

অতএব, 10 টি 'Z' পরমাণুর ভর = \(10 \times \frac{M}{6.022 \times 10^{23}}\) গ্রাম

                              = \(\frac{10M}{6.022 \times 10^{23}}\) গ্রাম

উদাহরণস্বরূপ: যদি 'Z' মৌলটির মোলার ভর 23 g/mol (যেমন সোডিয়াম) হয়:

10 টি 'Z' পরমাণুর ভর = \(10 \times \frac{23}{6.022 \times 10^{23}}\) গ্রাম

                       = \(\frac{230}{6.022 \times 10^{23}}\) গ্রাম

                       \(\approx 3.819 \times 10^{-22}\) গ্রাম


পদ্ধতি ২: পারমাণবিক ভর একক (Atomic Mass Unit - amu) ব্যবহার করে

যদি উদ্দীপকে 'Z' মৌলটির পারমাণবিক ভর (A) amu এককে দেওয়া থাকে:

        
  • 1 টি 'Z' পরমাণুর ভর = A amu

অতএব,

10 টি 'Z' পরমাণুর ভর = \(10 \times A\) amu

যদি amu কে গ্রামে রূপান্তর করতে হয়:

        
  • আমরা জানি, 1 amu \(\approx 1.6605 \times 10^{-24}\) গ্রাম।

সুতরাং, 10 টি 'Z' পরমাণুর ভর (গ্রামে) = \(10 \times A \times 1.6605 \times 10^{-24}\) গ্রাম

সঠিক সংখ্যাসূচক উত্তরটি পাওয়ার জন্য উদ্দীপকে উল্লেখিত 'Z' মৌলটির পারমাণবিক বা মোলার ভরের সুনির্দিষ্ট মান জানা অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রন আসক্তি (Electron Affinity) হলো গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের একটি নিরপেক্ষ পরমাণুতে একটি ইলেকট্রন যুক্ত হয়ে একক ঋণাত্মক আয়নে পরিণত হওয়ার সময় যে শক্তি নির্গত হয় বা শোষিত হয়, তার পরিমাণ। সাধারণত শক্তি নির্গত হয়, তাই এর মান ঋণাত্মক হয়। যে মৌলের ইলেকট্রন আসক্তি যত বেশি, সে তত সহজে ইলেকট্রন গ্রহণ করে।

পর্যাবৃত্ত সারণীতে ইলেকট্রন আসক্তির ক্রম বিশ্লেষণ করার জন্য প্রধানত দুটি সাধারণ প্রবণতা বিবেচনা করা হয়:

        
  • একই পর্যায় বরাবর: বাম থেকে ডানে গেলে পরমাণুর আকার হ্রাস পায় এবং নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ শক্তি বৃদ্ধি পায়। ফলে ইলেকট্রন আসক্তি বৃদ্ধি পায়। যেমন, পর্যায় 2-এ B < C < N < O < F। তবে কিছু ব্যতিক্রম দেখা যায়, যেমন, অর্ধপূর্ণ বা পূর্ণ ইলেকট্রন বিন্যাসযুক্ত মৌল (নাইট্রোজেন, নোবেল গ্যাস) এবং Be, Mg-এর ইলেকট্রন আসক্তি কম হয়।
  •     
  • একই গ্রুপ বরাবর: উপর থেকে নিচে নামলে পরমাণুর আকার বৃদ্ধি পায় এবং নিউক্লিয়াস থেকে বাইরের ইলেকট্রনের দূরত্ব বাড়ে। ফলে নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ শক্তি কমে যায় এবং ইলেকট্রন আসক্তি হ্রাস পায়। যেমন, গ্রুপ 17-এ F > Cl > Br > I। তবে, গ্রুপ 17-এর ফ্লোরিন (F) অপেক্ষা ক্লোরিন (Cl)-এর ইলেকট্রন আসক্তি বেশি হয়। এর কারণ হলো ফ্লোরিনের ছোট আকার এবং তুলনামূলকভাবে বেশি ইলেকট্রন ঘনত্ব, যা নতুন আগত ইলেকট্রনকে বিকর্ষণ করে।

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'X', 'Y' ও 'Z' মৌল তিনটির ইলেকট্রন আসক্তির ক্রম বিশ্লেষণ করতে হলে প্রথমে তাদের পর্যায় সারণীতে অবস্থান (পর্যায় এবং গ্রুপ) জানতে হবে। তাদের অবস্থান জানা গেলে উপরের সাধারণ প্রবণতা ও ব্যতিক্রমগুলো বিবেচনা করে তাদের ইলেকট্রন আসক্তির ক্রম নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি X, Y, Z একই পর্যায়ে থাকে এবং X বামে, Y মাঝে ও Z ডানে থাকে, তবে ইলেকট্রন আসক্তির ক্রম হবে X < Y < Z (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া)। আবার, যদি তারা একই গ্রুপে থাকে এবং X উপরে, Y মাঝে ও Z নিচে থাকে, তবে ক্রম হবে X > Y > Z (ফ্লোরিন-ক্লোরিন ব্যতিক্রম বাদে)।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
421

2016 সাল পর্যন্ত পৃথিবীতে মোট 118টি মৌলিক পদার্থ আবিষ্কৃত হয়েছে। রসায়ন অধ্যয়ন ও গবেষণার জন্য সব কয়টি মৌলের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন। মৌলিক পদার্থগুলোর মধ্যে কিছু মৌলিক পদার্থ একই রকম ধর্ম প্রদর্শন করে। যে সকল মৌলিক পদার্থ একই রকম ধর্ম প্রদর্শন করে তাদেরকে একই গ্রুপে রেখে সমগ্র মৌলিক পদার্থের জন্য একটি ছক তৈরি করার চেষ্টা দীর্ঘদিন থেকেই চলছিল। কয়েক শত বছর ধরে বিভিন্ন বিজ্ঞানীর প্রচেষ্টা, অনেক পরিবর্তন, পরিবর্ধনের ফলে আমরা মৌলগুলো সাজানোর এই ছকটি পেয়েছি, যেটা পর্যায় সারণি বা Periodic table নামে পরিচিত। এ পর্যায় সারণি রসায়নের জগতে বিজ্ঞানীদের এক অসামান্য অবদান। এ পর্যায় সারণি এবং তার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে কারও ভালো ধারণা থাকলে শুধু এই 118টি মৌলের বিভিন্ন ধর্ম নয় বরং এ সকল মৌল দ্বারা গঠিত অসংখ্য যৌগের ধর্মাবলি সম্পর্কে সাধারণ ধারণা জন্মে। এই অধ্যায়ে পর্যায় সারণি এবং পর্যায় সারণিতে অবস্থিত মৌলসমূহের বিভিন্ন ধর্ম ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে একটি সাধারণ ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
 

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা -
 

  • পর্যায় সারণি বিকাশের পটভূমি বর্ণনা করতে পারব।
     
  •  মৌলের সর্ববহিঃস্তর শক্তিস্তরের ইলেকট্রন বিন্যাসের সাথে পর্যায় সারণির প্রধান গ্রুপগুলোর সম্পর্ক নির্ণয় করতে পারব (প্রথম 30টি মৌল)।
     
  • একটি মৌলের পর্যায় শনার করতে পারব।
     
  • পর্যায় সারণিতে কোনো মৌলের অবস্থান জেনে এর ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম সম্পর্কে ধারণা করতে পারব।
     
  • মৌলসমূহের বিশেষ নামকরণের কারণ বলতে পারব।
     
  •  পর্যায় সারণির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  •  পর্যায় সারণির একই গ্রুপের মৌল দ্বারা গঠিত যৌগের একই ধরনের ধর্ম প্রদর্শন করতে গাঁৱৰ ।
     
  • পরীক্ষণের সময় কাচের যন্ত্রপাতির সঠিক ব্যবহার করতে পারব।
     
  • পরীক্ষণ কাজে সতর্কতা অবলম্বন করতে পারব।
     
  • পর্যায় সারণি অনুসরণ করে মৌলসমূহের ধর্ম অনুমানে আগ্রহ প্রদর্শন করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

রাসায়নিকভাবে সদৃশ প্রতি ৩টি মৌলের মধ্যে মাঝের মৌলটির পারমাণবিক ভর মোটামুটিভাবে অপর মৌল দুটির পারমাণবিক ভরের গড় হয়- এটিই ডোবেরাইনার ত্রয়ী সূত্র।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.3k
উত্তরঃ

বেরিয়াম (Ba) মৌলটি গ্রুপ-২ এ অবস্থিত। এর অক্সাইড পানিতে ক্ষারীয় দ্রবণ তৈরি করে। এর সর্ববহিঃস্ত স্তরের দুটি ইলেকট্রন অধাতুকে দান করে আয়নিক যৌগ (লবণ) তৈরি করে। এটি বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে। তাই বেরিয়াম (Ba) কে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়।

BaO + H2O Ba(OH)2

                                      ক্ষার

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.1k
উত্তরঃ

প্রদত্ত উদ্দীপকে সোডিয়াম (Na), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ফ্লোরিন (চ), ক্লোরিন (CI) এবং ব্রোমিন (Br) এই পাঁচটি মৌল অবস্থিত। এদের মধ্য Na, Mg ও CI মৌলত্রয় পর্যায় সারণির তৃতীয় পর্যায়ে এবং F, CI ও Br মৌলত্রয় পর্যায় সারণির 17 নং গ্রুপে অবস্থিত।

আমরা জানি, পর্যায় সারণির যে কোনো পর্যায়ে যতই বামদিক থেকে ডানদিকে যাওয়া যায় অর্থাৎ পারমাণবিক সংখ্যা যতই বাড়ে পরমাণুর আকার ততই হ্রাস পায়। অতএব উদ্দীপকের Na, Mg ও CI এর মধ্যে Na এর আকার সবচেয়ে বড় এবং CI এর আকার সবচেয়ে ছোট। এদের আকারের ক্রম হলো Na > Mg > Cl । Na এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধ 0.154 nm এবং CI এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধ 0.099 nm।

আবার একই গ্রুপের মৌলসমূহের বেলায় উপর থেকে নিচের দিকে গেলে পরমাণুর ইলেকট্রনের জন্য নতুন কক্ষপথ বা শক্তিস্তর যুক্ত হয়।
ফলে পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বৃদ্ধি পায়। F, CI ও Br মৌলগুলোর মধ্যে F একই গ্রুপের সবচেয়ে উপরে এবং Br সবচেয়ে নিচে অবস্থিত। অতএব, এদের আকারের ক্রম হলো F < Cl < Br Br এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধ হলো 0.144nm |

উপরোক্ত আলোচনা হতে দেখা যায়, Na ও Br উভয়ের আকারই CI থেকে বড়। অর্থাৎ এদের ক্রম হলো- Na > Cl < Br কিন্তু Na ও Br এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধ যথাক্রমে 0.154 nm ও 0.114 nm । সুতরাং উদ্দীপকের মৌলগুলোর মধে Na এর আকার সবচেয়ে বড়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.5k
উত্তরঃ

গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের এক মোল গ্যাসীয় পরমাণুতে এক মোল ইলেকট্রন প্রবেশ করিয়ে এক মোল ঋণাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে ঐ মৌলের ইলেকট্রন আসক্তি বলে।

উদ্দীপকের পর্যায়ের মৌলগুলো যথাক্রমে Na, Mg ও Cl
পর্যায় সারণির একই পর্যায়ে মৌলগুলোর জন্য বাম দিক থেকে ডান দিকে ইলেকট্রন আসক্তি ক্রমশ বৃদ্ধি পায়। কারণ বাম থেকে ডান দিকে পারমাণবিক সংখ্যা। ক্রমশ বৃদ্ধি পায়। ফলে নিউক্লিয়াসের প্রোটনের সংখ্যা বৃদ্ধি তথা ধনাত্মক চার্জ বৃদ্ধি পায় কিন্তু নতুন কোনো শক্তিস্তর সৃষ্টি না হওয়ায় নিউক্লিয়াস থেকে ইলেকট্রনের দূরত্ব তেমন বৃদ্ধি পায় না। ফলে ধনাত্মক চার্জের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। তাই অধিক আকর্ষণের জন্য মৌলগুলোের ইলেকট্রন আসক্তি বৃদ্ধি পায়।

এক্ষেত্রে উদ্দীপকের পর্যায়ের সর্ববামের মৌল Na এর আকার সবচেয়ে বড় এবং সর্বডানের মৌল Cl এর আকার সবচেয়ে ছোট। অতএব এ পর্যায়ের মৌলের আকারের ক্রম হলো Na > Mg > ........>Cl আবার, আমরা জানি মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ অর্থাৎ আকার বৃদ্ধি পেলে ইলেকট্রন আসক্তি হ্রাস পায় এবং আকার হ্রাস পেলে ইলেকট্রন আসক্তি বৃদ্ধি পায়। সুতরাং উদ্দীপকের পর্যায়ের মৌলগুলোের ইলেকট্রন আসক্তির ক্রম হবে Na < Mg<..........

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
938
উত্তরঃ

মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক সংখ্যা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
538
উত্তরঃ

উদ্দীপকের B মৌলটি পর্যায় সারণির চতুর্থ পর্যায়ের গ্রুপ-২ এ অবস্থিত। কাজেই মৌলটি হতে ক্যালসিয়াম (Ca)।

যে সকল ধাতু মাটিতে যৌগ হিসেবে পাওয়া যায় এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষার তৈরি করে তাদেরকে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়। বৈশিষ্ট্য অনুসারে গ্রুপ-2 এর মৌলসমূহকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে। ক্যালসিয়াম (Ca) পর্যায় সারণির দ্বিতীয় গ্রুপে অবস্থিত একটি মৌল। মৌলটি মূলত মাটিতে পাওয়া যায় এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে Ca(OH)2 গঠন করে। তাই ক্যালসিয়াম (Ca) কে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
863
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews