উত্তরঃ

তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য 'য' এর ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে। 

বিধানের পাঁচটি নিয়ম হলো: 
১) অ, আ ভিন্ন কোনো স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে 'ষ' প্রত্যয়ের 'স' থাকাল তা মূর্ধন্য 'ষ' হয়। যেমন: ভবিষ্যৎ, দিয়া, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, বিষয়, বিষ্ণু, সুনা ইত্যাদি। 
২) ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে মূর্ধণ্য 'য' হয়। যেমনঃ অনুষ্ঠান, অভিষেক।
৩) ঋ-কার ও র-কার এর পর মূর্ধন্য 'ষ' হয়। যেমনঃ বৃষ, ঋষি, কৃষ্ণ, কৃষক, বর্ষা, উৎকর্ষ, বৃষ্টি, কৃষ্টি, সৃষ্টি ইত্যাদি । ইত্যাদি । 
৪) ট ও ঠ-এর সঙ্গে যুক্ত হলে দন্ত্য 'স' না হয়ে মূর্ধন্য 'য' হয়। যেমনঃ কষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ্য, স্পষ্ট ইত্যাদি। 
৫) সমাসবদ্ধ পদ হলে এবং প্রথম পদের ই, উ, ঋ থাকলে মূর্ধন্য 'ষ'-এ পরিণত হয়। যেমনঃ যুধিষ্ঠির, গোষ্ঠী, ভ্রাতৃপুত্র ইত্যাদি।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

‘পিস্তল' শব্দটি পর্তুগীজ ভাষা থেকে আগত।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

চর্মকার' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

'ছবি' শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

'গোলাপ' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

'ম্যাজেন্টা' শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে আগত ।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

সংসার = সম্ + সার

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

পরীক্ষা = পরি + ঈক্ষা

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

বিদ্যালয় = বিদ্যা + আলয়

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

প্রত্যুত্তর = প্রতি + উত্তর

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

চলচ্চিত্র = চলৎ = চিত্র

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

নৌকা চলাচলের যোগ্য = নাব্য

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

যা বলা হয়নি = অনুক্ত

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

অন্য ভাষায় রূপান্তরিত = অনূদিত

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

যে বেশি কথা বলে = বাচাল

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

লাভ করিবার ইচ্ছা = লিপ্সা

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

১) পাকা বন্দোবস্ত (স্থায়ী) = শিক্ষক পরীক্ষার জন্য পাকা বন্দোবস্ত করে রেখেছেন। 

২) পাকা কথা (শেষ সিদ্ধান্ত) = স্যার পরীক্ষার জন্য পাকা কথা নিয়েছে। 

৩) ইচরে পাকা (অকালপক্ব)ঃ ইঁচরে পাকা বাচ্চাদের কেউ পছন্দ করে না।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
200

১. ণত্ব বিধান
বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ণ ধ্বনির ব্যবহার নেই। সেজন্য বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য বর্ণ (ণ) লেখার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য- ন-এর ব্যবহার আছে। তা বাংলায় অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়। তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণত্ব বিধান।
ণ ব্যবহারের নিয়ম
১. ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়। যেমন – ঘণ্টা, লণ্ঠন, কাণ্ড ইত্যাদি।
২. ঋ, র, ষ – এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়। যেমন – ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি। ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, য য় ব হ ং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন – কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্, তার পরে ণ), হরিণ (র-এর পরে ই, তার পরে ণ, v.
অর্পণ (র্ + প্ + অ+ণ), লক্ষণ (ক্ + ষ্ + অ + ণ)। এরূপ – রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি ৷
-
৪. কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই ণ হয়

চাণক্য মাণিক্য গণ
বাণিজ্য লবণ মণ
বেণু বীণা কঙ্কণ কণিকা ।
কল্যাণ শোণিত মণি
স্থাণু গুণ পুণ্য বেণী
ফণী অণু বিপণি গণিকা ।
আপণ লাবণ্য বাণী
নিপুণ ভণিতা পাণি
গৌণ কোণ ভাণ পণ শাণ ৷
চিক্কণ নিক্কণ তূণ
কফণি (কনুই) বণিক গুণ
গণনা পিণাক পণ্য বাণ ৷


সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে ন হয়। যেমন – ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক। ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত ন কখনো ণ হয় না, ন হয়। যেমন – অন্ত,গ্রন্থ, ক্রন্দন।

২. ষ-ত্ব বিধান
বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই। তাই দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ লেখার প্রয়োজন হয় না। কেবল কিছু তৎসম শব্দে ষ-এর প্রয়োগ রয়েছে। যে-সব তৎসম শব্দে ‘ষ’ রয়েছে তা বাংলায় অবিকৃত আছে। তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ‘ষ’–এর ব্যবহারের নিয়মকে ষত্ব বিধান বলে।
ষ ব্যবহারের নিয়ম
১. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের স ষ হয়। যেমন— ভবিষ্যৎ (ত্ + অ + ব্ + ই + ) এখানে ব-এর পরে ই-এর ব্যবধান), মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
২. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ’ হয়। যেমন – অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, প্রতিসেধক > প্রতিষেধক, প্রতিস্থান অনুষ্ঠান, বিসম > বিষম, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি। প্রতিষ্ঠান, অনুস্থান >
৩.‘ঋ’ এবং ঋ কারের পর ‘ষ’ হয়। যেমন- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট, দৃষ্টি, সৃষ্টি ইত্যাদি।
৪. তৎসম শব্দে ‘র’-এর পর ‘ষ’ হয়। যেমন- বর্ষা, ঘর্ষণ, বৰ্ষণ
৫. র- ধ্বনির পরে যদি অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকে তবে তার পরে 'ষ' হয়। যথা : পরিষ্কার। কিন্তু অ, আ স্বরধ্বনি থাকলে স হয়। যথা পুরস্কার।
৬. ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে 'ষ' যুক্ত হয়। যথা : কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।
কতগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ষ’ হয়। যেমন-ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ভাষা, ঊষা, পৌষ, কলুষ, পাষাণ, মানুষ, ঔষধ, ষড়যন্ত্র, ভূষণ, দ্বেষ ইত্যাদি ।
জ্ঞাতব্য
ক. আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে ষ হয় না। এ সম্বন্ধে সতর্ক হতে হবে। যেমন— জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।
খ. সংস্কৃত ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত পদেও ষ হয় না। যেমন- অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।

Related Question

View All
উত্তরঃ অযৌক্তিক

বাংলা ব্যাকরণে 'এক কথায় প্রকাশ' বা 'বাক্য সংকোচন' হলো একটি বাক্য বা বাক্যাংশকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা, যা মূল অর্থকে অক্ষুণ্ণ রাখে। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বক্তব্যকে সংক্ষিপ্ত ও সুনির্দিষ্ট করে তোলে।

প্রদত্ত বাক্য "যুক্তিসংগত নয়" বলতে এমন কিছুকে বোঝায় যার পেছনে কোনো যুক্তি, কারণ বা ভিত্তি নেই, যা অযৌক্তিক বা অসমর্থনীয়। এই অর্থকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করতে হলে 'অযৌক্তিক' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। এখানে 'অ' উপসর্গটি 'নয়' বা 'বিরুদ্ধ' অর্থ প্রকাশ করে এবং 'যৌক্তিক' শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে 'যুক্তিসংগত নয়' ভাবটি সম্পূর্ণভাবে তুলে ধরে।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় (যেমন - বিসিএস, ব্যাংক, সরকারি ও বেসরকারি চাকরি) বাংলা ব্যাকরণের এই অংশটি প্রায়শই আসে। এটি ভাষার সঠিক ব্যবহার এবং শব্দভান্ডার যাচাইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কিছু প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:

        
  • যা কষ্টে লাভ করা যায় – দুর্লভ
  •     
  • যা দমন করা যায় না – অদম্য
  •     
  • যা সহজে ভেঙে যায় – ভঙ্গুর
  •     
  • যার সীমা নেই – অসীম
Satt AI
Satt AI
1 month ago
577
উত্তরঃ উক্ত

এক কথায় প্রকাশ হলো বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে একটি বাক্য বা বাক্যাংশকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়। এর মাধ্যমে ভাষার সংক্ষিপ্ততা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং শব্দভাণ্ডারের ওপর দখল বোঝা যায়। 'যা বলা হয়েছে' বাক্যটিকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করলে হয় 'উক্ত'। এটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও চাকরির পরীক্ষায় প্রায়শই দেখা যায়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
691
উত্তরঃ অনুসন্ধিৎসা

বাংলা ব্যাকরণে একাধিক পদকে একটি পদে সংক্ষেপ করাকে বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ বলা হয়। 'ইচ্ছা' সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ নিচে উল্লেখ করা হলো, যা বিভিন্ন সরকারি ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় নিয়মিত আসে:

      
  • অনুসন্ধান করবার ইচ্ছা: অনুসন্ধিৎসা
  •   
  • জানার ইচ্ছা: জিজ্ঞাসা
  •   
  • জয় করার ইচ্ছা: জিগীষা
  •   
  • বেঁচে থাকার ইচ্ছা: জিজীবিষা
  •   
  • মুক্তি পাওয়ার ইচ্ছা: মুমুক্ষা
  •   
  • করবার ইচ্ছা: চিকিৎসা
  •   
  • দেখবার ইচ্ছা: দিদৃক্ষা
  •   
  • লাভ করার বা পাওয়ার ইচ্ছা: লিপ্সা
  •   
  • খাবার ইচ্ছা: বুভুক্ষা
Satt AI
Satt AI
2 days ago
608
উত্তরঃ সমসাময়িক

'একই সময়ে বর্তমান' বাক্যটির সঠিক বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ হলো সমসাময়িক (বা সমকালীন)।

চাকরির পরীক্ষা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সময় সংক্রান্ত আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংক্ষেপণ নিচে দেওয়া হলো:

      
  • একই সময়ে বর্তমান: সমসাময়িক / সমকালীন
  •   
  • একই সময়ে উৎপন্ন বা ঘটে এমন: যুগপৎ
  •   
  • সমান বয়সের যিনি: সমবয়সী / সমবয়স্ক
  •   
  • সব সময়ে বিদ্যমান: শাশ্বত / সর্বকালীন
  •   
  • পূর্ববর্তী সময়ের: ভূতপূর্ব
  •   
  • পরবর্তী সময়ের: উত্তরকালীন
Satt AI
Satt AI
2 days ago
574
উত্তরঃ চাক্ষুষ

ব্যাখ্যা: 'চক্ষু দ্বারা গৃহীত' বাক্যটির এক কথায় প্রকাশ হলো চাক্ষুষ (বা গোচর)। বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ হলো দীর্ঘ বাক্য বা বাক্যাংশকে সংক্ষিপ্ত করে একটি শব্দে রূপান্তর করা, যা ভাষার সৌন্দর্য ও বোধগম্যতা বৃদ্ধি করে।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও চাকরির পরীক্ষার জন্য 'চক্ষু' সম্পর্কিত আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন নিচে দেওয়া হলো:

      
  • চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত: প্রত্যক্ষ বা চাক্ষুষ
  •   
  • চক্ষুর অগোচরে: পরোক্ষ
  •   
  • যা অক্ষি বা চক্ষুর সম্মুখে বিদ্যমান: প্রত্যক্ষ
  •   
  • যার চক্ষু লজ্জিত নয় / অক্ষির লজ্জাহীন: চশমখোর
  •   
  • যা চক্ষুর বিষয় বা ইন্দ্রিয় দ্বারা গ্রাহ্য: গোচর
Satt AI
Satt AI
2 days ago
562
উত্তরঃ অশ্রুতপূর্ব

ব্যাখ্যা: বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ হলো একাধিক পদকে একটি শব্দে রূপান্তর করা। অনুরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংক্ষেপণ নিচে উল্লেখ করা হলো:

        
  • যা পূর্বে শোনা যায় নি: অশ্রুতপূর্ব
  •     
  • যা পূর্বে দেখা যায় নি: অদৃষ্টপূর্ব
  •     
  • যা পূর্বে ঘটে নি: অভূতপূর্ব
  •     
  • যা পূর্বে বলা হয় নি: অনুক্ত
  •     
  • যা পূর্বে ছিল এখন নেই: ভূতপূর্ব
Satt AI
Satt AI
2 days ago
533
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews