যুক্তবর্ণ গুলো ভেঙে লেখো ও প্রতিটি যুক্তবর্ণ দিয়ে তৈরি শব্দ দ্বারা একটি করে বাক্য রচনা করো।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

স্ব-  স্+ব - স্বাধীন - আমরা স্বাধীন জাতি।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

ক্ক- ক্+ক - মক্কায় - লোকটি হজ করতে মক্কায় গিয়েছে।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

ক্ষ - ক্+ষ - রুক্ষ - শীতকালে ত্বক রুক্ষ হয়ে ওঠে।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

ঙ্গ- ঙ + গ - সঙ্গে - মিলি মিতার সঙ্গে কথা বলছে।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

ন্দ - ন্+দ - পছন্দ - আমি ছবি আঁকতে পছন্দ করি।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

ক্ত -ক+ত - শক্তিধর - পশুদের মধ্যে সিংহ সবচেয়ে শক্তিধর।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

স্ত-  স্+ত - অস্ত - পশ্চিমে সূর্য অস্ত যায়।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
151

হাতি আর শিয়ালের গল্প

সে অনেক-অনেক দিন আগের কথা। চারদিকে তখন কী সুন্দর সবুজ বন, ঝোপঝাড়। আর দিগস্তে ঝুঁকে পড়া নীল আকাশের ছোঁয়া। এরকম দিনগুলোতে মানুষেরা থাকত লোকালয়ে আর পশুরা জঙ্গলে।

মানুষ তখন একটু একটু করে সভ্য হচ্ছে। কী করে সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকা যায়, শিখছে সেইসব কায়দাকানুন। ও-দিকে বনে বনে তখন পশুদের রাজত্ব। হাজার রকমের প্রাণী, অসংখ্য পাখ-পাখালি। বেশ শান্তিতেই কাটছিল বনের পাখি আর প্রাণীদের দিনগুলো। কিন্তু একদিন হলো কি তাড়া খেয়ে মস্ত একটা হাতি এই বনে ঢুকে পড়ল। হাতিটার সে-কী বিশাল শরীর। পাগুলো বটপাকুড় গাছের মতো মোটা। শুঁড় এতটাই লম্বা যে আকাশের গায়ে গিয়ে বুঝি ঠেকবে। তার গায়েও অসীম জোর। এই শরীর আর শক্তি নিয়েই তার যত অহংকার। মেজাজটাও দারুণ তিরিক্ষি।

  
 

 

 

 

তো—যেই-না হাতিটার ঐ বনে ঢোকা, অমনি শুরু হয়ে গেল তোলপাড়। নতুন অতিথি এসেছে, সবাই স্বাগত জানাবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। কিন্তু ঐ দুষ্টু হাতিটার সে-কী তুলকালাম কাণ্ড! খুব জোরে গলা ফাটিয়ে দিল প্রচণ্ড একটা হুঙ্কার। থরথর করে কেঁপে উঠল সমস্ত বন। গাছে গাছে পরম নিশ্চিন্তে বসেছিল পাখি, তারা ভয়ে ডানা ঝাপটাতে শুরু করল। মাটির তলায় লুকিয়ে ছিল যে ইঁদুর, গুবরে পোকার দল। তারা বুঝতে চাইল কী এমন ঘটল যে এমন করে কেঁপে উঠল মেদিনী?

হাতিটা এমন ভাব করতে শুরু করল, সেই বুঝি বনের রাজা। গুরুগম্ভীর ভারিক্কি চালের কেশর দোলানো অমিত শক্তিধর সিংহ। সেও হাতিটার কাছে আসতে ভয় পায়। হালুম বাঘ মামা, সেও হাতিটার ধারে-কাছে ঘেঁষতে চায় না। বনের সবাই ভয়ে তটস্থ, শঙ্কিত। কখন জানি কী হয় !

একবার তো কী জানি কী হয়েছে। নিরীহ একটা হরিণকে শুঁড়ে জড়িয়ে ছুঁড়ে ফেলে দিল দূরে। আরেকবার ছোট্ট একটা পিঁপড়ে পায়ের তলায় পিষে মেরে ফেলল। সেই থেকে বনের কোনো প্ৰাণী হাতিটার ছায়াও মাড়াত না। দিনে দিনে হাতিটা হয়ে উঠল আরও অহংকারী। এই নিয়ে বনের কারো মনে শান্তি নেই ।

কিন্তু এভাবে কি দিন যায়? এক সন্ধ্যায় বনের সব প্রাণী এসে জড়ো হলো সিংহের গুহায়। এর একটা বিহিত চাই, সবার মুখে এক কথা। বাঘ, ভালুক, সিংহ, বানর, হরিণ, বনবিড়াল, শিয়াল সবাই সলা-পরামর্শ করতে বসল। শেষে সবাই মিলে শিয়ালের উপরেই ভার দিল।

দিন আসে, দিন যায়। একদিন শিয়াল ভয়ে ভয়ে হাজির হলো হাতির আস্তানায়। লেজ গুটিয়ে একটা সালাম দিল। বলল, আপনিই তো বনের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রাণী। আপনিই আমাদের রাজা। ওই দেখুন, নদীর ওপারে সবাই উদগ্রীব হয়ে বসে আছে। আপনাকে রাজা হিসেবে বরণ করে নিতে চায় সবাই ।

হাতি তো শিয়ালের কথা শুনে মহা খুশি। আচ্ছা চল। নদীর পারে এসে শিয়াল বলল, এই আমি নদী সাঁতরে পার হচ্ছি। আপনিও আসুন। এই বলে শিয়াল নদীতে দিল ঝাঁপ। হাতি ভাবল, পুঁচকে শিয়াল যদি নদী পার হতে পারে, আমি পারব না কেন? সেও নদীতে নেমে পড়ল।

কিন্তু মস্ত বড় তার শরীর আর কী ভারী ! হাতিটা নদীর পানিতে পা দিল। অমনি তার ভারী শরীর একটু একটু করে তলিয়ে যেতে থাকল। তলিয়ে যেতে যেতে হাতি বলল, শিয়াল ভায়া, আমাকে বাঁচাও। শিয়াল ততক্ষণে নদী পার হয়ে তীরে উঠে এসেছে। বনের সমস্ত প্রাণী তার পেছনে এসে দাঁড়াল। তো—যেই-না হাতিটার ঐ বনে ঢোকা, অমনি শুরু হয়ে গেল তোলপাড়। নতুন অতিথি এসেছে, সবাই স্বাগত জানাবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। কিন্তু ঐ দুষ্টু হাতিটার সে-কী তুলকালাম কাণ্ড! খুব জোরে গলা ফাটিয়ে দিল প্রচণ্ড একটা হুঙ্কার। থরথর করে কেঁপে উঠল সমস্ত বন। গাছে গাছে পরম নিশ্চিন্তে বসেছিল পাখি, তারা ভয়ে ডানা ঝাপটাতে শুরু করল। মাটির তলায় লুকিয়ে ছিল যে ইঁদুর, গুবরে পোকার দল। তারা বুঝতে চাইল কী এমন ঘটল যে এমন করে কেঁপে উঠল মেদিনী?

হাতিটা এমন ভাব করতে শুরু করল, সেই বুঝি বনের রাজা। গুরুগম্ভীর ভারিক্কি চালের কেশর দোলানো অমিত শক্তিধর সিংহ। সেও হাতিটার কাছে আসতে ভয় পায়। হালুম বাঘ মামা, সেও হাতিটার ধারে-কাছে ঘেঁষতে চায় না। বনের সবাই ভয়ে তটস্থ, শঙ্কিত। কখন জানি কী হয় ! শিয়াল হাতিকে কাল, তোমাকে বাচাব আমরা? এতদিন তোমার অত্যাচারে আমরা কেউ বনে শান্তিতে ঘুমাতে পারিনি। তোমাকে শাস্তি দেওয়ার জন্যেই তো নদীতে নিয়ে এসেছি। বনের যত প্রাণী ছিল, সবাই শিয়ালের কথার প্রতিধ্বনি করে সমস্বরে বলে উঠল :

ঠিক বলেছ শিয়াল ভায়া আর দেখব না হাতির ছায়া আমরা এখন মুক্ত স্বাধীন নাচছি সবাই তা-ধিন তা-ধিন ।

(হিতোপদেশ অবলম্বনে)

 

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিদ্যুৎ চমকালে মেদিনী কেঁপে ওঠে বলে মনে হতে পারে।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

অহংকার পতনের মূল।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

কী হয়েছে, এত তটস্থ হয়ে আছ কেন?

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

বনের সিংহ হুঙ্কার দিলে মানুষের মনে ভয় জাগে।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

নিজের কলমটা খুঁজে না পেয়ে সে তুলকালাম কাণ্ড বাঁধিয়ে দিয়েছে।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

দিগন্তের ওপারে কী আছে কেউ জানে না।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

মেজাজ তিরিক্ষি বলে তার কাছে কেউ ঘেঁষতে চায় না।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

তুমি এত শঙ্কিত কেন? কী হয়েছে?

Anonymous
Anonymous
9 months ago
62
উত্তরঃ

আমরা এখন মুক্ত স্বাধীন।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

দেখব না আর হাতির ছায়া

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

মাটির তলায় লুকিয়ে ছিল যে ইঁদুর।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

বাঘ, ভালুক, সিংহ, বানর, হরিণ, বনবিড়াল, শিয়াল সবাই  সলা-পরামর্শ করতে বসল।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

প্রতিদিন তোমার অত্যাচারে   আমরা কেউ বনে শান্তিতে ঘুমাতে পারিনি

Anonymous
Anonymous
9 months ago
47
উত্তরঃ

হাতিটার সে-কী বিশাল শরীর।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

মেজাজটাও দারুণ তিরিক্ষি

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

পা-গুলো বটপাকুড় গাছের মতো মোটা ।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

কিন্তু এভাবে কি দিন যায়?

Anonymous
Anonymous
9 months ago
উত্তরঃ

সেও নদীতে নেমে পড়ল।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
62
উত্তরঃ

বনে বনে পশুদের রাজত্ব ছিল।
শিয়াল তার বুদ্ধিমত্তা ও কৌশল দিয়ে হাতির অত্যাচার থেকে বনের পশুপাখিকে রক্ষা করল। শিয়াল হাতিকে শায়েস্তা করার জন্য কৌশল অবলম্বন করল। তার কৌশলে হাতি নদীতে নেমে তলিয়ে যেতে থাকল। এভাবে শিয়াল তার বুদ্ধি দিয়ে বনের পশুপাখিকে রক্ষা করল।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
116
উত্তরঃ

হাতির অত্যাচারে বনের সব প্রাণী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। অত্যাচারী হাতি থেকে রক্ষা পেতে বনের সবাই পরামর্শ করে শিয়ালকে হাতির আস্তানায় পাঠাল। শিয়াল হাতির নানা রকম প্রশংসা করে। নদীর ওপারের সবাই হাতিকে রাজা হিসেবে বরণ করে নিতে চায়- এ কথা শুনে হাতি খুশি মনে শিয়ালের ফাঁদে পা দিল। এভাবে বোকা হাতি শিয়ালের বুদ্ধির কাছে হার মানল।

Anonymous
Anonymous
9 months ago
105
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews