যুক্তিবিদ্যা অত্যন্ত জটিল বিষয়। এ কথাটি চিন্তা করে ও ভালো ফলাফলের আশায় নির্মল চন্দ্র ভৌমিক তার বড় ছেলে সুকেশকে প্রাইভেট পড়ার কথা বলে। সকলের সাথে প্রাইভেট শিক্ষক সুকেশকে বোর্ডে লিখে দিলেন, কিছু উদাহরণ-

সকল মানুষ হয় জীব।

কিছু প্রাণী হয় মানুষ।

সকল মানুষ হয় মরণশীল।

সকল মানুষ হয় দ্বিপদবিশিষ্ট।

তারপর বললেন, বিধেয় হিসেবে এগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক উল্লেখ কর। হঠাৎ করে বুঝতে না পেরে সুকেশ একটু চুপ করে রইল । তারপর শিক্ষক মহোদয় বললেন, এ অধ্যায়ে জাতি-উপজাতির আলোচনা বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করা হয় তাই বিধেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

দুটি শ্রেণিবাচক পদ যদি পরস্পরের সঙ্গে এমনভাবে সম্পর্কযুক্ত হয় যে, এদের একটির ব্যক্ত্যর্থের পরিধি অপরটির চেয়ে বৃহত্তর হয় এবং বৃহত্তর পদটি যদি অপর পদটিকে নিজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে; তবে বৃহত্তর পদটিকে অপর পদের 'জাতি' বলে। যেমন- সকল অধ্যাপক হন মানুষ। আবার দুটি বা কয়েকটি শ্রেণির মধ্যে যদিও এ রকম সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে যে, এদের একটি অপরটিকে বা অপরগুলোকে আওতাভুক্ত করে তবে আওতাভুক্ত শ্রেণিকে 'উপজাতি' বলে। যেমন- মানুষ, কুকুর, বাঘ প্রভৃতি হলো প্রাণী জাতির উপজাতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বর্ণনায় সুকেশকে ভালো ফলাফলের আশায় তার বাবা নির্মল চন্দ্র ভৌমিক প্রাইভেট শিক্ষক ঠিক করে দেন। যুক্তিবিদ্যার সব বিষয়কে স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে প্রাইভেট শিক্ষক একদিন সুকেশকে বোর্ডে কিছু উদাহরণ লিখে দেন। উদাহরণগুলো হলো-

১. সকল মানুষ হয় জীব। কিছু প্রাণী হয় মানুষ। 

২. সকল মানুষ হয় মরণশীল। সকল মানুষ হয় দ্বিপদবিশিষ্ট। উক্ত উদাহরণ দুটিতে বিধেয়ক চিহ্নিত করতে হলে সুকেশকে বিধেয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে হবে। কেননা, যেকোনো যুক্তিবাক্যে সাধারণত দুটি পদ থাকে। যথা- উদ্দেশ্য ও বিধেয়। উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করা হয় তাই বিধেয়। আর উদ্দেশ্যের সাথে বিধেয়ের যে সম্বন্ধ তা হচ্ছে বিধেয়ক।

তাই সুকেশ উদ্দেশ্যের স্বীকার বা অস্বীকার সম্পর্কিত জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে উক্ত উদাহরণ দুটিতে বিধেয়ক চিহ্নিত করতে পারবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

শিক্ষক মহোদয়ের শেষোক্ত উক্তিটি হলো, জাতি উপজাতির আলোচনা বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। বস্তুত, কোনো শ্রেণিকে জাতি বলার অর্থ হলো তা অন্য কোনো উপজাতির তুলনায় জাতি। আবার কোনো শ্রেণিকে উপজাতি বলার অর্থ হলো তা অন্য কোনো জাতির তুলনায় উপজাতি। একই শ্রেণিবাচক পদ একসময় জাতি এবং অপর সময় উপজাতি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ 'মানুষ' পদটি স্বতন্ত্রভাবে জাতিও নয়, উপজাতিও নয়। কিন্তু 'মানুষ' পদটিকে যখন এর থেকে কম ব্যাপক 'ছাত্র' পদটির সাথে তুলনা করা হয় তখন এটি একটি জাতি। আবার 'মানুষ' পদটিকে যখন এর থেকে বেশি ব্যাপক 'জীব' পদটির সাথে তুলনা করা হয় তখন এটি একটি উপজাতি। আরও একটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, ব্যক্ত্যর্থের দিক দিয়ে জাতি উপজাতিকে অন্তর্ভুক্ত করে। কিন্তু জাত্যর্থের দিক দিয়ে উপজাতি জাতিকে অন্তর্ভুক্ত করে। জীব ও মানুষ পদ দুটির মধ্যে জীব পদটি 'মানুষ' পদটিকে অন্তর্ভুক্ত করে। কিন্তু জাত্যর্থের দিক দিয়ে জীব পদের জাত্যর্থ জীববৃত্তি এবং মানুষ পদের জাত্যর্থ জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি। এদিক থেকে মানুষ পদটি জীব পদকে অন্তর্ভুক্ত করে।

জাতি ও উপজাতির উক্ত আলোচনার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা তাঁদের গবেষণার অনেক কিছু খুঁজে পান। বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য কোনো ক্ষুদ্রতর নিয়মকে বৃহত্তর নিয়মের অধীনে এনে ব্যাখ্যা করা জরুরি। একইভাবে কোনো বৃহত্তর নিয়ম থেকে কোনো ক্ষুদ্রতর নিয়মকে আলাদা করাও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য জাতি উপজাতির আলোচনা বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
307

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে গুণের কারণে একই জাতির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতিকে তার সমজাতীয় অন্যান্য উপজাতি থেকে পৃথক করা হয় তাই হলো 'বিভেদক লক্ষণ'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
359
উত্তরঃ

জাতির মধ্যে উপজাতি অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং উপজাতিকে জাতি নিজের মধ্যে ধারণা করে। এরা যদিও আলাদা তথাপি জাতির আলোচনা করতে গেলে উপজাতির চলে আসবে এবং উপজাতি আলোচনা করতে গেলে জাতি আবশ্যিকভাবে চলে আসে। কারণ জাতিকে যদি ব্যাখ্যা করতে চাই তবে উপজাতির সাহায্য নিই এবং উপজাতিকে বিশ্লেষণ করতে জাতির সাহায্য নিই। সুতরাং জাতি এবং উপজাতি সম্পর্কের ক্ষেত্রে অবিচ্ছেদ্য ও অনিবার্যভাবে পরস্পরের সাথে জড়িত ও সম্পর্কিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
367
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটি উপলক্ষণ বিধেয়ককে নির্দেশ করে।

উপলক্ষণ বিধেয়কের পাঁচটি শ্রেণির একটি। যে গুণ জাত্যর্থের অংশ নয়, কিন্তু জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় তাই হলো উপলক্ষণ। যেমন- সকল মানুষ হয় চিন্তাশীল প্রাণী। এই 'চিন্তাশীলতা' গুণটি মানুষ পদের উপলক্ষণ। ঠিক তেমনি উদ্দীপকের বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটি হলো মানুষ পদের উপলক্ষণ। মানুষ পদের জাত্যর্থ হলো বুদ্ধিবৃত্তি ও জীববৃত্তি। বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটি জাত্যর্থের অংশ নয়। কিন্তু জাত্যর্থ বুদ্ধিবৃত্তি গুণটি থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত। তাই বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটিকে মানুষ পদের উপলক্ষণ বলা হয়। অর্থাৎ বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদ সম্পর্কে এমন গুণ উল্লেখ করবে বা উদ্দেশ্য পদের জাত্যর্থ নয় কিন্তু গুণটি জাত্যর্থ থেকে উদ্ভূত।

বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটি জাত্যর্থের অংশ না হয়েও জাত্যর্থ থেকে অপরিহার্যভাবে আসে। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকে বর্ণিত বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটি উপলক্ষণ বিধেয়কের অন্তর্ভুক্ত। যা কোনো জাত্যর্থের অংশ নয় কিন্তু তা অপরিহার্যভাবে জাত্যর্থ থেকে এসেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
526
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত যে বিষয়গুলো দেওয়া আছে, তথা ২৫ মার্চ, ভোজনরসিক এবং অন্যকে খাওয়ানো এগুলো বিধেয়কের অবান্তর লক্ষণ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

অবান্তর লক্ষণ হলো যে গুণ বা গুণাবলি কোনো পদের জাত্যর্থের অংশ নয় এবং জাত্যর্থ থেকে আবশ্যিকভাবে অনুমিত নয়। যেমন- ভোজন রসিক বা খাওয়ানো মানুষের একটা অবান্তর লক্ষণ। এই গুণাবলি মানুষের মধ্যে বিদ্যমান কিন্তু তা জাত্যর্থের অংশ নয় বা জাত্যর্থ থেকে আবশ্যিকভাবে নিঃসৃত হয় না।

অবান্তর লক্ষণ কোনো শ্রেণির মধ্যে থাকতে পারে আবার ব্যক্তির মধ্যে থাকতে পারে। অবান্তর লক্ষণ চার ধরনের হতে পারে। (ক) শ্রেণিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ (খ) শ্রেণিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ (গ) ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ (ঘ) ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ।

উদ্দীপকে যেসব অবান্তর লক্ষণ দেওয়া আছে তা মূলত ব্যক্তিগত অবান্তর লক্ষণের সাথে সম্পর্কিত। ২৫ মার্চ অবান্তর লক্ষণটি ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। কারণ- ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ হলো তাই যা ব্যক্তির মধ্যে সব সময় বর্তমান এবং তা কোনোক্রমে পরিবর্তন করা যায় না। শিক্ষক নোমান ২৫ মার্চ ১৯৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। এটি অবিচ্ছেদ্যভাবে তার সাথে সম্পৃক্ত। কারণ তার জন্ম সাল বা তারিখ বদলে দেওয়া যাবে না। আবার, নোমান ভোজনরসিক ও খাওয়ানো যে গুণ তা হলো ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ এর অন্তর্ভুক্ত। কারণ ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ হলো যা ব্যক্তির মধ্যে কখনো বর্তমান আবার কখনো অবর্তমান থাকে। ভোজনরসিক এবং খাওয়ানো নোমান সাহেবের মধ্যে আছে। কিন্তু এমন হতে পারে যে কিছুদিন পর তা তাঁর মধ্যে নেই। সুতরাং এটি ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
277
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ অ্যারিস্টেটল সর্বপ্রথম যুক্তিবিদ্যায় বিধেয়কের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেন এবং একে চার ভাগে ভাগ করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
332
উত্তরঃ

সদর্থক যুক্তিবাক্যে শ্রেণিবাচক বিধেয় পদের সাথে উদ্দেশ্য পদের যেসব সম্পর্ক হতে পারে সেগুলোকে বলা হয় বিধেয়ক। আর এই বিধেয়ক বিষয়টি যুক্তিবিদ্যায় সর্বপথম অন্তর্ভুক্ত করেন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টেটল। তিনি বিধেয়ক-এর চারটি শ্রেণিবিভাগ করেছেন। এগুলো হলো- ১. সংজ্ঞা, ২. জাতি, ৩. উপলক্ষণ, ৪. অবান্তর লক্ষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
577
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews