যাদের বুকের রক্তে মাতৃভাষা পেয়েছে সম্মান,

সঙ্গিনের মুখে যারা দাঁড়িয়েছে নিষ্কম্প, অম্লান,

মানে নাই কোনো বাধা, মৃত্যুভয় মানে নাই যারা

তাদের স্মরণচিহ্ন এ মিনার- কালের পাহারা!

এখানে দাঁড়াও এসে মনে করো তাদের সে-দান

যাদের বুকের রক্তে মাতৃভাষা পেয়েছে সম্মান।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

গল্পকথক তপুকে কপালে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে দেখেন।

উত্তরঃ

"আমরা এতটুকু নড়লাম না, বাধা দিতে পারলাম না।" কথাটি গল্পকথক আক্ষেপ করে তপুর মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে বলেছে।

'একুশের গল্প' নামক ছোটগল্পের গল্পকথক, রাহাত এবং তপু ভাষা আন্দোলনের মিছিলে যোগ দেয়। লাল কালিতে "রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই" প্ল্যাকার্ড নিয়েই তপু মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। হাইকোটের মোড়ে গল্প কথকের সামনে থেকে দুইজন মিলিটারি তপুর গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ দ্রুত তুলে নেয়। তপুকে লুটিয়ে পড়তে দেখে রাহাত আর্তনাদ করে উঠলেও গল্পকথক বিমূঢ়ের মতো দাঁড়িয়ে থাকে। তপুর মৃত দেহটা তুলে নেওয়ার সময় গল্প কথক এবং রাহাত কী করছিলেন তা জানাতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'একুশের গল্প' নামক ছোটগল্পের সঙ্গে ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সাহসী চেতনার দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।

ভাষা আন্দোলন আমাদের জাতীয় জীবনে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। এ আন্দোলনে বাংলার দামাল ছেলেরা মাতৃভাষা বাংলার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা রক্ষায় অসীম সাহসিকতা দেখিয়েছেন। শত্রুর গুলির মুখে বুক পেতে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছেন।

উদ্দীপকে মাতৃভাষা বাংলার সম্মান রক্ষাকারী বাঙালি জাতির বীর শহিদদের অসামান্য অবদান ও বীরত্বের কথা বলা হয়েছে। তারা মাতৃভাষার জন্য বুকের রক্ত দিয়েছে, সঙিনের মুখে দাঁড়িয়েছে। তারা কোনো বাধা মানেননি, মৃত্যুভয়ও তারা উপেক্ষা করেছেন। এমন বীরদেরই স্মরণ করতে বলা হয়েছে। 'একুশের গল্প' নামক ছোটগল্পেও রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মানুষের সাহসী পদক্ষেপ লক্ষ করা যায়। এ লগ্নে ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সব ভয়ভীতি, বাধাবিপত্তি, পারিবারিক পিছুটান উপেক্ষা করে তারা মিছিলে যায় এবং জীবন দেয়। বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় মানুষের এমন চেতনা মূলত তাদের সাহসী চেতনাকেই নির্দেশ করে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'একুশের গল্প' নামক ছোটগল্পের আংশিক ভাবকে ধারণ করে বলে আমি মনে করি।

দেশ ও দেশের মানুষের জন্য যাঁরা নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করেন তাঁরা অমর হয়ে সবার মধ্যে বেঁচে থাকেন। তাঁদের এমন আত্মত্যাগ যুগ যুগ ধরে দেশের মানুষ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। তাঁরা দেশের যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে মুক্তিকামী জনতাকে অনুপ্রেরণা দেয়।

উদ্দীপকে মাতৃভাষার সম্মান রক্ষায় অস্ত্রের সামনে দাঁড়ানো বীরদের কথা বলা হয়েছে। যাঁদের মৃত্যুভয় ছিল না, যাঁরা কোনো বাধা মানেননি। 'একুশের গল্প' নামক, ছোটগল্পে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিলে তপুর মতো অনেক প্রাণের বিসর্জন দিয়েছে। অর্জিত হয়েছে বাংলা ভাষার অধিকার। তবে এ গল্পে গল্পকথক, তপু ও রাহাতের মধ্যে আন্তরিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক কর্মকান্ড, তপুর ব্যক্তিগত জীবনের নানা দিকসহ আরও কিছু বিষয় ফুটে উঠেছে যেগুলো উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি।

'একুশের গল্প' নামক ছোটগল্পে ভাষা আন্দোলনে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও আত্মত্যাগের পাশাপাশি তপুর ব্যক্তিগত জীবনের নানা দিক, তপুকে নিয়ে গল্পকথকের স্মৃতিকাতরতা, তপুর নির্মম মৃত্যু ও তার মৃতদেহ না পাওয়া, চার বছর পর তার কঙ্কাল দেখে বন্ধুদের তাকে তপু হিসেবে শনাক্ত করার ঘটনা প্রভৃতি ফুটে উঠেছে। গল্পের এ দিকগুলো উদ্দীপকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত হয়নি। তাই উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'একুশের গল্প' নামক ছোটগল্পের আংশিক ধারণ করে বলে আমি মনে করি।

87
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
773
উত্তরঃ

তপু ফিরে আসায় সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিল, কারণ তারা ভাষা আন্দোলনে শহিদ তপুর মৃতদেহ দুজন মিলিটারি নিয়ে যাওয়ার পর এই প্রথম তপুর কঙ্কাল দেখছে।

'একুশের গল্প' নামক ছোটগল্পের কথক তপুর বন্ধু। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তপু, রাহাত ও গল্পকথক অংশ নিয়েছিল। তারা চার বছর আগে ভাষার মিছিলে যোগ দিয়ে হাইকোর্টের মোড়ে যাওয়ার পর তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী মিছিলে গুলি চালায়। লাল কালিতে লেখা 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' প্ল্যাকার্ড-নিয়ে তপু মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুজন মিলিটারি এসে তপুর মৃতদেহ নিয়ে চলে যায়। সেই ঘটনার চার বছর পর হোস্টেলে তপুর সিটে আসা নতুন রুমমেটের কাছে থাকা কঙ্কালটি কাকতালীয়ভাবে ভাষা আন্দোলনে শহিদ তপুর। অন্যরূপে হলেও প্রিয় বন্ধু ফিরে আসায় সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিল।

626
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আজাদের সঙ্গে 'একুশের গল্প' রচনার তপু চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

বাঙালি হলো বীরের জাতি। তারা অধিকার আদায়ে ছিল তৎপর। তাদের উপর যখনই কোনো অন্যায়-অবিচার হয়েছে তখনই তারা ঝাঁপিয়ে পড়েছে অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে। আদায় করেছে নিজেদের অধিকার।
উদ্দীপকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে এক তরুণের আত্মদানের কথা বলা হয়েছে। এই তরুণের নাম মাগফার আহমেদ চৌধুরী আজাদ। তিনি আগস্ট মাসে ধরা পড়ে শত্রুর হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হন তবুও সহযোদ্ধাদের কোনো তথ্য তিনি শত্রুদের দেননি। তার এই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও চেতনা 'একুশের গল্প' ছোটগল্পের তপুর সাহসী চেতনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তপু 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' প্ল্যাকার্ড নিয়ে ভাষা আন্দোলনের মিছিলে যোগ দিয়েছে। স্ত্রী রেণুর বাধা, অনুরোধ উপেক্ষা করেছে। এভাবে উদ্দীপকের আজাদের সঙ্গে 'একুশের গল্প' শীর্ষক গল্পটির তপু চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ

323
উত্তরঃ

যুগে যুগে আজাদ, তপু, রাহাত, গল্প কথক- এঁরা এক কাতারে দাঁড়িয়ে যায় মানুষের ন্যায্য অধিকারের দাবিতে।

একজন দেশপ্রেমিক সব সময় দেশ ও জাতির মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেন। অধিকার আদায়ের জন্য মানুষকে দিনের পর দিন আন্দোলন করতে হয়। মানুষ ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য প্রয়োজনে জীবন দিতেও প্রস্তুত থাকে।

'একুশের গল্প' গল্পে গল্পকথক, রাহাত ও তপু- তারা তিন বন্ধু ভাষা আন্দোলনে যোগ দেয় এবং 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' বলে স্লোগান দেয়। মিছিলে শত্রুরা গুলি চালালে তপু পুলিবিদ্ধ হয়ে প্লাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। বাংলা ভাষার জন্য তার এ আত্মদানের সঙ্গে উদ্দীপকের আজাদের মিল রয়েছে। তিনিও প্রিয় মাতৃভূমিকে শত্রুমুক্ত করতে শত্রুর নির্মমতা সহ্য করেছেন, তবুও সহযোদ্ধাদের বিষয়ে কোনো প্রকার তথ্য দেননি।

'একুশের গল্প' গল্পে তপু ও তার বন্ধুরা অসীম সাহস নিয়ে বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় রাজপথে নেমে পড়ে। তাদের মতো উদ্দীপকের আজাদও দেশ ও জাতির মুক্তির জন্য একই কাতারে দাঁড়িয়েছে। আসলে তরুণের ধর্মই এই। দেশে যখনই কোনো ক্রান্তিকালে পড়ে তখনই তরুণরা দেশ উদ্ধারে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাই বলা যায়, দেশমাতৃকার প্রশ্নে যুগে যুগে আজাদ, তপু, রাহাত, গল্পকথক এঁরা এক কাতারে দাঁড়িয়ে যায়।

244
উত্তরঃ

"তুমিও চলো না আমাদের সাথে।"- কথাটি তপু বলেছে তার স্ত্রী রেণুকে ভাষা আন্দোলনের মিছিলে যেতে।

'একুশের গল্প' শীর্ষক ছোটগল্পে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের অংশগ্রহণ ও জীবনদানের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। তপু তার বন্ধু গল্পকথক ও রাহাতকে নিয়ে ভাষা আন্দোলনের মিছিলে যোগ দেয়। একটু পরে তপুর স্ত্রী রেণু এসে তপুর হাত ধরে, তাকে মিছিলে থেকে সরিয়ে বাড়ি নিয়ে যেতে চায়। তপু তখন স্ত্রীর হাত ছাড়িয়ে নিয়ে তাকেও মিছিলে যোগ দিতে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলে।

146
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews