Related Question
View Allতিতুমীরের জন্ম ১৭৮২ সালে।
তিতুমীর গ্রামের মাদ্রাসায় পড়াশোনা শুরু করেন। তিনি ডন-কুস্তি করতেন, লাঠিখেলা করতেন, তির ছোড়া শিখতেন, তরবারি চালনা শিখতেন। তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতেন, ইংরেজদের হাত থেকে স্বাধীন হওয়ার কথা বলতেন। এজন্য তিতুমীর বাঁশের কেল্লা বানিয়ে তরুণদের সেখানে প্রশিক্ষণ দিতে লাগলেন। একপর্যায়ে তিতুমীর কয়েকটা নীলকুঠি দখল করে নিলেন। মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তিতুমীর বলেন- লড়ে যাও! দেশের জন্য লড়ে যাও!
নীলচাষিরা বিভিন্ন উপায়ে তাদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদ করেছিলেন। প্রথমত তারা দাবি তুলেছিলেন চাষিদের নীলচাষে বাধ্য করা যাবে না। এরপর তারা নীলচাষ করতে অস্বীকৃতি জানান। তারা জমিদার ও ইংরেজ নীলকরদের বিরুদ্ধে এক হয়ে আন্দোলন শুরু করেন। অনেক গ্রামে চাষিদের বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে তারা বেশকিছু নীলকুঠি দখল করে নেন।
তিতুমীর হায়দারপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সৈয়দ বংশের সন্তান।
ছোটোবেলায় তিতুমীরের একবার কঠিন অসুখ করেছিল। তখন তাকে তেতো ওষুধ খেতে দেওয়া হয়। তার বাবা-মা ভেবেছিলেন সে তেতো ওষুধ খাবে না। কিন্তু সে তেতো ওষুধ সবই খায়। তেতো ওষুধ তার প্রিয় বলে বাবা তার নাম দেন তিতু বা তিতুমীর।
তিতুমীর গ্রামের মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতেন। তিনি দেশের মানুষের দুঃখ-কষ্ট দূর করতে চেয়েছিলেন। তৎকালীন ইংরেজদের অন্যায়-অত্যাচার থেকে এদেশের মানুষদের মুক্ত করতে চেয়েছিলেন। তাই তিনি এদেশের মানুষের জন্যই ইংরেজদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!