যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাময়িকী ফরেন পলিসি ২০০৫ সাল থেকে ১২টি সূচকের ভিত্তিতে ব্যর্থ রাষ্ট্রের তালিকা তৈরি করে। সূচকগুলো হলো 'জনসংখ্যার ঘনত্ব ও চাপ, বাস্তচ্যুতি ও আভ্যন্তরীণ শরণার্থী সমস্যা, গোষ্ঠীগত অসন্তোষ, অভিবাসন ও মানব পাচার, অসম উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অবনতি, রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে অনাস্থা, সরকারি সেবার অনাস্থা, সরকারি সেবার দুরবস্থা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, নিরাপত্তার অভাব, অভিজাত শ্রেণির প্রভাব ও বাহ্যিক হস্তক্ষেপ। এ সূচক অনুযায়ী জিম্বাবুয়ে ৫ম স্থানে রয়েছে এবং ১ম স্থানে রয়েছে সোমালিয়া। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যে ক্ষমতা কাঠামোয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক রীতিনীতিসমূহ যেমন সর্বজনীন ভোটাধিকার, বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, সভাসমিতির অধিকার কার্যকর থাকে না এবং শাসকশ্রেণি স্বেচ্ছাচারিতার সাথে ক্ষমতা চর্চা করে সেটাই কর্তৃত্বমূলক ক্ষমতা কাঠামো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

শুদ্ধাচার বলতে সাধারণভাবে নৈতিকতাও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষতাকে বোঝায়। আর নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষতা নাগরিকের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়।
এজন্য নাগরিক যেহেতু রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি তাই নাগরিকের মধ্যে শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত অবস্থাটিকে গভর্ন্যান্সের দৃষ্টিকোণ থেকে সুশাসনের অনুপস্থিতি অর্থাৎ দুর্নীতিপরায়ণ নামে আখ্যায়িত করা যাবে।

কোনো রাষ্ট্রে যদি সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে সে রাষ্ট্রের দুর্নীতির বিলুপ্তি ঘটে এবং রাষ্ট্রে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে, দরিদ্রতা দূর হয়, ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় থাকে, নেতৃত্বের সংকট হয় না, নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি পায়, কর্তৃত্বমূলক ক্ষমতা কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হয় না। কিন্তু উদ্দীপকে বর্ণিত অবস্থা থেকে লক্ষ করা যায়, উক্ত অবস্থায় সুশাসনের সকল বিষয়ই অনুপস্থিত। যে কারণে উক্ত অবস্থাকে সুশাসনের অভাব বা দুর্নীতিপরায়ণ অবস্থা বলে আখ্যায়িত করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উল্লিখিত অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার নিম্নোক্ত ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে-

১. সরকার শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা অর্থাৎ নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষতাকে প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে উল্লিখিত অবস্থা থেকে উত্তরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।
২. সরকার উল্লিখিত অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য প্রতিনিধিত্বমূলক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারে।
৩. সরকার মানবাধিকার চর্চা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে উল্লিখিত বিষয় হতে উত্তরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।
৪. সরকার কার্যকর আইনসভা গড়ে তুলে উল্লিখিত বিষয় হতে উত্তরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।
৫. সরকার রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে উল্লিখিত বিষয় হতে উত্তরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।
৬. সরকার উল্লিখিত বিষয় হতে উত্তরণের জন্য নাগরিক সেবার পরিমাণ ও মান বৃদ্ধি করে দিতে পারে।
৭. সরকার নাগরিকদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে উল্লিখিত বিষয় হতে উত্তরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।
উপরিউক্ত বিষয়গুলো ছাড়াও সরকার রাষ্ট্রের সামগ্রিক কল্যাণের জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যাবলি গ্রহণ করার মাধ্যমে উল্লিখিত বিষয় হতে উত্তরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
88
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
228
উত্তরঃ

সাধারণভাবে রাজনৈতিক অঙ্গনের অস্থিতিশীল পরিবেশকে রাজনৈতিক অস্থিরতা বলা হয়। একটু ব্যাপকভাবে বলতে গেলে ভঙ্গুর গণতান্ত্রিক পরিবেশে যখন রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে সুষ্ঠু রাজনীতি চর্চার অভাবহেতু পারস্পরিক অবিশ্বাস, সন্দেহ, কোন্দল এবং হানাহানি ও সহিংসতা দেখা দেয়, সেই পরিবেশকে রাজনৈতিক অস্থিরতা বলে। অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশে দেশে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়। এর ফলে গণতন্ত্র ব্যাহত হয়, নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে না। অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ সুশাসনের অন্তরায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
744
উত্তরঃ

ক' দেশটির উল্লিখিত সমস্যাগুলো সামাজিক সমস্যা। কোনো দেশের আর্থসামাজিক বিপর্যয়ের ওপর নির্ভর করে এ ধরনের সামাজিক সমস্যার জন্ম হয়। এরূপ সামাজিক সমস্যা অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে থাকে। যেমন অধিক জনসংখ্যা একটি সামাজিক সমস্যা, কিন্তু এটি অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করে, পরিবেশ বিপন্ন করে, সামাজিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে, রাজনৈতিক পরিবেশকে প্রভাবিত করে থাকে। অধিক জনসংখ্যা শিক্ষা বিস্তারে বাধার কারণ হয়। একই সাথে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়, অপরাধপ্রবণতা বাড়ে অর্থাৎ একটি সমস্যা থেকে একাধিক সমস্যার উৎপত্তি হয়। উদ্দীপকের সমস্যাগুলোর ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য। এসব মূলত সামাজিক সমস্যা হলেও রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমস্যারও সৃষ্টি করে থাকে। যেকোনো দেশের জন্য এসব সমস্যা সুশাসনের অন্তরায়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পথে এসব সমস্যা যখন বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তখন তা সুশাসনের অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। আর সুশাসনের অন্তরায় দুঃশাসনকে টেনে আনে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
180
উত্তরঃ

সুনাগরিকগণ একটি দেশের সর্বোত্তম সম্পদ। একটি দেশের অগ্রগতি, উন্নতি নির্ভর করে সুনাগরিকদের কাজের ওপর। 

কোনোদেশের সরকারের একার পক্ষে দেশের সার্বিক উন্নয়ন এবং সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। জনগণ ও সরকার সম্মিলিতভাবে এসব সমস্যার সমাধান করতে পারে। উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' দেশটির সমস্যা সমাধানেও নাগরিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কোনো দেশের জনসংখ্যা সমস্যা সমাধান সরকার যত কার্যক্রমই গ্রহণ করুক না কেন, জনগণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছাড়া তা সম্ভব নয়। জনসংখ্য পরিকল্পনায় প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে।
জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সচেতনতা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য আবশ্যক। শিক্ষা বিস্তারে দেশের জনগণ সরকারকে সহযোগিতা করতে পারে। শিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত প্রতিটি নাগরিককে এক্ষেত্রে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। যারা শিক্ষার আলো থেকে দূরে, তাদেরকে শিক্ষা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সম্ভব নয়। শিক্ষাই উন্নতির সোপান, কথাগুলো শিক্ষা বঞ্চিতদেরকে বোঝাতে হবে।

সন্ত্রাস ও দুর্নীতি একটি দেশের জন্য অভিশাপস্বরূপ। সন্ত্রাস ও দুর্নীতির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সমাজেরই অংশ। নাগরিকদের একটি অংশই এ কাজে যুক্ত থাকে। সন্ত্রাস ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সাধারণ জনগণকেই সজাগ থাকতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে হবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যাতে দুর্নীতি থেকে মুক্ত থাকে, সেজন্য নাগরিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। দুর্নীতিবাজদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি দূর করা খুবই সহজ কাজ। এ ব্যাপারে নাগরিকদেরকে এগিয়ে আসতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
181
উত্তরঃ

শাসন প্রক্রিয়ায় সুশৃঙ্খল, কাঠামোবদ্ধ ও আদর্শ এমন রূপকে সুশাসন বলা হয় যেখানে আইনের শাসন, নিরপেক্ষ, সংবেদনশীল, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং কার্যকর শাসন পদ্ধতি চালু থাকবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
519
উত্তরঃ

সুশাসনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো আইনের শাসন। আইনের
শাসন বলতে মূলত বোঝানো হয় রাষ্ট্রীয় জীবনে নিরপেক্ষভাবে আইন
প্রয়োগের মাধ্যমে মানবাধিকারের সংরক্ষণকে। সংখ্যালঘু ও
রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এর শর্ত। স্বাধীন

নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। এটি জনগণের অধিকার রক্ষার রক্ষাকবচ। 

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
290
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews