যেদিন আমার মহাঘুমে বুজবে দুই চোখ

পাড়া প্রতিবেশী সবাই পাবে কিছু শোক।

চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-তারা, সাগর-নদী-জল

এই পৃথিবী যেমন আছে রবে অবিকল।

আমি যে এই পৃথিবীর লোক ভুলে যাবে সবে,

শুধু থাকব না আর আমি একা সবই রবে ভবে।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

সেইদিন এই মাঠ কবিতায় খেয়ানৌকাগুলো ঘাসে এসে লেগেছে।

Satt AI
Satt AI
10 hours ago
উত্তরঃ

“সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে”—কথাটির দ্বারা কবি বুঝিয়েছেন যে, মানুষের জীবনে যত স্বপ্ন, আশা-আকাঙ্ক্ষা বা সাধ থাকে, তা তার মৃত্যুর সাথে সাথেই ফুরিয়ে যায়, অর্থাৎ পৃথিবী থেকে তা ঝরে পড়ে। এই স্বপ্ন বা সাধ চিরস্থায়ী নয়, বরং মানবজীবনের মতোই ক্ষণস্থায়ী।

কবি এখানে মানবজীবনের নশ্বরতা এবং জাগতিক আকাঙ্ক্ষার ভঙ্গুরতাকে তুলে ধরেছেন। চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, তারা, সাগর, নদী—এসব প্রাকৃতিক উপাদান যেমন চিরকাল পৃথিবীতে টিকে থাকে, মানুষের স্বপ্ন বা জীবনের সাধ তেমন স্থায়ী নয়। ব্যক্তির মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার সব স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষার পরিসমাপ্তি ঘটে, যা প্রকৃতির চিরন্তনতার বিপরীত।

Satt AI
Satt AI
10 hours ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম দুই চরণে কবির আত্মকেন্দ্রিক ভাবনা ও মানব জীবনের নশ্বরতার দিকটি ফুটে উঠেছে, যা 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মূল ভাববস্তুর সাথে সম্পর্কিত। উভয় ক্ষেত্রেই মৃত্যুর অবশ্যম্ভাবিতা এবং ব্যক্তিগত জীবনের অবসান সত্ত্বেও প্রকৃতির অক্ষয় ও অবিনশ্বর প্রবাহের ধারণাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি জীবনানন্দ দাশ প্রকৃতির চিরন্তন রূপ এবং মানব অস্তিত্বের ক্ষণস্থায়ীত্বকে তুলে ধরেছেন। কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে মানুষের জীবন অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত, এবং একজন মানুষ পৃথিবী থেকে বিদায় নিলে প্রকৃতিতে তার কোনো প্রভাব পড়ে না। নদী, মাঠ, চাঁদ, তারা, আকাশ—সবকিছুই আগের মতোই নিজ গতিতে চলতে থাকে। মানুষের অনুপস্থিতি প্রকৃতির স্বাভাবিক ছন্দকে ব্যাহত করতে পারে না, বরং মানব জীবনের এই ক্ষণস্থায়ীত্বই কবিতার মূল সুর।

উদ্দীপকের প্রথম দুই চরণে বর্ণিত "যেদিন আমার মহাঘুমে বুজবে দুই চোখ / পাড়া প্রতিবেশী সবাই পাবে কিছু শোক" পঙক্তিদ্বয় উপরোক্ত ভাবনারই প্রতিচ্ছবি। এখানে বক্তা তার ব্যক্তিগত মৃত্যুর কথা বলেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে তার মৃত্যুর ফলে কেবলমাত্র পাড়া-প্রতিবেশীরা সাময়িক শোক অনুভব করবে। এই ক্ষণস্থায়ী মানবীয় শোক এবং জীবনের পরিসমাপ্তির চিত্র 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মূল প্রতিপাদ্যের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত, যেখানে ব্যক্তিগত অস্তিত্বের অবসান হলেও বৃহত্তর প্রাকৃতিক ও সামাজিক জগৎ আপন নিয়মে অবিচল থাকে।

Satt AI
Satt AI
10 hours ago
উত্তরঃ

“সেইদিন এই মাঠ” কবিতার মূল সুরের সাথে উদ্দীপকের শেষ চার চরণের ভাবগত ঐক্য রয়েছে। এই মন্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। উভয় রচনাতেই মানব জীবনের ক্ষণস্থায়ীত্ব এবং প্রকৃতির চিরন্তনতা সুস্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়েছে।

উদ্দীপকের শেষ চার চরণে কবির ব্যক্তিগত বিলীন হয়ে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। কবি উপলব্ধি করছেন যে, তার মৃত্যুর পর পাড়া-প্রতিবেশী সাময়িক শোক পেলেও চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-তারা, সাগর-নদী-জল—অর্থাৎ এই পৃথিবীর সবকিছুই অবিকল থাকবে। ধীরে ধীরে মানুষ তাকে ভুলে যাবে, কেবল তিনি একাই এই ভবে থাকবেন না, বাকি সবকিছু তার নিজস্ব নিয়মে বয়ে চলবে। এখানে ব্যক্তি মানুষের অস্তিত্বের নগণ্যতা এবং মহাবিশ্বের শাশ্বত রূপের বৈপরীত্য দেখানো হয়েছে।

অন্যদিকে জীবনানন্দ দাশের "সেইদিন এই মাঠ" কবিতায়ও একই ভাব প্রতিফলিত হয়েছে। কবি সেখানে ব্যক্ত করেছেন যে, তার মৃত্যুর পরও এই মাঠ, নদী, চিল, শালিখ—সবকিছুই আগের মতোই থাকবে। মানুষ তার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যাবে, জীবনের কোলাহল থামবে না। প্রকৃতির অফুরন্ত সৌন্দর্য ও জীবনের নিরন্তর প্রবাহ ব্যক্তি মানুষের মৃত্যুতে বিন্দুমাত্র ব্যাহত হয় না। মানুষ ক্ষণস্থায়ী হলেও প্রকৃতি চিরন্তন, অসীম ও অবিনশ্বর। উভয় রচনাতেই মানুষ মরণশীল এবং প্রকৃতি চিরজীবী – এই সত্যকে গভীর সংবেদনশীলতার সাথে উপস্থাপন করা হয়েছে।

সুতরাং, উদ্দীপকের শেষ চার চরণে যে চিরন্তন সত্য প্রকাশিত হয়েছে, তা "সেইদিন এই মাঠ" কবিতার মূল সুরের সঙ্গে এক ও অভিন্ন। উভয় ক্ষেত্রেই ব্যক্তি মানুষের নগণ্যতা ও প্রকৃতির মহিমা তুলে ধরে মানব অস্তিত্বের গভীর দার্শনিক দিকটি উন্মোচিত হয়েছে। এই কারণে আমি উপরোক্ত মন্তব্যের সাথে সম্পূর্ণরূপে একমত।

Satt AI
Satt AI
10 hours ago
55

Related Question

View All
উত্তরঃ

'পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার'- কথাটির মধ্য দিয়ে লেখক বাষ্প্রতিবন্ধী সুভার বিয়ের বয়স হওয়া সত্ত্বেও বিয়ে দিতে না পারায় পিতা-মাতার হৃদয়ের নীরব কষ্টকে বোঝাতে চেয়েছেন।

সুভা বাণীকন্ঠের ছোট মেয়ে। সে কথা বলতে পারে না। বাণীকণ্ঠ তার বড় দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় ছোট মেয়ে সুভাকে বিয়ে দিতে পারেননি। তাই সুভার ভবিষ্যৎ নিয়ে বাণীকণ্ঠ এবং তার স্ত্রী উভয়েই চিন্তিত। সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে তাদের হৃদয়ে নীরব কষ্ট সৃষ্টি হয়। লেখক সেই কষ্টকেই বলেছেন- পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার।

10.8k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম অংশের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার দিকটির সংগতি দেখানো হয়েছে।

শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে অনেকে সমাজে অবহেলার শিকার হয়। এতে সমাজের মানুষ হীনম্মন্যতার পরিচয় দেয়। প্রতিবন্ধীদের প্রতি সহানুভূশীল হলে তবেই তারা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং সমাজে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারবে।

'সুভা' গল্পে সুভা কথা বলতে পারে না। আনন্দের বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে এলেও কথা বলতে না পারার বিষয়টি কিছুটা সুভার বাবা- মায়ের মনে নীরব হৃদয়ভারের জন্ম দেয়। উদ্দীপকের কল্যাণীর জন্মও পরিবারে আনন্দ নিয়ে আসে। কিন্তু তার মানসিক প্রতিবন্ধিতার দিকটি সবাইকে চিন্তিত করে তোলে। তার মানসিক বিকাশ কিছুটা কম হয়েছে। 'সুভা' গল্পের সুভাও বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় তার পরিবারের সবার দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে উদ্দীপকের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার প্রতিবন্ধিতার দিকটি সংগতিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

7.7k
উত্তরঃ

কল্যাণী ও সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন- মন্তব্যটি যথার্থ।

শারীরিক প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজে বিভিন্নভাবে অবহেলার সম্মুখীন হয়। তারা আমাদের সমাজেরই অংশ, আমাদের মতোই মানুষ। তাই তাদের কল্যাণে এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের সহানুভূতি পেলে তারা জীবনের পূর্ণতা লাভ করবে।

উদ্দীপকে কল্যাণীর মানসিক বিকাশ ঠিকভাবে ঘটেনি। বিয়ের কথাবার্তায় তার বাবা পলাশ বাবু বরপক্ষের কাছে সে সব কথা খুলে বলেন। তারা সব শুনে উদারতার পরিচয় দেন। বরের বাবা সুবোধ বাবু মহত্ত্বের পরিচয় দিয়ে কল্যাণীকে ঘরে নিয়ে যেতে চান। অন্যদিকে 'সুভা' গল্পের সুভা বাষ্প্রতিবন্ধী। সে কথা বলতে পারে না। সবার কাছ থেকে অবহেলা পেলেও সুভা তার বাবার ভালোবাসা পেয়েছে। সুভার সাথে কেউ মেশে না বলে সে পোষা প্রাণীদের মাঝে নিজের একটি বিশাল জগৎ তৈরি করেছে।

উদ্দীপকের কল্যাণী ও 'সুভা' গল্পের সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন। কল্যাণী সুবোধ বাবুর উদারতায় পেয়েছে সুন্দর ভবিষ্যতের সন্ধান। অথচ 'সুভা' গল্পের সুভার পরিণতি এতটা মানবিকতায় সিক্ত হয়নি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

5.9k
উত্তরঃ

শঙ্খের মধ্যে যেমন সমুদ্রের শব্দ শুনা যায়, তেমনি এই লাইব্রেরির মধ্যে কি হৃদয়ের উত্থানপতনের শব্দ শুনিতেছ

8.1k
উত্তরঃ

‘জীবিত ও মৃত ব্যক্তির হৃদয় পাশাপাশি এক পাড়ায় বাস করিতেছে’ – উক্তিটির মাধ্যমে গ্রন্থাগার বা বইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বইয়ের পাতায় মৃত বা বিগত প্রজন্মের জ্ঞানী-গুণী মানুষের চিন্তা, দর্শন, অভিজ্ঞতা ও সৃষ্টিশীলতা সংরক্ষিত থাকে। যখন একজন জীবিত পাঠক সেই বই পড়েন, তখন যেন মৃত লেখকের হৃদয় বা মননের সাথে জীবিত পাঠকের মনের নিবিড় সংযোগ ঘটে।

এভাবে বইয়ের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা জীবিত প্রজন্মের মধ্যে প্রবাহিত হয়, যা মানবজাতির নিরন্তর জ্ঞানচর্চাকে সম্ভব করে তোলে। লেখক এবং পাঠকের এই আত্মিক মিলনকে তুলনা করা হয়েছে একই পাড়ায় বসবাস করা হৃদয়ের সাথে, যেখানে সময় ও স্থানের বাধা অতিক্রম করে জ্ঞান ও উপলব্ধির এক নিরন্তর বিনিময় ঘটে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
6.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews